মো. সোহেল, নোয়াখালী প্রতিনিধি : শিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন বলেছেন, দেশের শিক্ষাব্যবস্থায় কোনো ধরনের বৈষম্য রাখা হবে না। বর্তমান প্রজন্মকে দক্ষ ও যুগোপযোগী হিসেবে গড়ে তুলতে সরকার নিরলসভাবে কাজ করছে।
সোমবার দুপুরে নোয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (নোবিপ্রবি) ২০তম বিশ্ববিদ্যালয় দিবস উদযাপন এবং ডিনস ও ভাইস-চ্যান্সেলর অ্যাওয়ার্ড প্রদান অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
শিক্ষামন্ত্রী বলেন, ষষ্ঠ শ্রেণি থেকে কারিগরি শিক্ষাকে গুরুত্ব দেওয়ার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। দেশের যেসব এলাকায় এখনো শিক্ষা প্রতিষ্ঠান নেই, সেখানে নতুন স্কুল প্রতিষ্ঠা করা হচ্ছে। পাশাপাশি কারিগরি শিক্ষার প্রসার এবং মাদ্রাসা শিক্ষাকে আধুনিক ও যুগোপযোগী করতে নানা পদক্ষেপ গ্রহণ করা হয়েছে।
তিনি আরও বলেন, ইতোমধ্যে দেশের নয়টি শিক্ষা বোর্ডে অভিন্ন প্রশ্নে পরীক্ষা গ্রহণের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। ভবিষ্যতে সাধারণ শিক্ষা ও মাদ্রাসা শিক্ষার অভিন্ন বিষয়গুলোতে একই প্রশ্নপত্রে পরীক্ষা নেওয়ার পরিকল্পনা রয়েছে। মাদ্রাসা শিক্ষায়ও কারিগরি শিক্ষা অন্তর্ভুক্ত করা হচ্ছে, যাতে শিক্ষার্থীরা বাস্তবমুখী দক্ষতা অর্জন করতে পারে।
বাজেটে শিক্ষাখাতকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে উল্লেখ করে মন্ত্রী বলেন, প্রধানমন্ত্রী শিক্ষাকে সবচেয়ে বেশি গুরুত্ব দেন এবং দেশের অর্থনৈতিক উন্নয়নের জন্য শিক্ষাকে স্বাবলম্বী খাত হিসেবে গড়ে তুলতে চান।
বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. গোলাম রব্বানীর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন নোয়াখালী-৪ আসনের সংসদ সদস্য মো. শাহজাহান, বাংলাদেশ বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরী কমিশনের চেয়ারম্যান অধ্যাপক ড. মামুন আহমেদ এবং নোবিপ্রবির উপ-উপাচার্য ড. মুহাম্মদ শফিকুল ইসলাম।
অনুষ্ঠানে বিভিন্ন ক্ষেত্রে কৃতিত্বের স্বীকৃতি হিসেবে ৪৯ জন শিক্ষক ও শিক্ষার্থীকে ডিনস অ্যাওয়ার্ড এবং তিনজনকে ভাইস-চ্যান্সেলর অ্যাওয়ার্ড প্রদান করা হয়।
এর আগে, বিশ্ববিদ্যালয় দিবস উপলক্ষে সকালে কেক কাটা, পায়রা উড়ানো এবং বর্ণাঢ্য র্যালির মাধ্যমে অনুষ্ঠানের উদ্বোধন করা হয়।