প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

[১] কানাডার স্টুডেন্ট  ডাইরেক্ট স্ট্রিমে বাংলাদেশকে অন্তর্ভূক্ত করতে কূটনৈতিক উদ্যোগ গ্রহণের প্রস্তাব

সালেহ্ বিপ্লব: [২] এটা করা গেলে বিপুল সংখ্যক শিক্ষার্থীর কানাডায় পড়াশোনার সুযোগ তৈরি হবে। এ ব্যাপারে বাংলাদেশের যথাযথ কূটনৈতিক উদ্যোগ নেয়া উচিৎ বলে কানাডায় বসবাসরত বাংলাদেশি বিশেষজ্ঞরা মতামত দিয়েছেন।

[৩] কানাডার বাংলা পত্রিকা ‘নতুনদেশ’ এর প্রধান সম্পাদক শওগাত আলী সাগরের সঞ্চালনায় সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে সম্প্রচারিত ‘শওগাত আলী সাগর লাইভ’ এর আলোচনায় তারা এই অভিমত ব্যক্ত করেন। স্থানীয় সময় শুক্রবার রাতে অনুষ্ঠিত এই লাইভ আলোচনায় কানাডার বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে বাংলাদেশি শিক্ষার্থীদের সম্ভাবনা এবং বিভিন্ন সমস্যা তুলে ধরে আলোচনা করেন ব্যারিষ্টার চয়নিকা দত্ত, এডুকেশন কনসাল্টিং এজেন্ট কায়েসুর রহমান এবং রিয়েল্টর আলম মোড়ল।

[৪] বক্তারা বলেন, মাত্র ২০ কার্যদিবসে স্টাডি পারমিট সম্পন্ন করার সুযোগসম্বলিত কানাডা সরকারের বিশেষ উদ্যোগ ‘ স্টুডেন্ট ডিরেস্ট স্ট্রিম’ এ (এসডিএস) ভারত- পাকিস্তান অন্তর্ভূক্ত থাকলেও বাংলাদেশ সেখানে ঠাঁই পায়নি। ২০১৮ সালে চালু হওয়া কানাডা সরকারের বিশেষ এই প্রোগ্রামের আওতায় বিভিন্ন দেশ থেকে বিপুল সংখ্যক শিক্ষার্থী কানাডায় আসছে। মাত্র ১০ হাজার কানাডীয়ান ডলারের গ্যারান্টিড ইনভেস্টমেন্ট স্কিম কিনেই এই প্রোগ্রামের আওতায় ভিসার আবেদন করা যায়।

[৫] আলোচকরা বলেন, কানাডা এখন বিশ্বের বিভিন্ন দেশ থেকে বিদেশি শিক্ষার্থী নিচ্ছে। বিদেশি শিক্ষার্থী গ্রহণের হিসেবে কানাডা এখন বিশ্বের তৃতীয় বৃহত্তম দেশ। এই দেশে তৈরি হওয়া বিপুল সুযোগ কাজে লাগানোর জন্য কূটনৈতিক উদ্যোগ প্রয়োজন বলে তারা মনে করেন।

[৬] ব্যারিস্টার চয়নিকা দত্ত ’স্টুডেন্ট ডিরেক্ট স্ট্রিমে’ বাংলাদেশকে অন্তর্ভূক্ত করার লক্ষ্যে কানাডা সরকারের সাথে দেনদরবার করতে বাংলাদেশি কানাডীয়ানদের উদ্যোগে একটি কমিটি গঠনের প্রস্তাব দেন। তিনি বলেন, কানাডায় বাংলাদেশ দূতাবাস এই ব্যাপারে অগ্রনী ভূমিকা পালন করতে পারে। বাংলাদেশি কানাডীয়ান হিসেবে কানাডা সরকারের সাথে দেনদরবারে আমরা ভূমিকা রাখতে পারি। কায়েস রহমান বিদেশে পড়তে আগ্রহী শিক্ষার্থীদের জন্য বিশেষ ঋণ সুবিধা প্রবর্তনের প্রস্তাব করে বলেন, কানাডার বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের বিপুল সংখ্যক পাঞ্জাবের শিক্ষার্থী আছে। পাঞ্জাবের একটি ব্যাংক সহজ শর্তে তাদের ঋণ দিচ্ছে বলে মেধাবী সাধারণ পরিবারের শিক্ষার্থীরাও পশ্চিমের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে পড়াশোনা করতে পারছে।

[৭] রিয়েল্টর আলম মোড়ল বলেন, বাংলাদেশের শিক্ষার্থীরা অন্য অনেক দেশের চেয়েও স্মার্ট এবং মেধাবী। তাদের ইংরেজীও ভালো। কিন্তু যথাযথ তথ্যের অভাবে তারা বিদেশে পড়াশোনার সুযোগ কাজে লাগাতে পারে না। তিনি বিদেশে পড়তে আগ্রহী শিক্ষার্থীদের পৃষ্ঠপোষকতার জন্য রাষ্ট্রীয় উদ্যোগ দাবি জানান।

[৮] আলোচকরা আরও বলেন, কানাডা সরকারের ওয়েবসাইটে ইমিগ্রেশন এবং বিদেশি শিক্ষার্থীদের নানা ধরনের সুযোগসম্বলিত তথ্য আছে। এই তথ্যই সবচেয়ে নির্ভরযোগ্য।

এক্সক্লুসিভ রিলেটেড নিউজ

সর্বশেষ

সর্বাধিক পঠিত