শিরোনাম
◈ মন্ত্রিসভা থেকে মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক প্রতিমন্ত্রী ইশরাক হোসেনের পদত্যাগের নির্দেশ নিয়ে ধোঁয়া ◈ নারী টি-টোয়েন্টিতে বাংলা‌দেশ দলের নতুন অধিনায়ক নাহিদা আক্তার ◈ পাকিস্তান ও আফগানিস্তানের সীমান্তে পরিস্থিতি হঠাৎ করেই খুব উত্তপ্ত, দফায় দফায় সংঘর্ষ ◈ ঢাকা থেকে ১১৮ ফ্লাইট বাতিল, আটকা ১৮৩৬২ যাত্রী ◈ দেশকে স্বাধীন করার জন্য, গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠার জন্য আমরা যেমন ধর্ম দেখিনি, জাত দেখিনি: তারেক রহমান ◈ একটি উদ্যোগ, একটু চেষ্টা, এনে দেবে সচ্ছলতা, দেশে আসবে স্বনির্ভরতা: প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ◈ ফিফা সভাপতি জিয়ান্নি ইনফান্তিনো বাংলাদেশের ফুটবল নিয়ে আশাবাদী, জানালেন পরিকল্পনা ◈ প্রশাসনে সচিব পদমর্যাদার ১০ কর্মকর্তাকে দপ্তর বদল ও পদায়ন করেছে সরকার, কে কোথায় গেলেন ◈ যুক্তরাষ্ট্র প্রস্তাব মেনে নিলে সাত দিনের মধ্যেই হরমুজ প্রণালি পুনরায় খুলে দেওয়া সম্ভব ◈ যাত্রীশূন্য শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর, এমন রূপ কেউ কখনও দেখেননি আগে (ভিডিও)

প্রকাশিত : ১১ জানুয়ারী, ২০২৬, ১১:১৮ রাত
আপডেট : ১৭ আগস্ট, ২০২৬, ০৯:০০ সকাল

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

মিয়ানমার সীমান্তে গুলিবিদ্ধ শিশুটি আইসিইউতে, অবস্থা সংকটাপন্ন

কক্সবাজারের টেকনাফ উপজেলার হোয়াইক্যং সীমান্তে মিয়ানমারের অভ্যন্তরীণ সংঘাতের জেরে ছোড়া গুলিতে আহত সাত বছর বয়সী শিশুটি এখনো জীবিত রয়েছে। গুরুতর আহত অবস্থায় কুতুপালং এমএসএফ হাসপাতাল থেকে তাকে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ (চমেক) হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়েছে।

বর্তমানে চমেক হাসপাতালের আইসিইউতে শিশুটির চিকিৎসা চলছে এবং তার অবস্থা সংকটাপন্ন।

চমেক হাসপাতালের পরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল তসলিম উদ্দিন জানান, আজ রোববার (১১ জানুয়ারি) বিকেল সাড়ে চারটার দিকে শিশুটিকে হাসপাতালে এনে ভর্তি করা হয়।

তিনি বলেন, শিশুটির মাথায় গুলি লেগেছে এবং তার অবস্থা অত্যন্ত আশঙ্কাজনক। এখনো সিটি স্ক্যান করা সম্ভব হয়নি। কিছুটা স্থিতিশীল হলে প্রয়োজনীয় পরীক্ষা-নিরীক্ষা করে পরবর্তী চিকিৎসা দেওয়া হবে।

Advertisement

এর আগে একই দিন সকালে শিশুটির মৃত্যুর খবর ছড়িয়ে পড়ে। হোয়াইক্যং পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ উপ-পরিদর্শক (এসআই) খোকন চন্দ্র রুদ্র প্রথমে গণমাধ্যমকে জানান, সীমান্তের ওপারে সংঘর্ষের সময় ছোড়া গুলিতে এক বাংলাদেশি শিশু মারা গেছে। পরে তিনি সংশোধিত তথ্য দিয়ে জানান, শিশুটি তখনো জীবিত ছিল।

এসআই খোকন চন্দ্র রুদ্র বলেন, শিশুটির বাবা-মা প্রথমে বুঝতে পারেননি সে জীবিত আছে কি না। ঘরের ভেতরে রক্তাক্ত অবস্থায় পড়ে থাকতে দেখে তারা ভেবেছিলেন শিশুটি মারা গেছে। পরে চিকিৎসকের কাছে নেওয়ার পর জানা যায়, সে এখনো জীবিত।

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, শনিবার রাতে মিয়ানমারের রাখাইন রাজ্যে বিদ্রোহী গোষ্ঠী আরাকান আর্মি ও রোহিঙ্গা সশস্ত্র গোষ্ঠীর মধ্যে তীব্র সংঘর্ষ শুরু হয়। রোববার সকালে গোলাগুলি আরও বেড়ে গেলে রোহিঙ্গা সশস্ত্র গোষ্ঠীর সদস্যরা সীমান্তের শূন্য-রেখার দিকে সরে আসে।

এ সময় মিয়ানমারের দিক থেকে ছোড়া একটি গুলি হোয়াইক্যং ইউনিয়নের তেচ্ছিব্রিজ এলাকার একটি বসতঘরে এসে লাগে। এতে ওই এলাকার বাসিন্দা জসিম উদ্দিনের সাত বছর বয়সী মেয়ে আফনান গুলিবিদ্ধ হয়।

ঘটনার পর শিশুটির মৃত্যুর খবর ছড়িয়ে পড়লে স্থানীয় লোকজন সড়ক অবরোধ করে বিক্ষোভ শুরু করে। পরে স্থানীয় জনপ্রতিনিধি ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর হস্তক্ষেপে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আসে।

হোয়াইক্যং ইউনিয়নের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান শাহ জালাল বলেন, শুরুতে সবাই মনে করেছিল শিশুটি মারা গেছে। এ কারণে এলাকায় উত্তেজনা তৈরি হয়। পরে নিশ্চিত হওয়া যায়, শিশুটি জীবিত রয়েছে এবং আশঙ্কাজনক অবস্থায় চিকিৎসাধীন।

বর্তমানে চমেক হাসপাতালের আইসিইউতে সাত বছরের শিশু আফনান নিবিড় পর্যবেক্ষণে রয়েছে। চিকিৎসকদের মতে, তার অবস্থা এখনো অত্যন্ত সংকটাপন্ন এবং সে জীবন-মৃত্যুর সঙ্গে লড়াই করছে।

 

  • সর্বশেষ