শিরোনাম
◈ হামের সংক্রমণ অব্যাহত, ২৪ ঘণ্টায় আরও ৭ শিশুর মৃত্যু ◈ করদাতাদের সতর্ক করল এনবিআর, জারি ৪ নির্দেশনা ◈ ব্যবসায়ীর অ.ণ্ডকোষ চেপে চেক-স্ট্যাম্পে স্বাক্ষর আদায়, সিসিটিভি ফুটেজ ভাইরালের পর অভিযুক্ত গ্রেপ্তার ◈ অসহায় মানুষের সহায়তার জন্য ৮ কোটি টাকা বিতরণে খরচ ৫৩ কোটি! ◈ জনগণের আস্থা অটুট রেখেই নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে হবে: তারেক রহমান ◈ প্রথমবার আয়কর রিটার্নে মাত্র ১ হাজার টাকা, নতুন করদাতাদের জন্য এনবিআরের বিশেষ সুবিধা ◈ প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের পরিচালক নাসির উদ্দিন সারোয়ারকে প্রত্যাহার ◈ আনিস আলমগীর, সোমা ইসলাম ও পিয়াসহ ৬ জনের বিরুদ্ধে শাহবাগ থানায় জিডি ◈ সরকারি ব্যানার-ফেস্টুনের নতুন নির্দেশনা: প্রধানমন্ত্রীর ছবি নিষিদ্ধ, প্রাধান্য পাবে অনুষ্ঠানের উদ্দেশ্য ◈ চীন থেকে বৈধ পথে টাকা পাঠাতে জটিলতা, বাধ্য হয়ে হুন্ডিতে ঝুঁকছেন বাংলাদেশিরা

প্রকাশিত : ০৪ ফেব্রুয়ারি, ২০২১, ০৮:২০ সকাল
আপডেট : ০৪ ফেব্রুয়ারি, ২০২১, ০৮:২০ সকাল

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

বিষাক্ত মদের গডফাদার কারা

  • চার হোমিও ওষুধ ব্যবসায়ী গ্রেফতার অভিযান অব্যাহত মৃতের সংখ্যা নিয়ে দুই রকম তথ্য

ডেস্ক রিপোর্ট: বগুড়ায় বিষাক্ত মদপানে একই পরিবারের পিতা-পুত্রসহ মৃত্যুর সংখ্যা বেড়ে ১৬ জনে দাঁড়িয়েছে। তবে, জেলা পুলিশ আটজনের মৃত্যুর কথা স্বীকার করেছে। এদিকে পুলিশ অভিযান চালিয়ে বিষাক্ত মদ বিক্রির অভিযোগে চার হোমিও ওষুধ ব্যবসায়ীকে গ্রেফতার করে। তবে গডফাদাররা এখনো ধরাছোঁয়ার বাইরে।

পুলিশি অভিযানে গ্রেপ্তাররা হলেন, বগুড়া জেলা শহরের করতোয়া হোমিও হলের স্বত্বাধিকারী ও নাটাপাড়ার শহিদুল আলম সবুর (৫৫), শহরের ফুলবাড়ি মধ্যপাড়ার পারুল হোমিও ল্যাবরেটরিজের স্বত্বাধিকারী মো. নুরুন্নবী (৫৮), শহরের গালাপট্টির মুন হোমিও হলের স্বত্বাধিকারী ও শহরের ছোটকুমিড়ার আবদুল খালেক (৫৫), গালাপট্টির হাসান হোমিও হলের কর্মচারী ও শহরের আকাশতারার আবু জুয়েল (৩৫)। গ্রেফতারের পর তাদের নিয়ে শহরের বিভিন্ন এলাকায় অভিযান পরিচালনা করা হচ্ছে। তাদের বিরুদ্ধে হোমিওপ্যাথিক ওষুধের দোকানের আড়ালে অ্যালকোহল জাতীয় বিষাক্ত মদ বিক্রির অভিযোগ রয়েছে।

