শিরোনাম
◈ অর্থনীতিতে গতি ফেরাতে ৬০ হাজার কোটি টাকার প্যাকেজ, ১৭ ব্যাংক দেবে ৪১ হাজার কোটি ◈ আগস্টের ২৬ দিনে রেমিট্যান্স বেড়েছে ২২.৩ শতাংশ ◈ ‘মক্কা চুক্তি’ নিয়ে আলোচনার মধ্যেই সৌদি যুবরাজকে প্রধানমন্ত্রীর চিঠি ◈ আইনশৃঙ্খলা ও উন্নয়ন দেখভালের দায়িত্বে ৩০ মন্ত্রী, প্রতিমন্ত্রী ও হুইপ ◈ এবার সংসদীয় কমিটি থেকেও বাদ পড়লেন গাজী নজরুল ইসলাম ◈ সংসদে বিল উত্থাপন : গুমের সর্বোচ্চ শাস্তি মৃত্যুদণ্ড ◈ বাসসের এমডি ও প্রধান সম্পাদক হলেন কাদের গনি চৌধুরী ◈ গত বছরের তুলনায় কমেছে খুন, ধর্ষণ ও মব সহিংসতা: সংসদে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ◈ সেপ্টেম্বরে স্থানীয় সরকার নির্বাচনের তপশিল, নভেম্বরে ভোট: সিইসি ◈ গঙ্গা চুক্তি নবায়ন ও তিস্তা প্রকল্পে অগ্রগতি: সংসদে পররাষ্ট্রমন্ত্রীর কৌশলগত বার্তা

প্রকাশিত : ১১ এপ্রিল, ২০২৬, ০১:১৬ দুপুর
আপডেট : ২১ আগস্ট, ২০২৬, ১২:০০ দুপুর

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

এক মাসে ৫৩২ মৃত্যু, থামছে না সড়ক দুর্ঘটনার মিছিল

দেশের সড়কগুলোতে মৃত্যুর মিছিল যেন থামছেই না। সদ্য বিদায়ী মার্চ মাসে সারা দেশে মোট ৫৭৬টি সড়ক দুর্ঘটনায় ৫৩২ জন নিহত হয়েছেন। এসব ঘটনায় আহত হয়েছেন আরও ২ হাজার ২২১ জন। 

শনিবার (১১ এপ্রিল) সকালে গণমাধ্যমে পাঠানো এক প্রতিবেদনে এই উদ্বেগজনক তথ্য প্রকাশ করেছে সড়ক দুর্ঘটনা নিয়ে কাজ করা বেসরকারি সংস্থা রোড সেফটি ফাউন্ডেশন। ৯টি জাতীয় দৈনিক ও ১৭টি অনলাইন নিউজ পোর্টালসহ বিভিন্ন ইলেকট্রনিক গণমাধ্যমের তথ্যের ভিত্তিতে এই প্রতিবেদনটি তৈরি করা হয়েছে।

প্রতিবেদনের তথ্য অনুযায়ী, ফেব্রুয়ারি মাসের তুলনায় মার্চ মাসে সড়ক দুর্ঘটনায় প্রাণহানি বেড়েছে ১১ দশমিক ২৮ শতাংশ। ফেব্রুয়ারি মাসে প্রতিদিন গড়ে ১৫ দশমিক ৪২ জনের মৃত্যু হলেও মার্চে তা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ১৭ দশমিক ১৬ জনে।

মার্চ মাসে সড়ক দুর্ঘটনায় নিহতদের মধ্যে ৬৬ জন নারী এবং ৯৮ জন শিশু রয়েছেন। যানবাহনের ধরন অনুযায়ী সবচেয়ে বেশি প্রাণহানি ঘটেছে মোটরসাইকেল দুর্ঘটনায়। মাসজুড়ে মোটরসাইকেল চালক ও আরোহী মিলিয়ে ২০৪ জন প্রাণ হারিয়েছেন।

এছাড়া বাসের যাত্রী ৪৫ জন, তিন চাকার যানবাহনের (ইজিবাইক-সিএনজি-লেগুনা) যাত্রী ৯৪ জন এবং ব্যক্তিগত গাড়ির (প্রাইভেটকার-মাইক্রোবাস) আরোহী ৪৬ জন নিহত হয়েছেন। দুর্ঘটনার তথ্য বিশ্লেষণে দেখা যায়, মোট ১ হাজার ৮টি যানবাহন এসব দুর্ঘটনার কবলে পড়েছে, যার মধ্যে মোটরসাইকেলের সংখ্যাই সবচেয়ে বেশি ২৪৪টি।

সড়কপথের পাশাপাশি রেল ও নৌপথেও উল্লেখযোগ্য সংখ্যক প্রাণহানি ঘটেছে। একই সময়ে ৪৮টি রেলপথ দুর্ঘটনায় ৬৭ জন নিহত এবং ২২৪ জন আহত হয়েছেন। অন্যদিকে ১৪টি নৌ-দুর্ঘটনায় ১২ জন নিহত ও ২৭ জন আহত হওয়ার পাশাপাশি এখনো নিখোঁজ রয়েছেন ৩ জন।

আঞ্চলিক পরিসংখ্যান অনুযায়ী, ঢাকা বিভাগে সবচেয়ে বেশি দুর্ঘটনা ও প্রাণহানি ঘটেছে। এই বিভাগে ১২৬টি দুর্ঘটনায় ১৩৭ জন নিহত হয়েছেন। রাজধানী ঢাকায় ৪৬টি দুর্ঘটনায় প্রাণ হারিয়েছেন ২৮ জন। অন্যদিকে সবচেয়ে কম দুর্ঘটনা ঘটেছে সিলেট বিভাগে; সেখানে ২৭টি দুর্ঘটনায় ২৬ জন নিহত হয়েছেন।

রোড সেফটি ফাউন্ডেশনের পর্যবেক্ষণ বলছে, অধিকাংশ দুর্ঘটনা ঘটেছে আঞ্চলিক সড়কে (২৬৪টি) এবং জাতীয় মহাসড়কে (১৭১টি)। দুর্ঘটনার ধরনের মধ্যে নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে ২৩১টি এবং মুখোমুখি সংঘর্ষে ১৬৬টি দুর্ঘটনা ঘটেছে। মূলত অতিরিক্ত গতি ও বেপরোয়া গাড়ি চালানোই এসব দুর্ঘটনার প্রধান কারণ হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে।

সংস্থাটি তাদের বিশ্লেষণে সড়ক দুর্ঘটনার বেশ কিছু মূল কারণ উল্লেখ করেছে। এর মধ্যে যানবাহনের যান্ত্রিক ত্রুটি ও বেপরোয়া গতি, চালকদের অদক্ষতা এবং শারীরিক-মানসিক অসুস্থতা ও ত্রুটিপূর্ণ সড়ক এবং চালকদের বেপরোয়া মানসিকতা অন্যতম। 

 

 

  • সর্বশেষ