শিরোনাম
◈ ডেঙ্গু প্রতিরোধে শিক্ষার্থী-তরুণদের এগিয়ে আসার আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর, পরিচ্ছন্নতায় জোর দিতে নির্দেশনা ◈ বাংলাদেশে টমেটো ও আলুর সংগ্রহ-পরবর্তী বিভিন্ন পর্যায়ে নষ্ট এক-তৃতীয়াংশ ধানে ১০.২৪% ◈ ত্রিদেশীয় সিরিজে প্রথম ম‌্যাচ সন্ধ‌্যায়, মু‌খোমু‌খি বাংলা‌দেশ ও জিম্বাবু‌য়ে ◈ মেসি-পরবর্তী যুগে আর্জেন্টিনার প্রথম দুই প্রতিপক্ষ চূড়ান্ত ◈ আগামী ২৪ ঘণ্টায় যেসব বিভাগে বৃষ্টি হতে পারে ◈ উত্তরায় কিশোর গ্যাংয়ের দাপট, মাদক সিন্ডিকেট ও দখলদারি নিয়ন্ত্রণে ‘দে লাড়া’ গ্রুপ (পিচ্চি সানি) ◈ ইমরান খান, ক্যালিস, ও সোবার্সের তালিকায় সাকিব আল হাসান ◈ ভারত কোটি টাকা আয় করবে, আর বঞ্চিত হ‌বে ওয়েস্ট ইন্ডিজ? ◈ হুতির হামলা আম‌লে নি‌চ্ছে না  সৌ‌দি আরব, যথাসময়ে এশিয়ান কাপ ফুটবল আয়োজনের ঘোষণা ◈ উপসাগরীয় অবকাঠামোয় ইরানের নিখুঁত হামলা, চাপে যুক্তরাষ্ট্রের যুদ্ধপরিকল্পনা

প্রকাশিত : ১২ জুলাই, ২০২৬, ০৮:১৪ রাত
আপডেট : ২২ আগস্ট, ২০২৬, ০৪:০০ দুপুর

প্রতিবেদক : এল আর বাদল

পারমাণবিক শক্তির যুগে বাংলাদেশ, উন্নয়নশীল বিশ্বের জন্য নতুন চ্যালেঞ্জ ও সম্ভাবনা

বাংলাদেশের পদ্মা নদীর তীরে দেশের প্রথম পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রের চারটি বিশাল আইভরি বা কুলিং টাওয়ারের সামনে দাঁড়িয়ে সেলফি তুলতে ব্যস্ত স্থানীয় পর্যটকেরা। ২০২৮ সালে পুরোপুরি সম্পন্ন হওয়ার পর রূপপুর কেন্দ্রে রাশিয়ার সহায়তায় নির্মিত দুটি চুল্লি দেশের মোট বিদ্যুতের প্রায় ১৫ শতাংশ সরবরাহ করতে পারবে।

এই প্রকল্প বাংলাদেশের মতো দেশের জন্য একটি দুঃসাহসী বাজি। শিল্পায়নের পথে হাঁটা এই অর্থনীতি বিপুল খরচ না বাড়িয়েও যে পারমাণবিক শক্তির সাহায্যে নিজের চাহিদা মেটাতে পারে, তা প্রমাণের চেষ্টা এই প্রকল্প। বিশ্বের অন্যান্য উন্নয়নশীল দেশগুলোও রূপপুরের দিকে গভীর নজর রাখছে এ কারণেই।

গত কয়েক বছরে পারমাণবিক শক্তির নতুন করে পুনর্জাগরণ ঘটেছে। বিশেষ করে ২০১১ সালে জাপানের ফুকুশিমা বিপর্যয়ের পর নিরাপত্তা ঝুঁকি আর মাত্রাতিরিক্ত খরচের কারণে বিশ্বজুড়ে পারমাণবিক শক্তির ব্যাপারে যে এক ধরনের তিক্ততা তৈরি হয়েছিল, সেই আশঙ্কাগুলো এখন আড়ালে পড়ে গেছে। এর পেছনে রয়েছে কার্বনমুক্ত হওয়ার তাগিদ এবং কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা ও পরিবহন ব্যবস্থার বিদ্যুতায়নের ফলে বিদ্যুতের আকস্মিক ও ব্যাপক চাহিদা বৃদ্ধি।

বাংলাদেশের মতো উন্নয়নশীল দেশগুলোর কাছে পারমাণবিক শক্তির গুরুত্ব ডেটা সেন্টারের চেয়ে অনেক বেশি। তাদের লক্ষ্য হলো জীবাশ্ম জ্বালানির ওপর থেকে নির্ভরশীলতা কমিয়ে আনা এবং ইরান যুদ্ধের মতো বাহ্যিক অভিঘাতের মুখে নিজেদের ভঙ্গুরতা হ্রাস করা। পারস্য উপসাগর থেকে তেল ও গ্যাস রপ্তানি এই সংঘাতের কারণে ব্যাহত হওয়ায় ফিলিং স্টেশনগুলোতে দীর্ঘ লাইন নিয়মিত দৃশ্য হয়ে দাঁড়িয়েছিল, গ্রামীণ জনপদে প্রতিদিন ঘণ্টার পর ঘণ্টা লোডশেডিং সহ্য করতে হয়েছে এবং কারখানার উৎপাদন মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।

Advertisement

ভারতের বেঙ্গালুরুর ন্যাশনাল ইনস্টিটিউট অব অ্যাডভান্সড স্টাডিজের জ্বালানি, পরিবেশ ও জলবায়ু পরিবর্তন কর্মসূচির প্রধান আর. শ্রীকান্ত বলেন, ‘সাম্প্রতিক ভূ-রাজনৈতিক সংঘাতগুলো—ইরান এবং রাশিয়া-ইউক্রেন—দেখিয়ে দিয়েছে যে, সম্পদের ঘাটতি ধনী দেশগুলোর চেয়ে গরিব দেশগুলোকে বেশি আঘাত করে। আর এটাই উদীয়মান অর্থনীতিগুলোতে পারমাণবিক শক্তির প্রয়োজনীয়তাকে আরও জোরাল করে তোলে।’

বিলম্ব ও ক্রমবর্ধমান ব্যয়ের মুখে রূপপুর প্রকল্প

২৪০০ মেগাওয়াটের এই প্রকল্প গড়ে তুলতে এক দশকেরও বেশি সময় লেগে যাচ্ছে। এই দীর্ঘ সময় কোভিড-১৯ মহামারি, ইউক্রেনে রাশিয়ার আক্রমণ এবং ইরান যুদ্ধের মতো একের পর এক বড় ধরনের ওলটপালটের মধ্য দিয়ে কেটেছে। এই ঘটনাগুলো আমদানিকৃত জীবাশ্ম জ্বালানির ওপর নির্ভরতা কমানোর ক্ষেত্রে বাংলাদেশের সাবেক কৌশলকে সমর্থন করলেও, রূপপুরের মূল সময়সীমা—অর্থাৎ ২০২৩ সালের মধ্যে প্রথম ইউনিট চালু করার লক্ষ্à¦