শিরোনাম
◈ ফ্যাসিবাদমুক্ত বাংলাদেশে পিলখানা হত্যাকাণ্ডের নেপথ্য কারণ এখন বোধগম্য: প্রধানমন্ত্রী ◈ চীনের সঙ্গে সুপারসনিক ক্ষেপণাস্ত্র চুক্তির পথে ইরান ◈ রুগ্ন ও বন্ধ শিল্প কারখানা পুনরায় চালুর উদ্যোগ নিতে প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশ ◈ ‘ফ্যামিলি কার্ড’ পেতে বেআইনি লেনদেন নিয়ে কঠোর বার্তা ◈ মুক্তিপণ দাবির পর প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশে নিরাপদে ফিরল স্কুল শিক্ষার্থী আফফান ◈ ৫০ বছর ধরে মসজিদে নববীতে কোরআন পড়ানো শিক্ষকের ইন্তেকাল ◈ ব্যাংকিং খাতে ঋণ জালিয়াতিতে কমেছে বিনিয়োগ পরিবেশ ও আর্থিক স্থিতিশীলতা ◈ ঈদের আগে বেতন দিতে কেন্দ্রীয় ব্যাংকের কাছে ঋণ চায় বিজিএমইএ  ◈ সিডনিতে নারী ফুটবলার‌দের প্রশিক্ষ‌ণে ত্রু‌টি খুঁজে পাচ্ছেন না ‌কোচ পিটার বাটলার  ◈ মন্ত্রিপরিষদ শপথ অনুষ্ঠানে কী হয়েছিল? জানালেন গয়েশ্বর চন্দ্র রায় (ভিডিও)

প্রকাশিত : ২৪ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬, ১০:৫৭ রাত
আপডেট : ২৪ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬, ১১:৩২ রাত

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

ইরানি ক্ষেপণাস্ত্রের ঘায়ে লন্ডভন্ড তেল আবিবের বিলাসবহুল 'দা ভিঞ্চি টাওয়ার্সে'র করুণ দশা

প্রায় দশ মাস আগে ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র হামলায় মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছিল তেল আবিবের অন্যতম বিলাসবহুল আবাসন প্রকল্প 'দা ভিঞ্চি টাওয়ার্স'। বর্তমানে এর উত্তর টাওয়ারটি ব্যবহারের অনুপযোগী হয়ে পড়লেও দক্ষিণ টাওয়ারটির সংস্কার কাজ প্রায় শেষ। তবে সংস্কার হলেও এই অভিজাত আবাসনটির কদর এবং ভাড়া আগের অবস্থানে ফিরছে না বলে জানা গেছে।

২০২৫ সালের জুনের সেই ক্ষেপণাস্ত্র হামলায় উত্তর টাওয়ারটি সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয়। দক্ষিণ টাওয়ারটি তুলনামূলক কম ক্ষতিগ্রস্ত হলেও বর্তমানে এর প্রধান লবি বন্ধ রয়েছে। বাসিন্দাদের গ্যারেজের মধ্য দিয়ে ভেতরে প্রবেশ করতে হচ্ছে। আবাসন বিশেষজ্ঞ এবং রিয়েল এস্টেট কোম্পানিগুলোর মতে, এই প্রকল্পটি বর্তমানে একটি "নেতিবাচক তকমা" বা অপবাদের শিকার হয়েছে।

প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, দক্ষিণ টাওয়ারের ফ্ল্যাট মালিকরা তাদের ঘরগুলো আগের মতো চড়া দামে ভাড়া দিতে পারছেন না। আবাসন ওয়েবসাইট 'মাদলান'-এর তথ্য অনুযায়ী, বর্তমান বাজার দর সরকারি ক্ষতিপূরণের হারের চেয়েও অনেক কম।

একটি ১২৯ বর্গমিটারের ফ্ল্যাট বর্তমানে ১৫,০০০ শেকেল (প্রায় ৪,৮২০ ডলার) ভাড়ায় তালিকাভুক্ত হয়েছে, যেখানে সরকারি প্রপার্টি ট্যাক্স অথরিটি সমমানের ফ্ল্যাটের জন্য ১৮,০০০ শেকেল ক্ষতিপূরণ নির্ধারণ করেছে।আশেপাশের সারোনা এলাকার অন্যান্য নতুন প্রকল্পের তুলনায় দা ভিঞ্চি টাওয়ার্সের ভাড়া উল্লেখযোগ্যভাবে কম।

রিয়েল এস্টেট মূল্যায়নকারীদের সাবেক চেয়ারম্যান ইরেজ কোহেন জানান, এই প্রকল্পটি বর্তমানে একটি "কলঙ্কিত" অবস্থানে রয়েছে। তার মতে, উত্তর টাওয়ারের সংস্কার কাজ শেষ হতে আরও দীর্ঘ সময় লাগতে পারে। ভৌগোলিক ও রাজনৈতিক উত্তেজনার কারণে তেল আবিবের এই এলাকাটি এখন হামলার সহজ লক্ষ্যবস্তু হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে, যা উচ্চবিত্ত ভাড়াটেদের নিরুৎসাহিত করছে।

২০১৫ সালে ইসরায়েল কানাডা এবং অ্যাক্রো রিয়েল এস্টেট কোম্পানি প্রায় ২৬৭ মিলিয়ন ডলারে এই জমিটি কিনেছিল। এখানে ৪৪ তলা বিশিষ্ট দুটি আবাসিক টাওয়ার রয়েছে যাতে ৪১২টি অ্যাপার্টমেন্ট আছে। এর মধ্যে কিছু অ্যাপার্টমেন্ট দীর্ঘমেয়াদী ভাড়ার জন্য সংরক্ষিত ছিল।

বর্তমান পরিস্থিতিতে ফ্ল্যাট মালিকরা কেবল ভাড়ার লোকসানই গুনছেন না, বরং উচ্চ রক্ষণাবেক্ষণ খরচ (প্রতি বর্গমিটারে প্রায় ১৮ শেকেল) বহন করতে গিয়েও হিমশিম খাচ্ছেন। সব মিলিয়ে, এক সময়ের স্বপ্নের আবাসন প্রকল্পটি এখন ইসরায়েলের রিয়েল এস্টেট খাতের জন্য একটি বড় দুশ্চিন্তার কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে।

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়