প্রমথ রঞ্জন সরকার, কোটালীপাড়া (গোপালগঞ্জ) প্রতিনিধিঃ স্বেচ্ছাসেবক দলের কেন্দ্রীয় সভাপতি ও গোপালগঞ্জ-৩ আসনের সংসদ সদস্য এস এম জিলানীর ভূয়সী প্রশংসা করলেন আওয়ামী লীগ নেতা দিলীপ বাড়ৈ।
আজ শনিবার এস এম জিলানী তার নিজ নির্বাচনী এলাকা কোটালীপাড়া উপজেলার কলাবাড়ি, কুশলা,হিরন, পিঞ্জুরী ইউনিয়নের বিভিন্ন দূর্গা মন্দির পরিদর্শন করেন।
এরই অংশ হিসেবে তিনি সন্ধ্যায় কুশলা ইউনিয়নের মান্দ্রা গ্রামে ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সভাপতি দিলীপ বাড়ৈর বাড়ির দুর্গা মন্দির পরিদর্শনে জান।
এ সময় আওয়ামী লীগ নেতা দিলীপ বাড়ৈ সংসদ সদস্য এস এম জিলানীকে স্বাগত জানিয়ে তার ভূয়সী প্রশংসা করেন।
আওয়ামী লীগ নেতা দিলীপ বাড়ৈ সংসদ সদস্য এস এম জিলানীকে উদ্দেশ্য করে বলেন, দীর্ঘদিন আওয়ামী লীগ করেছি। কিন্তু কোন পূজায় দলের কোন বড় নেতা, এমপি বা মন্ত্রী এখন পর্যন্ত আমাদের এখানে আসেনি। আপনিই একজন এমপি হিসেবে প্রথম আমাদের এখানে আসলেন। আমরা আপনার প্রতি কৃতজ্ঞ ও আনন্দিত।
এলাকাবাসীর পক্ষ থেকে এস এম জিলানীকে ধন্যবাদ ও অভিনন্দন জানিয়ে দিলীপ বাড়ৈ মন্দিরের উন্নয়নসহ এলাকার কিছু উন্নয়ন করার দাবী জানায়।
তার এই দাবি পুরান করা হবে বলে এস এম সংসদ সদস্য জিলানী প্রতিশ্রুতি দেন।
এরপর মন্দির কমিটির পক্ষ থেকে নাড়ু, মিঠাই, লুচি ও বিভিন্ন প্রকার ফল দিয়ে সংসদ সদস্য এস এম জিলানীকে আপ্যায়িত করা হয়। এস এম জিলানীও তাদের আপ্যায়ন গ্রহণ করেন।
এর আগে এস এম জিলানী উপস্থিত জনগণের উদ্দেশ্যে বলেন, নির্বাচনের আগে আমি আপনাদের কথা দিয়েছিলাম যে,আমাকে ভোট দিলে আমি আপনাদের ছেড়ে যাব না। আপনারা আপাদের কথা রেখেছেন, আমাকে ভোট দিয়ে ঋণী করেছেন। এখন আমার ঋণ পরিশোধের পালা।আমি কথা দিচ্ছি, আমি আপনাদেরকে ছেড়ে যাবো না। আমার জীবনের সবটুকু দিয়ে আপনাদের পাশে থাকবো। যে কোনো মূল্যে অত্র অঞ্চলের সম্প্রীতি বজায় রাখবো। আপনারা নির্ভয়ে দুর্গা উৎসব পালন করুন। আমি আপনাদের পাশে আছি। আগামীতেও পাশে থেকে এই কোটালীপাড়া -টুঙ্গিপাড়াকে শান্তি ও সম্প্রীতির একটি আবাসভূমিতে পরিণত করবো
এ সময় উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক আবুল বাশার হাওলাদার,পৌর বিএনপি'র সাধারণ সম্পাদক ওয়ালিউর রহমান হাওলাদার,উপজেলা বিএনপি'র সাংগঠনিক সম্পাদক ছলেমান শেখ,বিএনপি নেতা রফিকুল ইসলাম হাওলাদার, মানিকুজ্জামান হাওলাদার, যুবদলের আহবায়ক রঞ্জন মল্লিক, সদস্য সচিব মান্নান শেখ, স্বেচ্ছাসেবক দলের আহবায়ক মাহবুব খান, সদস্য সচিব মাসুদ তালুকদারসহ বিপুল সংখ্যক দলীয় নেতাকর্মী তার সাথে ছিলেন।