শিরোনাম
◈ নারী টি-টোয়েন্টিতে বাংলা‌দেশ দলের নতুন অধিনায়ক নাহিদা আক্তার ◈ পাকিস্তান ও আফগানিস্তানের সীমান্তে পরিস্থিতি হঠাৎ করেই খুব উত্তপ্ত, দফায় দফায় সংঘর্ষ ◈ ঢাকা থেকে ১১৮ ফ্লাইট বাতিল, আটকা ১৮৩৬২ যাত্রী ◈ দেশকে স্বাধীন করার জন্য, গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠার জন্য আমরা যেমন ধর্ম দেখিনি, জাত দেখিনি: তারেক রহমান ◈ একটি উদ্যোগ, একটু চেষ্টা, এনে দেবে সচ্ছলতা, দেশে আসবে স্বনির্ভরতা: প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ◈ ফিফা সভাপতি জিয়ান্নি ইনফান্তিনো বাংলাদেশের ফুটবল নিয়ে আশাবাদী, জানালেন পরিকল্পনা ◈ প্রশাসনে সচিব পদমর্যাদার ১০ কর্মকর্তাকে দপ্তর বদল ও পদায়ন করেছে সরকার, কে কোথায় গেলেন ◈ যুক্তরাষ্ট্র প্রস্তাব মেনে নিলে সাত দিনের মধ্যেই হরমুজ প্রণালি পুনরায় খুলে দেওয়া সম্ভব ◈ যাত্রীশূন্য শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর, এমন রূপ কেউ কখনও দেখেননি আগে (ভিডিও) ◈ এবার টাইগার শ্রফকে লক্ষ্য করে গুলি, হামলার দায় স্বীকার লরেন্স বিষ্ণোই গ্যাংয়ের (ভিডিও)

প্রকাশিত : ১৫ জানুয়ারী, ২০২৬, ০৭:৩৬ বিকাল
আপডেট : ২২ আগস্ট, ২০২৬, ১২:০০ দুপুর

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

সাগর খালি, ঘাট নীরব: কক্সবাজারে সামুদ্রিক মাছের সংকট

কক্সবাজারের মৎস্য অবতরণ কেন্দ্রে গত দুই-তিন দিন ধরে গভীর সমুদ্রে মাছ ধরতে যাওয়া ট্রলার ফিরে আসার সংখ্যা হঠাৎ করে কমে গেছে। ফলে সামুদ্রিক মাছ না আসায় স্থানীয় বাজারে দিয়েছে অস্থিরতা। নদী ও প্রজেক্টের মাছ মিললেও অস্বাভাবিক দামের কারণে ক্রেতারা ভোগান্তিতে পড়েছেন।

বৃহস্পতিবার (১৫ জানুয়ারি) সকালে শহরের নুনিয়ারছড়াস্থ ফিশারীঘাটে গিয়ে দেখা যায়- বঙ্গোপসাগর থেকে একটি ট্রলারও ঘাটে আসেনি। ফলে ঘাটনির্ভর শ্রমিক-মজুররা অলস সময় পার করছেন এবং পাইকারি ক্রেতারা মাছ না পেয়ে ফিরে যাচ্ছেন।

মৎস্য পেশায় সংশ্লিষ্টরা বলছেন, পৌষে শীতের কারণে সাগরে মাছ ধরা কঠিন হয়ে পড়ে। ফলে অপেক্ষার পর জেলেরা কাঙ্ক্ষিত মাছ আহরণ করতে পারলে তারপরই ঘাটে ফিরে আসেন জেলেরা।

মোহাম্মদ ফারুক নামে এক ছোট নৌকার মাঝি বলেন,  শীত একটু বেশি, জালে মাছ কম মিলছে। দুই-তিন দিন ধরে কোনো ট্রলার আসেনি, তাই আয়ও হয়নি। আমাদের ছোট নৌকাগুলো নিয়ে আমরা ট্রলারের মাছ পরিবহন করি এতেই আমাদের সংসার চলে।

Advertisement

সাগরকইন্যা নামে স্থানীয় একটি মৎস্য বিপণন প্রতিষ্ঠানের কর্মকর্তা আশরাফুল হাসান রিশাদ বলেন, সাগর থেকে ট্রলার না আসায় বাজারে সামুদ্রিক মাছের সংকট দেখা দিয়েছে। প্রচুর চাহিদা স্বত্ত্বেও তাজা সামুদ্রিক মাছ মিলছে না। এই সংকট চলতি সপ্তাহেই বেড়েছে। তবে আশা করি কয়েক দিনের মধ্যে আবারও সরবরাহ স্বাভাবিক হবে।

কক্সবাজার ফিশিংবোট মালিক সমিতির তথ্য বলছে, জেলায় মাছ ধরার ট্রলার রয়েছে পাঁচ হাজারের বেশি। 

সমিতির সাধারণ সম্পাদক মোহাম্মদ দেলোয়ার হোসেন বলেন, গভীর সাগরেও শীতের প্রভাব পড়েছে। এখন প্রায় ১ হাজারের বেশি ট্রলার অবস্থান করছে, আশানুরূপ মাছ না উঠাতে তারা ফিরছে না। ট্রলার আসা শুরু করলে সংকট দূর হবে।

সামুদ্রিক মাছ কম থাকায় বাজারেও প্রভাব পড়েছে। ইলিশ, তেলাপিয়া, রুই ইত্যাদি মাছ মিললেও দাম বেশি।

শহরের বাহারছড়া বাজারের ক্রেতা রবিউল ইসলাম বলেন, বাজারে সামুদ্রিক মাছ নেই বললেই চলে। যা মিলছে নদী-প্রজেক্ট বা অন্য জায়গা থেকে আসা মাছ। দাম অনেক বেশি, ইলিশ তো নাগালের বাইরে একদম। কেজি প্রতি দেড়-দুই হাজারে বিক্রি হচ্ছে। আমরা সামুদ্রিক মাছে নির্ভরশীল। এখন কষ্ট হলেও কিছু করার নেই খেতে তো হবে। সূত্র: ঢাকা পোস্ট

  • সর্বশেষ