শিরোনাম
◈ ইরানে হামলায় গ্যাস সংকটে পড়বে বাংলাদেশ! ◈ রাস্তায় কোনো ডিসিপ্লিন নেই, বাহিরের মানুষ পারলে আমরা কেন পারবো না: প্রধানমন্ত্রী(ভিডিও) ◈ আমাদের রাজনীতি হবে মানুষের ভাগ্য পরিবর্তনের জন্য: প্রধানমন্ত্রী ◈ ইরানের প্রাথমিক বিদ্যালয়ে ইসরায়েলের হামলা, নিহত বেড়ে ৪০ ◈ ঈদে বাসের অগ্রিম টিকিট বিক্রির তারিখ ঘোষণা ◈ বাংলাদেশ থেকে মধ্যপ্রাচ্যের সব ফ্লাইট স্থগিত ◈ ফায়ার সার্ভিসের ৮ পরামর্শ ভূমিকম্পের সময় সুরক্ষিত থাকতে  ◈ ঈদযাত্রা হবে স্বস্তির ও নিরাপদ, সব প্রস্তুতি সম্পন্ন: শেখ রবিউল আলম ◈ কাতারে বসবাসরত বাংলাদেশি নাগরিকদের বিশেষ সতর্কবার্তা ◈ সরকারের জরুরি চিঠি সব মন্ত্রণালয়ে

প্রকাশিত : ২৮ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬, ০৭:৩৫ বিকাল
আপডেট : ২৮ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬, ০৮:০০ রাত

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

বাগেরহাটে বোরো চাষে আশার সবুজ বিস্তার, বাজারদর ভালো থাকায় ৩০ হাজার একরে বাম্পার আবাদ

এস.এম.সাইফুল ইসলাম কবির: বাগেরহাটের চিতলমারী উপজেলায় চলতি মৌসুমে প্রায় ৩০ হাজার একর জমিতে বোরো ধানের চাষাবাদ হয়েছে। রোপণের ব্যস্ততা শেষ করে এখন চাষিরা মাঠে নেমেছেন চারা পরিচর্যায়। ধান ও চালের বাজারদর সন্তোষজনক থাকায় এ বছর বোরো আবাদে কৃষকদের আগ্রহ চোখে পড়ার মতো বেড়েছে।

উপজেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর সূত্রে জানা গেছে, উপজেলার ৭টি ইউনিয়নের ২১টি ব্লকে চলতি মৌসুমে ৩০ হাজার একর জমিতে বোরো আবাদ করার লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছিল। তবে বাস্তবে লক্ষ্যমাত্রার চেয়েও কিছু বেশি জমিতে আবাদ হয়েছে। এসব জমিতে উফশি, স্থানীয় ও উচ্চ ফলনশীল বিভিন্ন জাতের ধান চাষ করা হয়েছে।

লোকসান পেরিয়ে লাভের প্রত্যাশা

উপজেলার কুরমনি গ্রামের পংকজ বিশ্বাস ও দেবাশিষ বিশ্বাস, শ্রীরামপুরের শেখর ভক্ত, বড়বাড়িয়ার সাফায়াত হোসেন, সুরশাইলের মুন্না শেখ, পাটরপাড়ার রিংকু বিশ্বাসসহ অনেক কৃষক জানান, গত কয়েক বছর ধান চাষে লোকসান গুনতে হয়েছে। উৎপাদন খরচ বেড়ে যাওয়া ও বাজারদর কম থাকায় তারা হতাশ ছিলেন।

তবে চলতি মৌসুমে ধান ও চালের দাম ভালো থাকায় নতুন করে আশাবাদী হয়ে উঠেছেন তারা। অনেকেই অতিরিক্ত জমিতে চাষ করেছেন। কৃষকদের ভাষ্য, “বাজার যদি এমনই থাকে, তাহলে ধান চাষ আবার লাভজনক পেশা হিসেবে ফিরে আসবে।”

মাঠে মাঠে কৃষি বিভাগের তদারকি

চিতলমারী উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা মো. সিফাত-আল-মারুফ বলেন, “শীতকে উপেক্ষা করে এ উপজেলার চাষিরা বোরো ধানের আবাদ করেছেন। লক্ষ্যমাত্রা পূরণে আমরা মাঠে গিয়ে কৃষকদের পরামর্শ ও তদারকি করছি।”

তিনি আরও জানান, আবহাওয়া অনুকূলে থাকলে এ বছর বোরো মৌসুমে লক্ষ্যমাত্রার চেয়েও বেশি উৎপাদন অর্জিত হতে পারে বলে তারা আশাবাদী।

এখন পরিচর্যার সময়

রোপণ শেষে এখন চলছে সেচ, আগাছা দমন, সার প্রয়োগ ও রোগবালাই নিয়ন্ত্রণের কাজ। কৃষি বিভাগের কর্মকর্তারা নিয়মিত মাঠ পরিদর্শন করে চাষিদের প্রয়োজনীয় পরামর্শ দিচ্ছেন।

সবকিছু অনুকূলে থাকলে চিতলমারীর বিস্তীর্ণ মাঠে দোল খাবে সোনালি ধান। কয়েক বছর পর আবারও লাভের মুখ দেখার আশায় বুক বাঁধছেন এই জনপদের কৃষকরা।

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়