এদিকে, বিষাক্ত মদ তৈরি হতে পারে এমন স্পটগুলোতে অভিযান চলছে। এর আগে বিষাক্ত মদপানে মৃত্যুর ঘটনায় ১ ফেব্রুয়ারি রাতে বগুড়া সদর থানায় মামলা করেন মদ পানে অসুস্থ রঞ্জুর ভাই মনোয়ার হোসেন। এই মামলায় বগুড়া শহরের পারুল হোমিও হল, খান হোমিও হল ও পুনম হোমিওসহ কয়েকজন হোমিও ওষুধ ব্যবসায়ীকে দায়ী করেন। বগুড়ার পুলিশ সুপার আলী আশরাফ ভুঞা বিপিএম (বার) জানান, বগুড়ায় বিষাক্ত মদপানে এখন পর্যন্ত আটজনের মৃত্যু হয়েছে। অন্য যাদের নাম এসেছে তাদের বিষয়ে তদন্ত চলছে। তদন্ত শেষে সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে। আটটি লাশের ময়নাতদন্ত সম্পন্ন হয়েছে।

বগুড়া জেলা পুলিশের হিসাবে মৃতরা হলেন, পুরান বগুড়া দক্ষিণপাড়ার পাদুকা শ্রমিক প্রেমনাথ রবিদাস (৭০), তার ভাই রামনাথ রবিদাস (৬০), প্রেমনাথ রবিদাসের ছেলে সুমন রবিদাস (৩০), ফুলবাড়ী দক্ষিণপাড়ার দিনমজুর মো. পলাশ ম-ল (৩৫), মধ্যপাড়ার আবদুল জলিল (৬৫), জিলাদারপাড়ার রমজান আলী (৬৫), ফাঁপোড় পশ্চিম পাড়ার রিকশাচালক জুলফিকার আলী (৫৫), কাটনারপাড়ার হটু মিয়া লেনের সাজু প্রাং (৪৯)। এদিকে স্থানীয়রা বলছেন, জেলা শহরের কাটনারপাড়া হটুমিয়া লেন শ্রমিক মোজাহার আলী (৭৫), কাহালুর অটোরিকশা চালক আবুল কালাম (৫০), পুরান বগুড়ার ক্ষিতিশ ওরফে ভেলু (৬০), বগুড়া সদরের ফাঁপোড়ের দিলবর রহমান দিলীপ (৬০), ছিলিমপুর দক্ষিণপাড়ার মো. রফিক (৪৫) ও ভবেরবাজারের মো. আলমগীরও (৫০) মদপানে মারা গেছেন। এ ছাড়া জেলার শাজাহানপুর উপজেলার দুরুলিয়া গ্রামের মেহেদি হাসান (২৫) ও কাটাবাড়িয়ার আবদুল আহাদ (৩০) মদপানে মৃত সন্দেহে তার লাশ উদ্ধার করে বগুড়া শহীদ জিয়াউর রহমান মেডিকেলে ময়নাতদন্তের জন্য পাঠিয়েছে থানা পুলিশ। বগুড়া সদর থানা পুলিশ জানিয়েছে, এদের মধ্যে মোজাহার আলীসহ দুজন হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে মারা গেছেন। বগুড়া সদর থানা সূত্রে জানা যায়, গত ৩১ জানুয়ারি রাতে পুরান বগুড়ায় বিয়ে বাড়িতে বেশ কয়েকজন বিষাক্ত মদ পান করেন। এ ছাড়া জেলা শহরের ভবের বাজার, কালিতলা, ফুলবাড়ি ও কাটনারপাড়া এলাকায় বিষাক্ত মদপান করে বেশ কয়েজন।

বগুড়া সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) হুমায়ূন কবির জানান, ঘটনার পর থেকে বিভিন্ন স্থানে অভিযান চালিয়ে মঙ্গলবার রাতে চারজন হোমিও ওষুধ ব্যবসায়ীকে গ্রেফতার করা হয়েছে। রেকটিফাইড স্পিরিটের সঙ্গে মিথানল মেশানোর কারণে সেটি বিষাক্ত হয়েছে বলে ধারণা করা হচ্ছে। -বাংলাদেশ প্রতিদিন

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়