প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

শামীম আহমেদ জিতু : আমি খুবই আশাবাদী, আগামী মাসের এই সময় বাংলাদেশ ভ্যাকসিন দেওয়ার হিসেবে  কানাডাসহ অনেক দেশকে টপকে শীর্ষ পনেরর মধ্যে চলে আসবে

শামীম আহমেদ জিতু : ফেব্রুয়ারি ৫ তারিখের তথ্য অনুযায়ী, এখন পর্যন্ত সবচেয়ে বেশি করোনাভাইরাসের ভ্যাক্সিন পেয়েছে ইসরায়েলের জনগণ। ইসরায়েলের শতকরা ৬০ ভাগ জনগণ ভ্যাক্সিন নিয়েছেন। দ্বিতীয় অবস্থানে আছে, সংযুক্ত আরব আমিরাত। তাদের শতকরা ৩৬ ভাগ জনগণ করোনার ভ্যাক্সিন পেয়ে গেছে। তৃতীয় অবস্থানে আছে আফ্রিকার দ্বীপ রাষ্ট্র সিসিলি। তাদের ৩১ শতাংশ মানুষ এই ভ্যাক্সিন পেয়েছে। ১০ শতাংশ মানুষকে ভ্যাক্সিন দিয়ে বাহরাইন আছে তালিকার ৫ নম্বরে।

জনগণকে ভ্যাক্সিন দেওয়ার এই তালিকায় যুক্তরাজ্য আছে ৪ নম্বরে (১৬ শতাংশ জনগণ), যুক্তরাষ্ট্র ৬ নম্বরে (১০ শতাংশ জনগণ) এবং আপনাদের অতি প্রিয় দেশ কানাডা আছে ৩৩ নম্বরে (৩ শতাংশ জনগণ মাত্র)। পৃথিবীর ১ শতাংশ মানুষ ইতোমধ্যে করোনার ভ্যাক্সিন পেয়েছে।

যুক্তরাজ্য, যুক্তরাষ্ট্র, কানাডার মতো উন্নত ও বড় দেশগুলা যে শুধু করোনা নিয়ন্ত্রণেই ভয়াবহ ব্যর্থ হয়েছে তাই নয়, ভ্যাক্সিন ব্যবস্থাপনাতেও তারা ব্যর্থ হয়েছে। সবচেয়ে ব্যর্থ কানাডা। যুক্তরাজ্য ও যুক্তরাষ্ট্র অন্তত ভ্যাক্সিন আবিষ্কার করেছে, সারা দুনিয়াকে সেই ভ্যাক্সিন পাঠাচ্ছে। কানাডা না পেরেছে কিছু আবিষ্কার করতে, না পেরেছে অন্যের ভ্যাক্সিন নিজেদের দেশে উৎপন্ন করতেও। এমনকি আবিষ্কারের আগেই পৃথিবীর সবচেয়ে বেশি ভ্যাক্সিন কেনার অগ্রিম অর্ডার দিয়েও তারা সেই ভ্যাক্সিন আনাতে কূটনৈতিকভাবে ব্যর্থ হয়েছে।

বাংলাদেশের হাতে এই মুহূর্তে ভ্যাক্সিন আছে ৭০ লাখ। আমি খুবই আশাবাদী আগামী মাসের এই সময় বাংলাদেশ ভ্যাক্সিন দেওয়ার হিসেবে  কানাডাসহ অনেক দেশকে টপকে শীর্ষ ১৫-এর মধ্যে চলে আসবে ইনশা আল্লাহ্। ফেসবুক থেকে

এক্সক্লুসিভ রিলেটেড নিউজ

সর্বশেষ

সর্বাধিক পঠিত