শিরোনাম
◈ নেপালের আকস্মিক বন্যা: বাংলাদেশে কতটা ঝুঁকি, জানালেন বিশেষজ্ঞরা ◈ শনিবার সকাল ৮টা থেকে ৭ ঘণ্টা বিদ্যুৎ থাকবে না গাজীপুরের যেসব এলাকায় ◈ হরমুজ প্রণালীতে আটকা পড়েছে ৪০০ জাহাজ-ছয় হাজার নাবিক ◈ মক্কা চুক্তিসহ বাংলাদেশের সব ঘটনার ওপর নিবিড়ভাবে নজর রাখছে ভারত ◈ আওয়ামী লীগকে রাজনীতিতে ফিরতে হলে যে শর্ত মানতে হবে, জানালেন সোহেল তাজ ◈ ইমরান খা‌নের দুই ছে‌লের বিস্ফোরক মন্তব‌্য, বাবাকে স্পষ্ট হত্যা করার চেষ্টা চল‌ছে ◈ অবশেষে স্বচ্ছ প্রক্রিয়ায় উন্মুক্ত হচ্ছে মালয়েশিয়ার শ্রমবাজার ◈ ইংল‌্যা‌ন্ডের মা‌ঠে ইমরান খানের দুই  ছেলের সাক্ষাৎকার প্রচার করায় ম্যাচ বয়কটের হুমকি পিসিবির! ◈ আজ থেকে নারী এশিয়া কাপ শুরু, বাংলাদেশের প্রথম ম‌্যাচ সোমবার ইন্দো‌নে‌শিয়ার বিরু‌দ্ধে ◈ ফেলে দেওয়া মাছের আঁশ থেকে বছরে কোটি টাকার রফতানি, বদলাচ্ছে বহু মানুষের জীবন

প্রকাশিত : ১৫ মে, ২০২৬, ০৭:৫৮ বিকাল
আপডেট : ২০ আগস্ট, ২০২৬, ০৯:০০ রাত

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

টেকনাফ রোহিঙ্গা ক্যাম্পে আধিপত্য বিস্তারে গুলিতে নিহত ১

সরওয়ার আজম মানিক, কক্সবাজার : কক্সবাজারের টেকনাফ উপজেলার নয়াপাড়া রেজিস্টার্ড রোহিঙ্গা ক্যাম্পে আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে সশস্ত্র সন্ত্রাসীদের এলোপাতাড়ি গুলিতে হাসান আহমেদ ওরফে কালা হাসান (৪৫) নামে এক রোহিঙ্গা নিহত হয়েছেন। নিহত ব্যক্তি পূর্বে ডাকাত বাহিনী ‘জকির গ্রুপের’ সক্রিয় সদস্য ছিলেন বলে জানা গেছে। 

শুক্রবার সকালে ১৬ আর্মড পুলিশ ব্যাটালিয়নের (এপিবিএন) অধিনায়ক মোহাম্মদ কাউছার সিকদার এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

এর আগে বৃহস্পতিবার (১৪ মে) রাত ১০টার দিকে নয়াপাড়া রেজিস্টার্ড রোহিঙ্গা ক্যাম্পের এইচ-ব্লকে এ ঘটনা ঘটে।

নিহত হাসান আহমেদ ওরফে কালা হাসান নয়াপাড়া রেজিস্টার্ড রোহিঙ্গা ক্যাম্পের এইচ-ব্লকের ৬৩৪ নম্বর শেডের বাসিন্দা। তিনি সুলতান আহমেদের ছেলে।

স্থানীয়দের বরাতে এপিবিএন অধিনায়ক মোহাম্মদ কাউছার সিকদার জানান,পূর্ব শত্রুতার জেরে রোহিঙ্গা সন্ত্রাসী সাদ্দাম ও তার সহযোগীরা সশস্ত্র অবস্থায় ক্যাম্পে প্রবেশ করে হাসান আহমেদকে লক্ষ্য করে গুলি চালায়। গুলিতে তার বুকের ডান পাশে আঘাত লাগে এবং তিনি গুরুতর আহত হন। ঘটনার পর হামলাকারীরা ক্যাম্পের পশ্চিম পাশের পাহাড়ি এলাকায় পালিয়ে যায়। পরে স্থানীয় রোহিঙ্গারা আহত অবস্থায় হাসানকে উদ্ধার করে প্রথমে ক্যাম্পসংলগ্ন হাসপাতালে নিয়ে যায়। সেখানে প্রাথমিক চিকিৎসা শেষে উন্নত চিকিৎসার জন্য তাকে টেকনাফ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে পাঠানো হয়। তবে হাসপাতালে নেওয়ার পথেই অতিরিক্ত রক্তক্ষরণে তার মৃত্যু হয়।

মোহাম্মদ কাউছার সিকদার বলেন, “ক্যাম্পের আধিপত্য বিস্তার, মসজিদ কমিটি নিয়ন্ত্রণসহ বিভিন্ন বিষয় নিয়ে আলোচনার কথা বলে মুচনী রেজিস্টার্ড ক্যাম্পের কমিটির এক সদস্য রাতে হাসানকে ডেকে নেন। পরে আগে থেকে ওত পেতে থাকা সাদ্দাম হোসেনের নেতৃত্বাধীন ৬ থেকে ৭ জন সশস্ত্র সদস্য তাকে লক্ষ্য করে এলোপাতাড়ি গুলি চালায়।”

তিনি আরও জানান, খবর পেয়ে নয়াপাড়া এপিবিএনের একটি আভিযানিক দল ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। পরে টেকনাফ মডেল থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে সুরতহাল প্রতিবেদন প্রস্তুত করে এবং মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য পাঠায়। নিহত হাসান পূর্বে জকির গ্রুপের সক্রিয় সদস্য ছিলেন। তার বিরুদ্ধে তিনটি অস্ত্র মামলা, দুটি ডাকাতি প্রস্তুতি মামলা এবং দুটি অপহরণ মামলা বিচারাধীন রয়েছে।

  • সর্বশেষ