শিরোনাম
◈ বাংলাদেশ সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতির এক উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত: প্রধান উপদেষ্টা ◈ ‘পছন্দ না হলে মাজারে নাও আসতে পারেন, আঘাত-ভাঙচুর গ্রহণযোগ্য নয়’ ◈ জনসভা ছাড়িয়ে নিউজফিড: কেন সামাজিক মাধ্যমই এবারের নির্বাচনের মূল ময়দান ◈ উত্তরবঙ্গকে কৃষিভিত্তিক শিল্পের রাজধানী বানাতে চাই, বেকারত্ব দূর করবো: ডা. শফিকুর রহমান ◈ বিএনপি চাইলে ঢাকা শহরে জামায়াতের কোনো প্রার্থীই রাস্তায় নামতে পারবে না: ইশরাক হোসেন ◈ সংসদ নির্বাচন এবং গণভোটের চূড়ান্ত ভোটার তালিকা প্রকাশ ইসির ◈ এক সপ্তাহে যৌথ বাহিনীর অভিযানে গ্রেফতার ২৭৮, অস্ত্র-গোলাবারুদ উদ্ধার ◈ নতুন পে-স্কেল, রাজস্ব ঘাটতি ও উচ্চ মূল্যস্ফীতি: পরবর্তী সরকার আর্থিক চাপে পড়বে ◈ আগামী ১২ ফেব্রুয়ারির ভোট ভবিষ্যৎ নির্বাচনের মানদণ্ড স্থাপন করবে: মার্কিন রাষ্ট্রদূতকে প্রধান উপদেষ্টা ◈ আইসিসিকে ফের চিঠি বিসিবির, নিরপেক্ষ কমিটিতে দাবি পাঠানোর অনু‌রোধ

প্রকাশিত : ২৪ নভেম্বর, ২০২১, ০১:২৬ রাত
আপডেট : ২৪ নভেম্বর, ২০২১, ০১:২৬ রাত

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

রুমা মোদক: আমাদের সিস্টেম আদৌ কোনোদিন বিবেচক হবে?

রুমা মোদক
একবার বোর্ডে গেছি খাতা জমা দিতে। কর্তৃপক্ষ যথারীতি আমার খাতাপত্র গ্রহণ করলেন। হঠাৎ ঊর্ধ্বতন কারও ফোন এলো, দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তা বললেন, জী স্যার আমার সামনে রুমা মোদক বসা আছেন। আমি সচকিত হলাম। আমাকে আরও বিস্ময়ে পতিত করে সেই দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তা আমাকে একটি কক্ষে নিয়ে গেলেন এবং তিনি না আসা পর্যন্ত এই কক্ষেই অবস্থান করার কথা বলে বাইরে থেকে কক্ষটি তালাবন্ধ করে চলে গেলেন। আমি কিছুই আন্দাজ করতে পারছি না। কে ফোন দিলেন, কেনই বা দিলেন, কেনই বা আমাকে আটকানো হলো! মিনিট পনেরো পরে একজন পিয়নসহ কর্মকর্তা রুমে এলেন। আমার সামনে একটি সিলগালা করা প্যাকেট খুললেন। একাধিক কাগজে স্বাক্ষর নিলেন যে প্যাকেটটি আমার সামনেই খোলা হয়েছে। তারপর একটি প্রশ্ন আর প্যাকেট থেকে একটি পরীক্ষার খাতাসহ বসিয়ে দিয়ে বললেন, খুব ভালো করে খাতাটি নিরীক্ষা করতে হবে। এ জাতীয় অভিজ্ঞতা আমার আর ছিলো না। আমি বুঝতে পারছিলাম না ঘটনা কী!

ঘণ্টাখানেক সময় লেগেছিলো খাতাটি দেখতে। খুঁটিয়ে খুঁটিয়ে দেখেও খাতায় আমি ৮০ শতাংশ নম্বর দিতে বাধ্য হলাম। আমার ফোনটি কর্মকর্তা নিয়ে গিয়েছিলেন। কিছুক্ষণ পর তিনি এসে নম্বরপত্র সমেত খাতাটি গ্রহণ করলেন, আরও একাধিক কাগজে স্বাক্ষর নিলেন। আমার সামনে খাতাটি আবার সিলগালা করা হলো, কর্মকর্তা বারবার জিজ্ঞেস করছেন, ভালো করে দেখেছেন তো? কোনো কমপ্লেইন আসবে না তো? আমি তাঁকে আশ্বস্ত করার পর তিনি আমাকে তাঁর চেম্বারে নিয়ে গেলেন। ব্যাপারটি বললেন, এটি একজন ছাত্রীর খাতা, যাকে ভুল বুঝে কক্ষ পরিদর্শী কক্ষ থেকে বের করে দিয়েছিলেন। মেয়েটির সচেতন অভিভাবক হাইকোর্টে রিট করে রায় পেয়েছেন। এখন স্পেশালি মেয়েটির পরীক্ষা নেওয়া হয়েছে এবং খাতা দেখা হয়েছে। মাঝখান থেকে মেয়েটির জীবন থেকে কয়েকটি মাস চলে গেছে, আর একটি নিষ্পাপ টিনএজ মেয়ের মানসিক চাপের কথা আমাদের দেশ সমাজ সিস্টেম কবে বিবেচনায় এনেছে? আমাদের সিস্টেম আদৌ কোনোদিন বিবেচক হবে? ফেসবুক থেকে

 

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়