শিরোনাম
◈ মন্ত্রিসভা থেকে মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক প্রতিমন্ত্রী ইশরাক হোসেনের পদত্যাগের নির্দেশ নিয়ে ধোঁয়া ◈ নারী টি-টোয়েন্টিতে বাংলা‌দেশ দলের নতুন অধিনায়ক নাহিদা আক্তার ◈ পাকিস্তান ও আফগানিস্তানের সীমান্তে পরিস্থিতি হঠাৎ করেই খুব উত্তপ্ত, দফায় দফায় সংঘর্ষ ◈ ঢাকা থেকে ১১৮ ফ্লাইট বাতিল, আটকা ১৮৩৬২ যাত্রী ◈ দেশকে স্বাধীন করার জন্য, গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠার জন্য আমরা যেমন ধর্ম দেখিনি, জাত দেখিনি: তারেক রহমান ◈ একটি উদ্যোগ, একটু চেষ্টা, এনে দেবে সচ্ছলতা, দেশে আসবে স্বনির্ভরতা: প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ◈ ফিফা সভাপতি জিয়ান্নি ইনফান্তিনো বাংলাদেশের ফুটবল নিয়ে আশাবাদী, জানালেন পরিকল্পনা ◈ প্রশাসনে সচিব পদমর্যাদার ১০ কর্মকর্তাকে দপ্তর বদল ও পদায়ন করেছে সরকার, কে কোথায় গেলেন ◈ যুক্তরাষ্ট্র প্রস্তাব মেনে নিলে সাত দিনের মধ্যেই হরমুজ প্রণালি পুনরায় খুলে দেওয়া সম্ভব ◈ যাত্রীশূন্য শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর, এমন রূপ কেউ কখনও দেখেননি আগে (ভিডিও)

প্রকাশিত : ১৩ জানুয়ারী, ২০২৬, ০৬:৫৬ বিকাল
আপডেট : ২২ আগস্ট, ২০২৬, ১১:০০ দুপুর

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

যানজট ঠেকাতে ফরিদপুরে রঙ বদলাচ্ছে ইজিবাইক-অটোরিকশা, ফেব্রুয়ারিতে অভিযান

হারুন-অর-রশীদ, ফরিদপুর প্রতিনিধি: ফরিদপুর শহরের দীর্ঘদিনের যানজট সমস্যা নিরসনে কার্যকর ও দৃশ্যমান উদ্যোগ নিয়েছে ফরিদপুর পৌরসভা। আগামী ৩১ জানুয়ারি ২০২৬-এর মধ্যে পৌর এলাকায় চলাচলকারী সকল নিবন্ধিত ইজিবাইক ও অটোরিকশাকে হলুদ রঙে রূপান্তর করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। নির্ধারিত সময়ের মধ্যে রঙ পরিবর্তনে ব্যর্থ হলে ১ ফেব্রুয়ারি থেকে ওই যানবাহনগুলোকে পৌর এলাকায় চলাচলের অনুমতি দেওয়া হবে না।

ফরিদপুর পৌরসভার প্রশাসক মো. সোহরাব হোসেন বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, “শহরের ভেতরে চলাচলকারী নিবন্ধিত ইজিবাইক ও অটোরিকশা সহজে সনাক্ত করার জন্য এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। এতে করে শহরের বাইরে থেকে আসা অনিবন্ধিত যানবাহনের বিরুদ্ধে দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়া সম্ভব হবে।”

পৌরসভা সূত্র জানায়, ফরিদপুর শহরে প্রতিদিন কয়েক হাজার ইজিবাইক ও অটোরিকশা চলাচল করে। এর মধ্যে উল্লেখযোগ্য একটি অংশ অনিবন্ধিত এবং শহরের বাইরে থেকে প্রবেশ করে যানজট আরও তীব্র করে তোলে। রঙের মাধ্যমে নিবন্ধিত ও অনিবন্ধিত যানবাহনের পার্থক্য স্পষ্ট হলে ট্রাফিক পুলিশ ও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ তাৎক্ষণিক ব্যবস্থা নিতে পারবে।

প্রশাসক আরও বলেন, “এই উদ্যোগ বাস্তবায়ন হলে শহরের গুরুত্বপূর্ণ সড়কগুলোতে যানবাহনের শৃঙ্খলা ফিরবে। পাশাপাশি যাত্রীদের নিরাপত্তাও বাড়বে। এটি শুধু রঙ পরিবর্তনের সিদ্ধান্ত নয়, বরং একটি সমন্বিত ট্রাফিক ব্যবস্থাপনার অংশ।”

Advertisement

এ বিষয়ে ট্রাফিক বিভাগের এক কর্মকর্তা জানান, হলুদ রঙের যানবাহন দেখেই বোঝা যাবে সেটি পৌরসভায় নিবন্ধিত কিনা। ফলে অভিযান পরিচালনা সহজ হবে এবং অবৈধ যানবাহন নিয়ন্ত্রণে আনা সম্ভব হবে। তিনি বলেন, “আইন প্রয়োগের ক্ষেত্রে এটি আমাদের কাজ অনেক সহজ করে দেবে।”

অন্যদিকে, ইজিবাইক চালকদের একাংশ এই সিদ্ধান্তকে ইতিবাচক হিসেবে দেখছেন। শহরের এক চালক বলেন, “অনিবন্ধিত গাড়ির কারণে আমাদেরও ভোগান্তি হয়। সবাই যদি নিয়মের মধ্যে আসে, তাহলে যাত্রীও বাড়বে, আয়ও স্থিতিশীল হবে।” তবে কেউ কেউ রঙ পরিবর্তনের খরচ নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন। এ বিষয়ে পৌরসভা কর্তৃপক্ষ বলছে, বিষয়টি বিবেচনায় রেখে চালকদের পর্যাপ্ত সময় দেওয়া হয়েছে।

সাধারণ জনগণও এই সিদ্ধান্তকে স্বাগত জানিয়েছে। শহরের জয় কাজী নামে এক ব্যবসায়ী বলেন, “যানজটের কারণে প্রতিদিন কাজের অনেক সময় নষ্ট হয়। এই উদ্যোগ বাস্তবায়ন হলে ফরিদপুর শহর অনেকটাই স্বস্তি পাবে।”

সব মিলিয়ে, ফরিদপুর পৌরসভার এই উদ্যোগ সফলভাবে বাস্তবায়িত হলে শহরের যানজট নিরসনে এটি একটি গুরুত্বপূর্ণ মাইলফলক হিসেবে বিবেচিত হবে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।

  • সর্বশেষ