শিরোনাম
◈ ফ্রান্সে জীবনযাত্রার ব্যয় বৃদ্ধির প্রতিবাদে বিক্ষোভ, পুলিশের সঙ্গে সংঘর্ষে গ্রেপ্তার ২৭২ জন ◈ এলন মাস্কের টেসলাকে চ্যালেঞ্জ, রোডস্টারের ওপর দিয়ে উড়ল আলেফের উড়ন্ত গাড়ি! ◈ অনুমতি ছাড়াই অন্যের ওয়ালেট থেকে পরীক্ষামূলক ইথেরিয়াম খরচ করল ওপেনএআইয়ের গবেষণা মডেল ◈ নারী শ্রমিকদের কল্যাণে গুরুত্ব, রিবা আন্তর্জাতিক স্থাপত্য পুরস্কারে বিশ্বের সেরা নতুন ভবন রংপুরের গ্রিন ফিল্ড ফ্যাক্টরি ◈ ইনানী রিসোর্টে আগুন: ফজরের পর সৈকতে গিয়ে বাঁচলেন দুই বান্ধবী, প্রাণ গেল মুক্তার ◈ আ‌লিং হলান্ডের জোড়া গোলে ম‌্যান‌চেস্টার সিটির জয় ◈ তরুণ উদ্যোক্তাদের জন্য ২০ লাখ টাকা পর্যন্ত অর্থায়ন, আবেদন শুরু ১ নভেম্বর ◈ কুমিল্লায় পানি উন্নয়ন বোর্ডের জমির দ্বন্দ্বে যুবদল নেতা খুন : পুলিশ সুপার ◈ দেশ গঠনে যুবসমাজকেই অগ্রণী ভূমিকা পালন করতে হবে: প্রধানমন্ত্রী ◈ কলকাতায় দুর্গাপূজার মণ্ডপে পদদলিত হয়ে নিহত ১৭, ১৩ নারী ও ১ শিশু

প্রকাশিত : ২৮ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬, ০৭:৩৫ বিকাল
আপডেট : ১৯ আগস্ট, ২০২৬, ০২:০০ দুপুর

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

বাগেরহাটে বোরো চাষে আশার সবুজ বিস্তার, বাজারদর ভালো থাকায় ৩০ হাজার একরে বাম্পার আবাদ

এস.এম.সাইফুল ইসলাম কবির: বাগেরহাটের চিতলমারী উপজেলায় চলতি মৌসুমে প্রায় ৩০ হাজার একর জমিতে বোরো ধানের চাষাবাদ হয়েছে। রোপণের ব্যস্ততা শেষ করে এখন চাষিরা মাঠে নেমেছেন চারা পরিচর্যায়। ধান ও চালের বাজারদর সন্তোষজনক থাকায় এ বছর বোরো আবাদে কৃষকদের আগ্রহ চোখে পড়ার মতো বেড়েছে।

উপজেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর সূত্রে জানা গেছে, উপজেলার ৭টি ইউনিয়নের ২১টি ব্লকে চলতি মৌসুমে ৩০ হাজার একর জমিতে বোরো আবাদ করার লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছিল। তবে বাস্তবে লক্ষ্যমাত্রার চেয়েও কিছু বেশি জমিতে আবাদ হয়েছে। এসব জমিতে উফশি, স্থানীয় ও উচ্চ ফলনশীল বিভিন্ন জাতের ধান চাষ করা হয়েছে।

লোকসান পেরিয়ে লাভের প্রত্যাশা

উপজেলার কুরমনি গ্রামের পংকজ বিশ্বাস ও দেবাশিষ বিশ্বাস, শ্রীরামপুরের শেখর ভক্ত, বড়বাড়িয়ার সাফায়াত হোসেন, সুরশাইলের মুন্না শেখ, পাটরপাড়ার রিংকু বিশ্বাসসহ অনেক কৃষক জানান, গত কয়েক বছর ধান চাষে লোকসান গুনতে হয়েছে। উৎপাদন খরচ বেড়ে যাওয়া ও বাজারদর কম থাকায় তারা হতাশ ছিলেন।

Advertisement

তবে চলতি মৌসুমে ধান ও চালের দাম ভালো থাকায় নতুন করে আশাবাদী হয়ে উঠেছেন তারা। অনেকেই অতিরিক্ত জমিতে চাষ করেছেন। কৃষকদের ভাষ্য, “বাজার যদি এমনই থাকে, তাহলে ধান চাষ আবার লাভজনক পেশা হিসেবে ফিরে আসবে।”

মাঠে মাঠে কৃষি বিভাগের তদারকি

চিতলমারী উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা মো. সিফাত-আল-মারুফ বলেন, “শীতকে উপেক্ষা করে এ উপজেলার চাষিরা বোরো ধানের আবাদ করেছেন। লক্ষ্যমাত্রা পূরণে আমরা মাঠে গিয়ে কৃষকদের পরামর্শ ও তদারকি করছি।”

তিনি আরও জানান, আবহাওয়া অনুকূলে থাকলে এ বছর বোরো মৌসুমে লক্ষ্যমাত্রার চেয়েও বেশি উৎপাদন অর্জিত হতে পারে বলে তারা আশাবাদী।

এখন পরিচর্যার সময়

রোপণ শেষে এখন চলছে সেচ, আগাছা দমন, সার প্রয়োগ ও রোগবালাই নিয়ন্ত্রণের কাজ। কৃষি বিভাগের কর্মকর্তারা নিয়মিত মাঠ পরিদর্শন করে চাষিদের প্রয়োজনীয় পরামর্শ দিচ্ছেন।

সবকিছু অনুকূলে থাকলে চিতলমারীর বিস্তীর্ণ মাঠে দোল খাবে সোনালি ধান। কয়েক বছর পর আবারও লাভের মুখ দেখার আশায় বুক বাঁধছেন এই জনপদের কৃষকরা।

  • সর্বশেষ