শিরোনাম
◈ যাত্রবাড়ীর সংঘর্ষে গুলিবিদ্ধ একজনের মৃত্যু ◈ নির্ধারিত সময়ে হল ছাড়ায় শিক্ষার্থীদের ধন্যবাদ দিলেন ঢাবি ভিসি ◈ ঢাবি উপাচার্যের সঙ্গে শিক্ষামন্ত্রীর বৈঠক; রাতে পুলিশ-শিক্ষার্থী সংঘর্ষ ◈ যাত্রাবাড়িতে পুলিশের সঙ্গে দুর্বৃত্তদের সংঘর্ষ, টোল প্লাজায় আগুন ◈ ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে রাতে আবার পুলিশ–শিক্ষার্থী সংঘর্ষ ◈ কোটা আন্দোলনকারীদের কমপ্লিট শাটডাউনে বিএনপির সমর্থন ◈ বিএনপি-জামাতের লাশের রাজনীতিতেই মানুষ নিহত হয়েছে: পররাষ্ট্রমন্ত্রী ◈ আগামীকাল সারাদেশে কোটা আন্দোলনরত শিক্ষার্থীদের ‘কমপ্লিট শাটডাউন' ◈ শিক্ষার্থীদের দাবির মুখে ছাত্র রাজনীতি বন্ধ ঘোষণা করলেন রাবি উপাচার্য ◈ সহিংসতার সঙ্গে কোটা আন্দোলনকারীদের সম্পর্ক নেই, সন্ত্রাসীরা সুযোগ নিয়েছে: প্রধানমন্ত্রী

প্রকাশিত : ১১ জুলাই, ২০২৪, ০৫:০৮ বিকাল
আপডেট : ১১ জুলাই, ২০২৪, ০৭:১২ বিকাল

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

কুমিল্লায় হত্যা মামলায় ৪ আসামির মৃত্যুদণ্ড

প্রতীকী ছবি

শাহাজাদা এমরান, কুমিল্লা: [২] কুমিল্লার মুরাদনগরে ব্যবসায়ীকে জবাই করে হত্যার অভিযোগে চারজনকে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছেন আদালত। 

[৩] বৃহস্পতিবার (১১ জুলাই) বেলা ১২টায় এই রায় দেন কুমিল্লার অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ পঞ্চম আদালতের বিচারক মোছা. ফরিদা ইয়াসমিন। 

[৪] দণ্ডপ্রাপ্তরা হলেন- মুরাদনগর উপজেলার উত্তর ত্রিশ এলাকার মিজানুর রহমানের ছেলে মো. রফিক মিয়া, দেবিদ্বারের মাধবপুর এলাকার ইউনুস মিয়ার ছেলে মো. নাজমুল শিকদার, ভিংলাবাড়ি এলাকার চান মিয়ার ছেলে মো. মান্নান মিয়া ও রাজু মিয়ার ছেলে মো. সুমন মিয়া।

[৫] হত্যাকাণ্ডের শিকার ব্যবসায়ী নাম ফারুক আহমেদ। তিনি মুরাদনগর উপজেলার উত্তর ত্রিশ এলাকার মো. মোস্তফার ছেলে।

[৬] মামলার রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী (পিপি) রফিকুল ইসলাম জানান, ২০১৩ সালের ২ ডিসেম্বর নিখোঁজ হন মুরাদনগর উপজেলার উত্তর ত্রিশ এলাকার ফারুক আহমেদ। ৭ ডিসেম্বর স্থানীয় একটি বালুর মাঠ থেকে তার মরদেহ উদ্ধার করে পরিবার। ফারুক আহমেদের কোম্পানীগঞ্জ বাজারে একটি কাপড়ের দোকান ছিল। তার চাচাতো ভাই রফিকুল ইসলাম তার কাছ থেকে প্রায় তিন লাখ টাকা ধার নেন। কিন্তু নির্দিষ্ট সময় পার হওয়ার পরেও রফিক সেই টাকা ফেরত দিচ্ছিল না। যে কারণে ফারুক প্রায়ই তার কাছে টাকা চাইতো।

[৭] একবার রফিকের ভগ্নিপতি মান্নান মিয়ার সামনে টাকা চাইলে ক্ষিপ্ত হন রফিক। মান্নান ও রফিক পরিকল্পনা করে আরেক ভগ্নিপতি সুমনকে খবর দেয়। পরে তারা তিনজন পাশের দেবিদ্বার উপজেলার পরিচিত নাজমুল শিকদারকে ভাড়া করে। এরপর ফারুককে টাকা ফেরত দেবে বলে ডেকে আনে। পরে স্থানীয় একটি মাঠে তাকে গলা কেটে হত্যা করে মরদেহ বালুচাপা দিয়ে চলে যায়।

[৮] ঘটনার ৫ দিন পর অর্ধগলিত মরদেহ শনাক্ত করে নিহতের পরিবার। এ ঘটনায় রফিকের ভগ্নিপতি ১৬৪ ধারায় জবানবন্দি দিয়ে ঘটনার দায় স্বীকার করে এবং পরিকল্পনামাফিক হত্যার কথা জানায়।

[৯] নিহতের বাবা মো. মোস্তফা বলেন, ১১ বছর পর আমার ছেলেকে হত্যার বিচার পেয়েছি। আমার তিন ছেলে ছিল। এই ছেলেটা আমার বেশি আদরের ছিল। তাকে খুন করলো আমার আত্মীয়স্বজনেরা। আমি তো ভাবিওনি এমন কিছু। আমি প্রথমে নিখোঁজের সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করি। মামলাও করি অজ্ঞাতনামা আসামিদের নামে। তদন্ত কর্মকর্তা না বের করলে আমি বিশ্বাস করতে পারতাম না, পাওনা টাকার জন্য আমার ছেলেকে তারা হত্যা করেছে। যে উপকার করলো তাকেই হত্যা করলো। এখন আমার একটাই দাবি, রায় দ্রুত কার্যকর করা হোক।

প্রতিনিধি/একে

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়