শিরোনাম
◈ কাল পাস হচ্ছে বাজেট, আসছে যেসব পরিবর্তন ◈ ৭১ সালে জামায়াতের ভূমিকা পরিস্কার করা উচিত: মির্জা ফখরুল  ◈ চাহিদা ও দাম দুটোই কমেছে, ইউরোপে চাপে বাংলাদেশের পোশাক খাত ◈ জামায়াতের বয়স ৮৪ বছর, ১০০ বছর নয়: সংসদে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ ◈ অর্থ বিল সংশোধন করে করমুক্ত আয়সীমা ৪-৫ লাখ টাকা করা হচ্ছে ◈ কারিগরি ত্রুটিতে দুটি বিদ্যুৎকেন্দ্র বন্ধ, বাড়তে পারে লোডশেডিং ◈ প্রিপেইড মিটার রিচার্জে ভোগান্তি, নেই সমাধান ◈ জাপানের বিরুদ্ধে প্রথম দলে দেখা যাবে নেইমারকে? লাখ টাকার প্রশ্ন ব্রাজিল শিবিরে ◈ বিরোধী দল সেই সংস্কারের কথা বলে, যে সংস্কার তাদের ক্ষমতার ভাগ দেবে : স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী ◈ যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের পাল্টাপাল্টি হামলায় সমঝোতা কি ভেস্তে যাবে

প্রকাশিত : ০৬ ডিসেম্বর, ২০২৫, ০৯:৩৬ সকাল
আপডেট : ১৫ জুন, ২০২৬, ০৭:০০ বিকাল

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

ঝিনাইদহ হানাদার মুক্ত দিবস আজ: প্রথম উদিত হয় লাল-সবুজের পতাকা

ঝিনাইদহ হানাদার মুক্ত দিবস আজ (৬ ডিসেম্বর শনিবার)। দীর্ঘ ৯ মাস যুদ্ধ শেষে ৬ ডিসেম্বর পাক হানাদারদের হটিয়ে ঝিনাইদহকে শত্রুমুক্ত করে মুক্তিকামী বাংলার দামাল ছেলেরা। ঝিনাইদহে প্রথম উদিত হয় লাল-সবুজের পতাকা। মানুষ নির্ভয়ে রাস্তায় নেমে আসে এবং উল্লাস করতে থাকেন।

১৯৭১ সালের পহেলা এপ্রিল স্বাধীনতা সংগ্রামে এ দেশে প্রথম যে সম্মুখ যুদ্ধ সংঘটিত হয় ঝিনাইদহ সদর উপজেলার বিষয়খালী গ্রামে। ওই দিন পাকবাহিনী যশোর ক্যান্টমেন্ট থেকে ভারী অস্ত্রে সজ্জিত হয়ে ঝিনাইদহ দখলের উদ্দেশ্যে এগিয়ে আসতে থাকে।

আক্রমন প্রতিহত করতে বিষয়খালী গ্রামের বেগবতী নদীর তীরে তাদেরকে প্রবল বাঁধার সৃষ্টি করে। পাকবাহিনীকে রুখতে নদীর সেতু গুড়িয়ে দেয় মুক্তিযোদ্ধারা। পাকবাহিনীর সাথে মুক্তিবাহিনীর প্রায় ৮ ঘন্টা তুমুল যুদ্ধ হয়। নদী তীরে সম্মুখযুদ্ধে ব্যর্থ হয়ে পাকহানাদার বাহিনী পিছু হটে যায় এবং নিকটন্ষ গড়িয়ালা গ্রামে প্রবেশ করে নিরীহ গ্রামবাসিকে হত্যা করতে থাকে।

৪ এপ্রিল শৈলকূপা উপজেলার গাড়াগঞ্জ যুদ্ধ, ৪ আগস্ট একই উপজেলার আলফাপুর যুদ্ধ, ১৪ অক্টোবর আবাইপুর যুদ্ধ ও ২৬ নভেম্বর কামান্না যুদ্ধ সংঘটিত হয়। এছাড়াও ৬ আগস্ট, ১৭ আগস্ট ও ১১ ই নভেম্বর জেলার বিভিন্ন স্থানে তুমুল যুদ্ধ সংঘটিত হয়।

১৯৭১ সালের নভেম্বর মাসে গেরিলা যুদ্ধ চরম আকার ধারণ করে। অপরদিকে ভারতীয় বাহিনী ও মুক্তিবাহিনী যৌথভাবে সীমান্ত অতিক্রম করে ভেতরে ঢুকে পড়ে। মুক্তিসেনাদের সাঁড়াশি আক্রমণে ৩ ডিসেম্বর মুক্ত হয় মহেশপুর, ৪ ডিসেম্বর কোটচাঁদপুর এবং ৫ ডিসেম্বর কালীগঞ্জ মুক্ত হয়।

এদিকে চুয়াডাঙ্গা এলাকা দিয়ে কপোতাক্ষ ও চিত্রানদী অতিক্রম করে ৬ ডিসেম্বর মুক্তিকামীরা ঝিনাইদহে প্রবেশ করে জেলা শহর মুক্ত করে। এসব যুদ্ধে সারা জেলায় ২’শত ৭৬ মুক্তিযোদ্ধা শহীদ হন।

মুক্তিযোদ্ধা কমান্ডার কামালুজ্জামান বলেন, ৬ ডিসেম্বর ঝিনাইদহ হানাদার মুক্ত হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে বাড়ি ঘর থেকে দলে দলে সর্বস্তরের মানুষ রাস্তায় নেমে এসে জাতীয় পতাকা হাতে নিয়ে উল্লাস করতে থাকেন। ফুল দিয়ে তারা মুক্তিসেনাদের বরণ করে নেন। দিবসটি পালনে বিভিন্ন সংগঠন কর্মসুচি গ্রহন করেছে।

সূত্র: ইনকিলাব

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়