স্পোর্টস ডেস্ক : আর্লিং হলান্ডের জোড়া গোলে ইপ্সউইচ টাউনকে ৩-২ ব্যবধানে হারিয়েছে ম্যানচেস্টার সিটি। শনিবার ইতিহাদ স্টেডিয়ামে ফিল ফোডেনের গোল দিয়ে শুরু, এরপর হলান্ডের জোড়া আঘাত। শেষ দিকে পেনাল্টি থেকে এক গোল শোধ করে ম্যাচে উত্তেজনা ফেরালেও হার এড়াতে পারেনি সফরকারীরা। প্রিমিয়ার লিগে টানা সপ্তম জয়ে শীর্ষস্থান আরও মজবুত করেছে পেপ গার্দিওলার দল।
আক্রমণাত্মক শুরু করা সিটি ১৯তম মিনিটে এগিয়ে যায়। বাঁ দিক থেকে জেরেমি ডোকুর পাস পেয়ে ডি-বক্সের ভেতর দারুণ ফ্লিকে জাল খুঁজে নেন ফোডেন। চলতি মৌসুমে এটিই তাঁর প্রথম গোল। প্রিমিয়ার লিগে গোলের জন্য অপেক্ষা ছিল প্রায় ১০ মাসের।
তবে দুই মিনিটের মধ্যেই সমতা ফেরায় ইপ্সউইচ। মার্ক গেয়িকে পরাস্ত করে বল নিয়ে এগিয়ে যান দাইজেন মায়েদা। এরপর ওয়ান-অন-ওয়ান পরিস্থিতিতে জোরালো শটে গোল করেন জাপানি ফরোয়ার্ড।
৩৪তম মিনিটে সিটিকে আবার এগিয়ে দেন হলান্ড। ডান দিক থেকে মাতেও কোভিসিচের ক্রসে প্রায় ১০ গজ দূর থেকে হেডে গোল করেন নরওয়েজীয় স্ট্রাইকার। প্রিমিয়ার লিগে টানা ষষ্ঠ এবং সিটির হয়ে সব প্রতিযোগিতা মিলিয়ে টানা অষ্টম ম্যাচে গোল পেলেন তিনি।
বিরতির পরও আক্রমণের ধার ধরে রাখে স্বাগতিকেরা। ৬৯তম মিনিটে নিজের দ্বিতীয় গোলে ব্যবধান ৩-১ করেন হলান্ড। ইলিমান এনদিয়াইয়ের থ্রু পাস প্রথমে নিয়ন্ত্রণে নিতে না পারলেও প্রতিপক্ষের ভুলের সুযোগে বল দখলে নিয়ে জালে পাঠান তিনি। লিগে তাঁর গোলসংখ্যা এখন আট, সব প্রতিযোগিতা মিলিয়ে ১২।
শেষ দিকে ব্যবধান বাড়ানোর আরও কয়েকটি সুযোগ পেয়েছিল সিটি। হলান্ডের পাস থেকে এন্সো ফের্নান্দেসের শট ঠেকিয়ে দেন গোলরক্ষক। এরপর হলান্ডের হেডপাস থেকে এনদিয়াইয়ের প্রচেষ্টা ক্রসবারে লাগে। ফের্নান্দেসের পাসে হলান্ড আবারও জাল খুঁজে পেলেও অফসাইডের কারণে গোলটি বাতিল হয়।
এরপরই ম্যাচে উত্তেজনা ফেরায় ইপ্সউইচ। ডি-বক্সে আব্দুল ফাতাউকে ফাউল করেন মার্ক গেয়ি। পেনাল্টি থেকে গোল করে ব্যবধান ৩-২ করেন জিয়ান ফ্লেমিং। যোগ করা ১২ মিনিটে সমতায় ফেরার সুযোগ থাকলেও তা কাজে লাগাতে পারেনি সফরকারীরা।
সাত ম্যাচে সাত জয়ে ২১ পয়েন্ট নিয়ে শীর্ষে আছে ম্যানচেস্টার সিটি। এক ম্যাচ কম খেলে ১৫ পয়েন্ট নিয়ে দ্বিতীয় স্থানে আর্সেনাল। অন্যদিকে সাত ম্যাচে ৯ পয়েন্ট নিয়ে দশম স্থানে ইপ্সউইচ।