শিরোনাম
◈ উচ্চপর্যায়ের পর্যবেক্ষক দল পাঠাবে ইইউ, প্রধান উপদেষ্টাকে পাওলা পাম্পালোনি ◈ জকসু নির্বাচন: ২৬ কেন্দ্রের ফলাফলে ভিপি পদে ৩৫১ ভোটে এগিয়ে শিবিরের রিয়াজুল ◈ ইসিতে যেসব অভিযোগ জানাল জামায়াত ◈ সংগীত বিভাগে শিবির সমর্থিত জিএস-এজিএস প্রার্থীর ঝুলিতে শূন্য ভোট ◈ নিজ দেশের নাগরিক হত্যা, তাদের গণকবর—সভ্য রাষ্ট্রে কল্পনাও করা যায় না: প্রধান উপদেষ্টা ◈ গ্রিনল্যান্ড নিয়ে ট্রাম্পের আগ্রহ কেন? দ্বীপটি কতটা কৌশলগতভাবে গুরুত্বপূর্ণ ◈ ব্যাংক ঋণে বাড়ি কেনা সহজ হলো, নতুন সার্কুলার জারি ◈ তারেক রহমান নয়াদিল্লির জন্য “সবচেয়ে নিরাপদ বাজি” ◈ হলফনামায় তথ্য অনিচ্ছাকৃত ভুল ছিল, সংশোধন করেছি: এনসিপি প্রার্থী সারজিস আলম ◈ ‘ভারতে টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ খেলতে না যাওয়ার বিষয়ে আমরা অনড়’

প্রকাশিত : ২৪ নভেম্বর, ২০২১, ০১:২৬ রাত
আপডেট : ২৪ নভেম্বর, ২০২১, ০১:২৬ রাত

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

রুমা মোদক: আমাদের সিস্টেম আদৌ কোনোদিন বিবেচক হবে?

রুমা মোদক
একবার বোর্ডে গেছি খাতা জমা দিতে। কর্তৃপক্ষ যথারীতি আমার খাতাপত্র গ্রহণ করলেন। হঠাৎ ঊর্ধ্বতন কারও ফোন এলো, দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তা বললেন, জী স্যার আমার সামনে রুমা মোদক বসা আছেন। আমি সচকিত হলাম। আমাকে আরও বিস্ময়ে পতিত করে সেই দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তা আমাকে একটি কক্ষে নিয়ে গেলেন এবং তিনি না আসা পর্যন্ত এই কক্ষেই অবস্থান করার কথা বলে বাইরে থেকে কক্ষটি তালাবন্ধ করে চলে গেলেন। আমি কিছুই আন্দাজ করতে পারছি না। কে ফোন দিলেন, কেনই বা দিলেন, কেনই বা আমাকে আটকানো হলো! মিনিট পনেরো পরে একজন পিয়নসহ কর্মকর্তা রুমে এলেন। আমার সামনে একটি সিলগালা করা প্যাকেট খুললেন। একাধিক কাগজে স্বাক্ষর নিলেন যে প্যাকেটটি আমার সামনেই খোলা হয়েছে। তারপর একটি প্রশ্ন আর প্যাকেট থেকে একটি পরীক্ষার খাতাসহ বসিয়ে দিয়ে বললেন, খুব ভালো করে খাতাটি নিরীক্ষা করতে হবে। এ জাতীয় অভিজ্ঞতা আমার আর ছিলো না। আমি বুঝতে পারছিলাম না ঘটনা কী!

ঘণ্টাখানেক সময় লেগেছিলো খাতাটি দেখতে। খুঁটিয়ে খুঁটিয়ে দেখেও খাতায় আমি ৮০ শতাংশ নম্বর দিতে বাধ্য হলাম। আমার ফোনটি কর্মকর্তা নিয়ে গিয়েছিলেন। কিছুক্ষণ পর তিনি এসে নম্বরপত্র সমেত খাতাটি গ্রহণ করলেন, আরও একাধিক কাগজে স্বাক্ষর নিলেন। আমার সামনে খাতাটি আবার সিলগালা করা হলো, কর্মকর্তা বারবার জিজ্ঞেস করছেন, ভালো করে দেখেছেন তো? কোনো কমপ্লেইন আসবে না তো? আমি তাঁকে আশ্বস্ত করার পর তিনি আমাকে তাঁর চেম্বারে নিয়ে গেলেন। ব্যাপারটি বললেন, এটি একজন ছাত্রীর খাতা, যাকে ভুল বুঝে কক্ষ পরিদর্শী কক্ষ থেকে বের করে দিয়েছিলেন। মেয়েটির সচেতন অভিভাবক হাইকোর্টে রিট করে রায় পেয়েছেন। এখন স্পেশালি মেয়েটির পরীক্ষা নেওয়া হয়েছে এবং খাতা দেখা হয়েছে। মাঝখান থেকে মেয়েটির জীবন থেকে কয়েকটি মাস চলে গেছে, আর একটি নিষ্পাপ টিনএজ মেয়ের মানসিক চাপের কথা আমাদের দেশ সমাজ সিস্টেম কবে বিবেচনায় এনেছে? আমাদের সিস্টেম আদৌ কোনোদিন বিবেচক হবে? ফেসবুক থেকে

 

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়