শিরোনাম
◈ হরমুজ প্রণালিতে মাইন শনাক্তে ইরান বিপাকে, সক্ষমতা নিয়ে প্রশ্ন যুক্তরাষ্ট্রের ◈ অভিন্ন ভবিষ্যৎ ও কূটনৈতিক সম্পর্ক জোরদারে এনডিটিভিকে পররাষ্ট্রমন্ত্রী খলিলুর রহমানের বার্তা ◈ কোন শিল্পপতিকে বাঁচাতে হাসিনাকে দিল্লিতে আশ্রয়, অমিত শাহকে প্রশ্ন অভিষেকের! (ভিডিও) ◈ দক্ষিণ লেবাননে ইসরাইলি বিমান হামলায় নিহত ১০ ◈ ১৪ এপ্রিল ১০ উপজেলায় ‘কৃষক কার্ড’ কর্মসূচির উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী ◈ যুক্তরাষ্ট্র–ইরান যুদ্ধবিরতি: কার কী শর্ত, কোথায় অনিশ্চয়তা? ◈ বাগেরহাটে দিঘিতে কুমিরের শিকার কুকুর, প্রত্যক্ষদর্শীরা যা জানালেন ◈ চাকরি প্রার্থীদের জন্য বড় সুখবর আসছে! ◈ এক মাসে ৫৩২ মৃত্যু, থামছে না সড়ক দুর্ঘটনার মিছিল ◈ যেসব শিক্ষার্থীরা একাদশ শ্রেণিতে ভর্তি সহায়তা পাবেন ৬ হাজার টাকা, আবেদন করবেন যেভাবে

প্রকাশিত : ১১ এপ্রিল, ২০২৬, ০৮:৩৭ রাত
আপডেট : ১১ এপ্রিল, ২০২৬, ১০:০০ রাত

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

ফরিদপুরে বিয়ের প্রলোভনে ফাঁদ, ফাঁকা বাসায় তরুণীকে পালাক্রমে ধর্ষণের অভিযোগ

হারুন-অর-রশীদ, ফরিদপুর প্রতিনিধি: ফরিদপুরের ভাঙ্গা উপজেলার নাসিরাবাদ ইউনিয়নের দুয়াইর গ্রামে এক তরুণীকে বিয়ের প্রলোভন দেখিয়ে ঢাকায় নিয়ে গিয়ে পালাক্রমে ধর্ষণের অভিযোগ উঠেছে শালা ও দুলাভাইয়ের বিরুদ্ধে। ঘটনাটি নিয়ে এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে।

ভুক্তভোগী তরুণী শনিবার (১১ এপ্রিল) দুপুরে ভাঙ্গা থানায় এসে লিখিত অভিযোগ দিতে গেলে পুলিশ তাকে ঘটনাস্থল সংশ্লিষ্ট থানায় অভিযোগ দেওয়ার পরামর্শ দেয়। কারণ, ঘটনাটি ঘটেছে ঢাকার কেরানীগঞ্জ উপজেলার হাসনাবাদ এলাকায়।

অভিযুক্তরা হলেন—দুলাভাই আলমগীর হোসেন (৪৫) এবং তার শালা মো. জলিল খাঁ (২২)। তাদের বাড়ি ভুক্তভোগীর বাড়ির পাশের গ্রামেই, যা তাদের মধ্যে পূর্ব পরিচয়ের বিষয়টি নিশ্চিত করে।

ভুক্তভোগীর অভিযোগ অনুযায়ী, দীর্ঘদিন ধরে আলমগীর হোসেন তার সঙ্গে বিয়ের আশ্বাস দিয়ে সম্পর্ক গড়ে তোলার চেষ্টা করছিল। এরই ধারাবাহিকতায় গত বুধবার (৮ এপ্রিল) সকালে আলমগীর জানায়, তার শালা জলিল খাঁ মেয়েটিকে দেখতে চায়। এ কথা বলে কৌশলে তাকে ঢাকায় নিয়ে যাওয়া হয়।

পরে কেরানীগঞ্জের হাসনাবাদ এলাকার একটি ফাঁকা বাসায় নিয়ে গিয়ে প্রথমে আলমগীর হোসেন এবং পরে তার শালা জলিল খাঁ তাকে পালাক্রমে ধর্ষণ করে বলে অভিযোগ করেন ভুক্তভোগী। ঘটনার পর তাকে হুমকি দিয়ে চুপ থাকতে বলা হয় বলেও অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে।

ঘটনাটি জানাজানি হলে স্থানীয় কিছু প্রভাবশালী ব্যক্তি ও মাতুব্বররা বিষয়টি ধামাচাপা দিতে গত দুই দিন ধরে ভুক্তভোগী পরিবারের ওপর মীমাংসার চাপ প্রয়োগ করে। এতে করে পরিবারটি মানসিকভাবে ভেঙে পড়ে এবং ন্যায়বিচার পাওয়া নিয়ে শঙ্কায় পড়ে যায়।

এ বিষয়ে ভাঙ্গা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. মিজানুর রহমান বলেন, “একজন ভুক্তভোগী নারী থানায় অভিযোগ দিতে এসেছিলেন। যেহেতু ঘটনাটি কেরানীগঞ্জ এলাকায় ঘটেছে, তাই আইনগত প্রক্রিয়া অনুযায়ী সংশ্লিষ্ট থানায় অভিযোগ দায়ের করতে হবে।”

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়