শিরোনাম
◈ ইমরান খা‌নের দুই ছে‌লের বিস্ফোরক মন্তব‌্য, বাবাকে স্পষ্ট হত্যা করার চেষ্টা চল‌ছে ◈ অবশেষে স্বচ্ছ প্রক্রিয়ায় উন্মুক্ত হচ্ছে মালয়েশিয়ার শ্রমবাজার ◈ ইংল‌্যা‌ন্ডের মা‌ঠে ইমরান খানের দুই  ছেলের সাক্ষাৎকার প্রচার করায় ম্যাচ বয়কটের হুমকি পিসিবির! ◈ আজ থেকে নারী এশিয়া কাপ শুরু, বাংলাদেশের প্রথম ম‌্যাচ সোমবার ইন্দো‌নে‌শিয়ার বিরু‌দ্ধে ◈ ফেলে দেওয়া মাছের আঁশ থেকে বছরে কোটি টাকার রফতানি, বদলাচ্ছে বহু মানুষের জীবন ◈ কিলিং স্কোয়াডের শুটার ‘গলাকাটা মোবারক’, ৪ অস্ত্রসহ গ্রেপ্তার ◈ ২০২৬-২৭ শিক্ষাবর্ষে ৭ বিশ্ববিদ্যালয়ের ভর্তি পরীক্ষার তারিখ ঘোষণা ◈ ভারতের বিদ্যুৎ করিডরের জন্য বাংলাদেশের ভূমি, দিল্লিকে ৪ শর্ত ঢাকার ◈ পাঁচ বছরেই বদলে যাবে অর্থনীতির চিত্র, মালয়েশিয়া-ভিয়েতনামকে ছাড়াবে বাংলাদেশ: আইএমএফ ◈ শিক্ষা থেকে কর্মসংস্থান: বাংলাদেশ-চীনের কারিগরি সহযোগিতায় নতুন অধ্যায়

প্রকাশিত : ২৫ মে, ২০২৬, ০৭:৫৬ বিকাল
আপডেট : ২০ আগস্ট, ২০২৬, ১১:০০ রাত

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

পার্বতীপুরে বাড়ছে সুস্বাদু ও রসালো তালশাঁসের চাহিদা

রুকুনুজ্জামান, পার্বতীপুর প্রতিনিধিঃ তীব্র দাবদাহে পার্বতীপুরে বাড়ছে গ্রীষ্মকালীন জনপ্রিয় ফল তালশাঁসের চাহিদা। দেশজুড়ে চলছে মধুমাস। জ্যৈষ্ঠের শুরুতেই বাজারে উঠতে শুরু করেছে নানা রকম সুস্বাদু ও রসালো মৌসুমি ফল। ইতোমধ্যে পার্বতীপুরের বাজারগুলোতে আম ও লিচুর সমারোহ দেখা গেলেও প্রচণ্ড গরমের কারণে বাড়তি কদর পেয়েছে তালশাঁস।

প্রচণ্ড তাপদাহে শরীর ঠান্ডা রাখা ও তৃষ্ণা মেটাতে পার্বতীপুরের মানুষ এখন ঝুঁকছেন তালশাঁসের দিকে। শহরের রেলওয়ে পার্ক বাজার, পৌর এলাকা ও বিভিন্ন সড়কের মোড়ে ভ্যানগাড়ি ও অস্থায়ী দোকানে বিক্রি হচ্ছে এই মৌসুমি ফল। শ্রমজীবী মানুষ থেকে শুরু করে শিক্ষার্থী, চাকরিজীবী ও পথচারীরা গরম থেকে স্বস্তি পেতে কিনছেন তালশাঁস।

জানা গেছে, নওগাঁ ও জয়পুরহাট জেলার বিভিন্ন উপজেলা থেকে সংগ্রহ করা হচ্ছে এসব তাল। পরে সেগুলো পার্বতীপুরের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ এলাকায় এনে বিক্রি করছেন ব্যবসায়ীরা। চলমান তাপদাহে তালশাঁসের বিক্রি কয়েকগুণ বেড়েছে বলে জানান তারা।

সরেজমিনে দেখা যায়, শহরের রেলওয়ে পার্ক বাজার এলাকায় তালশাঁস বিক্রি করছেন লিমন নামে এক বিক্রেতা। তিনি জানান, প্রতি পিস তালশাঁস ৫ থেকে ৭ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। একটি তালে সাধারণত ৩ থেকে ৪টি শাঁস থাকায় পুরো তাল বিক্রি হচ্ছে ১৫ থেকে ২০ টাকায়।

তিনি আরও বলেন, “গরমের সময় তালশাঁসের চাহিদা অনেক বেড়ে যায়। ছোট-বড় সব বয়সের মানুষই এটি খেতে পছন্দ করেন। প্রতিদিন প্রায় ৩০০ থেকে ৪০০ পিস তালশাঁস বিক্রি করি। এবার গরম বেশি হওয়ায় বিক্রিও বেড়েছে।”

লিমনের মতো আরও অনেক বিক্রেতাকে ঢাকা মোড়, বাস টার্মিনাল, নতুন বাজার, পুরাতন বাজার ও বিভিন্ন বিদ্যালয়ের সামনে তালশাঁস বিক্রি করতে দেখা গেছে। কেউ ভ্যানে, কেউবা রাস্তার পাশে অস্থায়ী দোকান বসিয়ে এই ফল বিক্রি করছেন।

বাবুপাড়া এলাকায় কাজের ফাঁকে তালশাঁস খেতে দেখা যায় রবিউল ইসলামকে। তিনি বলেন, “সারাদিন রোদের মধ্যে কাজ করতে হয়। গরমে শরীর খুব ক্লান্ত হয়ে যায়। তালশাঁস খেলে শরীর ঠান্ডা লাগে এবং কিছুটা স্বস্তি পাওয়া যায়।”

অন্যদিকে বাজারে কেনাকাটা করতে এসে তালশাঁস খাচ্ছিলেন ট্রেনযাত্রী মানিক। তিনি বলেন, “এটি যেমন সুস্বাদু, তেমনি শরীরের জন্যও উপকারী। তাই গরমে সুযোগ পেলেই খাই।”

চিকিৎসকদের মতে, তালশাঁসে প্রচুর পানি ও প্রাকৃতিক খনিজ উপাদান থাকায় এটি শরীরের পানিশূন্যতা দূর করতে সহায়তা করে। পাশাপাশি শরীর ঠান্ডা রাখতেও কার্যকর ভূমিকা রাখে। ফলে তীব্র গরমে মানুষের কাছে তালশাঁস এখন অন্যতম জনপ্রিয় ফল হয়ে উঠেছে।

স্থানীয়দের ধারণা, চলমান দাবদাহ অব্যাহত থাকলে আগামী দিনগুলোতে পার্বতীপুরে তালশাঁসের চাহিদা আরও বাড়বে।

  • সর্বশেষ