শিরোনাম
◈ ফ্রান্সে বিক্ষোভের ঝড়, পতনের মুখে ম্যাক্রোঁ? ◈ এক যুগের বেশি সময় পর ঢাকা-গাজীপুর বিআরটি প্রকল্প বন্ধের সিদ্ধান্ত, বদলে যাচ্ছে সড়কের নকশা ◈ সুখবর পেলেন ঋতুপর্ণারা, ফিফা নারী র‍্যাংকিংয়ে এক ধাপ এগিয়ে ১০৬ নম্বরে বাংলাদেশ ◈ রাজশাহীতে ৩৮ হাজার ৯৭০ আখচাষিকে ১২ কোটি টাকার প্রণোদনা দিলেন তারেক রহমান ◈ শাহজালাল বিমানবন্দরে স্টোর ভবনে আগুন ◈ প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের জাপান সফর ২৬ অক্টোবর, সই হবে অন্তত ৪ সমঝোতা স্মারক ◈ যে কারণে মধ্যপ্রাচ্যজুড়ে যুক্তরাষ্ট্রের সতর্কতা জারি, নেপথ্যে যা জানা গেল ◈ জাতীয়কৃত শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শিক্ষক-কর্মচারীদের জরুরি নির্দেশনা ◈ ভারতবিরোধী কর্মকাণ্ডের অংশ হিসেবে দিল্লি থেকে টাকা আসছে কলকাতায়, উসকানি ছড়াচ্ছে বাংলাদেশ থেকে: দিলীপ ঘোষ ◈ ইশরাক হোসেনের পদত্যাগপত্র গ্রহণ, মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক প্রতিমন্ত্রীর পদত্যাগ কার্যকর

প্রকাশিত : ২৪ অক্টোবর, ২০২৫, ০৬:৫৭ বিকাল
আপডেট : ০৭ আগস্ট, ২০২৬, ১০:০০ দুপুর

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

চরভদ্রাসনে পদ্মা নদীতে মা ইলিশ রক্ষায় প্রশাসনের অভিযান

চরভদ্রাসন ও সদরপুর (ফরিদপুর) প্রতিনিধি : ইলিশ সংরক্ষণ অভিযান চলাকালে ফরিদপুরের চরভদ্রাসন উপজেলায় নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে মা ইলিশ নিধনে জড়িতদের বিরুদ্ধে কঠোর অভিযান পরিচালনা করছে উপজেলা প্রশাসন ও মৎস্য বিভাগ।

গত দুই দিনের অভিযানে ৬৫ হাজার মিটার নিষিদ্ধ কারেন্ট জাল (জাটকা ধরার জাল) এবং ২৭ কেজি মা ইলিশ জব্দ করা হয়েছে। জব্দ করা জালের আনুমানিক মূল্য প্রায় ১৮ লাখ টাকা।

২৪ অক্টোবর পদ্মা নদীর বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ পয়েন্টে এই অভিযান পরিচালিত হয়। এতে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) ও মৎস্য বিভাগ যৌথভাবে নেতৃত্ব দেন।

চরাঞ্চলে চলছে মা ইলিশের অবাধ বেচাকেনা

Advertisement

সরকার ঘোষিত ২২ দিনের মা ইলিশ সংরক্ষণ নিষেধাজ্ঞা চলমান থাকা সত্ত্বেও পদ্মা নদীর চরাঞ্চলে অবাধে চলছে জাটকা ও মা ইলিশের কেনাবেচা। প্রশাসনের নজরদারির অভাবে চরের অস্থায়ী বাজার ও বিভিন্ন খেয়াঘাটে প্রতিদিনই বিপুল পরিমাণ মা ইলিশ বিক্রি হচ্ছে।

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, উপজেলার চর হরিরামপুর ইউনিয়নের হাজার বিঘা চর এলাকায় বাদশার খেয়াঘাটে সকাল ও সন্ধ্যায় প্রকাশ্যে ইলিশ কেনাবেচা হয়।

উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা বলেন, “আমরা প্রতিদিনই এলাকায় তদারকি করছি। জাল ও জেলে আটকও করেছি। তবে চর এলাকায় যেতে হলে পুলিশসহ অভিযান চালাতে হয়। আমরা পৌঁছানোর আগেই খবর পেয়ে জেলেরা পালিয়ে যায়। বাদশার খেয়াঘাটে প্রতিদিনই অন্তত দু’বার যাই।”

এদিকে স্থানীয়দের অভিযোগ, প্রশাসনের দুর্বল নজরদারির কারণে নিষেধাজ্ঞার সময়ও চরের অস্থায়ী বাজার ও খেয়াঘাটে অবাধে চলছে মা ইলিশের ক্রয়-বিক্রয় ও পাচার, যা সরকারের সংরক্ষণ কার্যক্রমকে ব্যর্থ করে দিচ্ছে।

উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা বলেন, “ইলিশের প্রজনন মৌসুমে সরকারি নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে মাছ ধরা অত্যন্ত দুঃখজনক ও গুরুতর অপরাধ। এতে ইলিশের উৎপাদন মারাত্মকভাবে বিঘ্নিত হয়। জনস্বার্থে এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে।”

  • সর্বশেষ