শিরোনাম
◈ হাসিনা কলকাঠি নাড়ছেন, গুপ্তরা বাতাস দিচ্ছে: রিজভী ◈ নারী ত্রিদেশীয় সিরিজের বাংলাদেশ অনূর্ধ্ব-১৯ দল ঘোষণা ◈ ইরান যুদ্ধ ও জ্বালানি সংকটের মধ্যেও ২০২৬ সালে বিশ্ব অর্থনীতির প্রবৃদ্ধি ২.৯%: OECD ◈ পণ্য খালাসের সময় ও ব্যয় কমাতে সমন্বিত কর্মপরিকল্পনার তাগিদ বাণিজ্যমন্ত্রীর ◈ আগামী শুক্র ও শনিবার ব্যাংক খোলা ◈ রোহিঙ্গা সংকট সমাধানে ৫ দফা প্রস্তাব: জাতিসংঘের সাইডলাইন বৈঠকে প্রধানমন্ত্রীর জোরালো আহ্বান ◈ হুতিদের হামলা ঠেকাতে সৌদির অনুরোধে সাড়া নেই, ট্রাম্প-সালমান সম্পর্কে নতুন টানাপোড়েন ◈ গেটস ফাউন্ডেশনের সিইওর সঙ্গে প্রধানমন্ত্রীর বৈঠক, স্বাস্থ্যখাতে এআই ব্যবহারের পরিকল্পনা ◈ ১০ বছরে জ্বালানি তেল থেকে সরকারকে ১ লাখ ১৯ হাজার কোটি টাকা দিয়েছে বিপিসি ◈ লিভারপুলের অ্যানফিল্ড গুগল রেটিংয়ে এগিয়ে

প্রকাশিত : ২১ ডিসেম্বর, ২০২৫, ০১:৩৮ দুপুর
আপডেট : ০২ আগস্ট, ২০২৬, ১২:০০ দুপুর

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

হাতিরঝিলে দুই শিশুর মৃত্যু ও বাবা-মার অসুস্থতা ঘিরে রহস্য

রাজধানীর হাতিরঝিল থানাধীন ওয়ারলেস মোড় এলাকার একটি বাসা থেকে দুই সহোদর শিশুর মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। দুই শিশুর নাম আফরিদা চৌধুরী (১০) ও তার ছোট ভাই এক বছর বয়সী ইলহাম চৌধুরী। পুলিশের প্রাথমিক ধারণা, খাবারে বিষক্রিয়ায় তাদের মৃত্যু হয়ে থাকতে পারে।

গতকাল শনিবার রাত সাড়ে ৮টার দিকে হাতিরঝিল থানা-পুলিশ ওয়ারলেস মোড় ৯১ নম্বর এসএইচএস টাওয়ারের নিচে গ্যারেজে ফ্রিজিং অ্যাম্বুলেন্সে রাখা দুই শিশুর মরদেহ উদ্ধার করে। আজ রোববার সকালে ময়নাতদন্তের জন্য ঢাকা মেডিকেল কলেজের মর্গে পাঠায়।

advertisement

হাতিরঝিল থানার উপপরিদর্শক (এসআই) মো. সুমন মিয়া জানান, শনিবার রাতে ওই বাসার নিচে ফ্রিজিং অ্যাম্বুলেন্সে রাখা শিশু দু’টির মরদেহ উদ্ধার করা হয়। পরবর্তীতে তাদের সুরতহাল প্রতিবেদন তৈরি করা হয়। তবে তাদের শরীরে কোনো রকমের জখমের চিহ্ন পাওয়া যায়নি।

এমআই সুমন মিয়া পরিবারের বরাত দিয়ে জানান, শিশুদের বাবা মোসলেহ উদ্দিন চৌধুরী একটি তৈরি পোশাক কারখানার মহাব্যবস্থাপক (জিএম) এবং মা সাইদা জাকাওয়াত আরা গৃহিণী। তাঁদের গ্রামের বাড়ি কুমিল্লা জেলার কোতোয়ালি থানার মুঘলটুলি এলাকায়। বর্তমানে ওয়ারলেস মোড়ের ওই বাসায় থাকেন। প্রাথমিক তদন্তে স্থানীয়দের এবং পরিবারের কাছ থেকে জানা গেছে, শুক্রবার সন্ধ্যায় দুই শিশুসন্তানসহ তাদের বাবা-মা খাবার খেয়ে রাতে ঘুমিয়ে পড়েন। শনিবার সকালে মেয়ে আফরিদা অসুস্থ হয়ে পড়লে তাকে স্থানীয় রাসমনো হাসপাতালে নিয়ে যান তাঁরা। সেখানে শনিবার সকাল ৭টার দিকে চিকিৎসক তাঁকে মৃত ঘোষণা করেন। এরপর পরিবার যখন তাঁর মরদেহ বাসায় নিয়ে আসে, তখন ছেলে ইলহামও বমি করা শুরু করে। অসুস্থ হয়ে পড়া দেখে পরবর্তীতে তাকে মগবাজার কমিউনিটি হাসপাতালে নিয়ে গেলে শনিবার দুপুরে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যায় শিশুটি।

advertisement

এসআই সুমন মিয়া আরও বলেন, একই খাবার খেয়ে তাদের বাবা-মাও অসুস্থ হয়ে পড়েছিলেন। তবে তাঁরা চিকিৎসা শেষে সুস্থ আছেন। প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, খাবার বিষক্রিয়ার কারণে এই দুই শিশুর মৃত্যু হয়ে থাকতে পারে। তবে ওই খাবার তাঁরা বাসায় রান্না করেছিলেন নাকি বাইরে থেকে কিনে এনেছিলেন তা এখনো জানা যায়নি। বিস্তারিত তদন্ত করে দেখা হচ্ছে। ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন পেলে মৃত্যুর কারণ নিশ্চিত হওয়া যাবে।

এদিকে শিশুদের চাচা তৌহিদ আলম চৌধুরী বলেন, আফরিদা বেইলি রোডের ভিকারুননিসা স্কুল অ্যান্ড কলেজের তৃতীয় শ্রেণির শিক্ষার্থী। গত ১৬ ডিসেম্বর আফরিদার জন্মদিন ছিল। বাবা-মা দুই সন্তানকে নিয়ে বাইরে কোনো এক রেস্টুরেন্টে খাবার খেয়েছিলেন। চার দিন পরে তাঁরা অসুস্থ হয়ে পড়েন। এই খাবার খেয়ে, না-কি অন্য কোনো খাবার খেয়ে অসুস্থ হয়েছেন তা আমরা নিজেরাও বুঝতে পারছি না। ময়নাতদন্তের রিপোর্ট এলে জানতে পারব। উৎস: আজকের পত্রিকা।

advertisement

 

  • সর্বশেষ