শিরোনাম
◈ মৌসুমি বায়ুর প্রভাবে দেশজুড়ে বাড়তে পারে বৃষ্টি ◈ ‘ভারত কেন প্রতিবেশীদের সঙ্গে শান্তিতে থাকতে পারে না?’ : ইয়েনি শাফাকের প্রতিবেদন ◈ আন্তর্জাতিক বাজারে তেলের দাম বাড়ছে, দেশে কতটা প্রভাব পড়বে? ◈ ৯ বছরেও প্রত্যাবাসন হয়নি, রোহিঙ্গা সংকটে নতুন কৌশলের আহ্বান ◈ কোচিং সেন্টারে জড়াতে পারবেন না জুডিসিয়াল সার্ভিসের সদস্যরা: সুপ্রিম কোর্টের পরিপত্র জারি ◈ প্রত্যাবাসনই রোহিঙ্গা সংকটের একমাত্র টেকসই সমাধান: প্রতিরক্ষা উপদেষ্টা ◈ সম্পাদকদের সঙ্গে জামায়াত আমিরের বৈঠক, যা নিয়ে আলোচনা হলো ◈ ইরানের সব ‘অর্থনৈতিক লাইফলাইন’ ছিন্ন করতে যুক্তরাষ্ট্রের নতুন নিষেধাজ্ঞা ◈ আন্তর্জাতিক বাজারে তেলের দামে ঊর্ধ্বগতি, দেশে প্রভাব পড়ার শঙ্কা কতটা? ◈ যুক্তরাষ্ট্রের এইচ-১বি ভিসার ফি বাড়িয়ে ১ লাখ ডলার করার প্রস্তাব

প্রকাশিত : ০৫ মে, ২০২৬, ০২:৪৩ দুপুর
আপডেট : ০২ আগস্ট, ২০২৬, ১১:০০ দুপুর

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

করুণ বাস্তবতা: বাংলাদেশের যে গ্রামে বিয়ে করতে চায় না কেউ

টাঙ্গাইলের নাগরপুরের মোকনার চাঁনপাড়া গ্রামের সঙ্গে কেউ বিয়ের সম্পর্ক করতে চায় না বলে অভিযোগ করেছেন স্থানীয়রা।

তারা জানান, গ্রামটির প্রধান সড়কের মাঝখানে একটি খাল রয়েছে। সেখানে সেতু না থাকায় বছরের বেশির ভাগ সময়ই ঝুঁকি নিয়ে পারাপার করতে হয়। বর্ষায় পরিস্থিতি আরও খারাপ হয়। স্কুলগামী শিক্ষার্থীদের কাদা মাড়িয়ে যেতে হয়, অনেক সময় বই-খাতা নষ্ট হয়ে যায়। জরুরি রোগী নিয়ে হাসপাতালে যেতে গিয়ে পড়তে হয় চরম ভোগান্তিতে।

গ্রামের বাসিন্দা আব্দুল কাদের বলেন, একটু বৃষ্টি হলেই রাস্তায় হাঁটা যায় না। অনেক সময় পড়ে গিয়ে মানুষ আহত হয়। অসুস্থ রোগী নিয়ে বের হলে বিপদে পড়তে হয়।

স্থানীয়দের অভিযোগ, নির্বাচনের সময় প্রার্থীরা সড়ক ও সেতু নির্মাণের প্রতিশ্রুতি দিলেও নির্বাচনের পর আর কেউ খোঁজ নেন না। ফলে বছরের পর বছর একই অবস্থায় পড়ে আছে গ্রামটি।

আরেক বাসিন্দা রাবেয়া বেগম বলেন, এই গ্রামের সঙ্গে বিয়ের সম্পর্ক করতে চায় না কেউ। যাতায়াতের কষ্ট দেখে অনেকে পিছিয়ে যায়।

এদিকে যানবাহন চলাচল করতে না পারায় মানুষের চলাচলের একমাত্র ভরসা হাঁটা বা ঘোড়ার গাড়ি। এতে কৃষিপণ্য বাজারজাত করতেও সমস্যায় পড়ছেন স্থানীয় কৃষকেরা।

মোকনা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান শহিদুল ইসলাম এশিয়া পোস্টকে বলেন, জনগণের দাবির প্রেক্ষিতে বিষয়টি সংশ্লিষ্ট দপ্তরে একাধিকবার জানানো হয়েছে। কিন্তু এখনো কোনো কার্যকর উদ্যোগ দেখা যায়নি।

নাগরপুর উপজেলা এলজিইডি কার্যালয়ের প্রকৌশলী ইফতেখার সারোয়ার ধ্রুব জানান, জনদুর্ভোগ কমাতে দ্রুত প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার পরিকল্পনা রয়েছে।

তবে কবে নাগাদ সেতু ও সড়ক নির্মাণ হবে, সে বিষয়ে সুনির্দিষ্ট করে কেউ কিছু বলছে না। এতে অনিশ্চয়তার মধ্যেই দিন কাটছে চাঁনপাড়ার মানুষের। স্থানীয়দের প্রত্যাশা, দীর্ঘদিনের এই দুর্ভোগ থেকে মুক্তি পেতে দ্রুত কার্যকর উদ্যোগ নেবে কর্তৃপক্ষ।

 

 

  • সর্বশেষ