শিরোনাম
◈ মগবাজার পেয়ারাবাগে এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ে ও চার লেন রেলপথের কাজ চলতে বাধা নেই ◈ মালয়েশিয়ায় চিকিৎসা শেষে দেশে ফিরলেন মির্জা আব্বাস ◈ ইসরায়েলে ইনটেলের সেমিকন্ডাক্টর কারখানায় বিস্ফোরণ, ছড়িয়ে পড়েছে বিষাক্ত রাসায়নিক পদার্থ ◈ স্কুলে ভর্তিতে বয়স নির্ধারণ, কোন শ্রেণিতে কত বছর হতে হবে যা জানাগেল ◈ কুমিল্লা মহানগর জামায়াতের কমিটি নিয়ে দ্বন্দ্ব, সেক্রেটারির গাড়ি ভাঙচুর-হামলা ◈ ডেঙ্গু প্রতিরোধে সপ্তাহে দুদিন ঘরবাড়ি পরিষ্কারের আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর ◈ এভিয়েশন খাতে বিনিয়োগে আগ্রহী ইতালি, বাংলাদেশে গড়তে চায় এমআরও হাব ◈ রাশিয়ার পর বাংলাদেশের পারমাণবিক বিদ্যুৎ খাতে চীন-যুক্তরাষ্ট্রের নজর ◈ বুক কাঁপছে আতঙ্কে, তবু থামছে না জীবিকার লড়াই : জীবিকার টানে সৌদি ফিরছেন প্রবাসীরা ◈ রাত গভীর হলেই বাড়ে বিদ্যুতের চাহিদা, ৩ হাজার মেগাওয়াট যাচ্ছে কোথায়?

প্রকাশিত : ১২ জুলাই, ২০২৬, ০৬:৪৭ বিকাল
আপডেট : ১৭ আগস্ট, ২০২৬, ১১:০০ রাত

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

ফি দিতে দেরি হওয়ায় পরীক্ষার্থীকে হল থেকে বের করে দিলেন প্রধান শিক্ষক 

ফিরোজ আহম্মেদ, ঝিনাইদহ প্রতিনিধি: ঝিনাইদহের মহেশপুরে (বি আর এ কে এস) মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে পরীক্ষার ফি দিতে দেরি হওয়ায় রাফিন হোসেন অষ্টম শ্রেণীর এক শিক্ষার্থীকে হল থেকে বের করে দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে প্রধান শিক্ষকের বিরুদ্ধে।

এই ঘটনার পর থেকে সে মানসিকভাবে ভেঙ্গে পড়েছে এবং খাওয়া-দাওয়া বন্ধ করে দিয়েছে বলে জানিয়েছে তার পরিবার। 

ভুক্তভোগী শিক্ষার্থী ও পারিবারিক সূত্রে জানা যায়, গত বৃহস্পতিবার ইংরেজি প্রথম পত্র পরীক্ষা দিতে বিদ্যালয় গিয়েছিলেন রাফিন হোসেন। পরীক্ষা চলাকালীন সহকারী শিক্ষিকা শাহনাজ পারভীন তার কাছে পরীক্ষার ফি চান। রাফিন তখন পারিবারিক সমস্যার কথা জানিয়ে কয়েকদিন পর ফি পরিশোধ করার  অনুরোধ  করে। কিন্তু শিক্ষিকা তাকে প্রধান শিক্ষকের কক্ষে যাওয়ার নির্দেশ দেন।

শিক্ষার্থী রাফিন বলেন,সে প্রধান শিক্ষক জামিরুল ইসলামের কাছে গিয়ে পরীক্ষা দেওয়ার জন্য অনুনয়-বিনয় করে। কিন্তু প্রধান শিক্ষক জানিয়ে দেন, ফি  ছাড়া কোনভাবেই পরীক্ষা দেওয়া যাবে না। এবং তাকে অবিলম্বে বিদ্যালয়ে ত্যাগ করতে বলেন।

Advertisement

শেষ পর্যন্ত পরীক্ষা না দিয়েই কাঁদতে কাঁদতে বাড়ি ফিরে আসে রাফিন। 

রাফিন এর বাবা চঞ্চল হোসেন জানান, আমরা মূলত আওয়ামী লীগের রাজনীতির সঙ্গে জড়িত। পারিবারিক ঝামেলার কারণে স্কুলের বেতন দিতে আমাদের একটু দেরি হয়েছিল। কয়েকদিন পরেই বেতন দিয়ে দেবো সে কথা সহকারী শিক্ষকাকেও  জানানো হয়েছিল। তারপরেও আমার ছেলেকে পরীক্ষা দিতে না দিয়ে হল থেকে বের করে দেওয়া হলো। এই অভিমানে ছেলেটা দুইদিন ধরে কিছুই খাচ্ছে না। 

এই অমানবিক আচরণের বিষয়ে জানতে বি আর এ কে এস মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক জামিরুল ইসলামের কাছে জানতে চাইলে তিনি গণমাধ্যমের কাছে কোন মন্তব্য করতে বা কথা বলতে রাজি হয়নি। 

এ বিষয়ে মহেশপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) সাজ্জাদ হোসেন বলেন, বিষয়টা তিনি অবগত হয়েছেন। মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসারের সঙ্গে কথা বলে দ্রুত তদন্ত সাপেক্ষে প্রয়োজনীয়মও আইনানিক ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। 

  • সর্বশেষ