প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

শরিফুল হাসান: বাংলাদেশ থেকে অর্থ পাচার করে কানাডায় আসা লোকের সংখ্যা কতজন হবে?

শরিফুল হাসান : আলিশান বাড়ির সামনে ড্রাইভওয়েতে হাল মডেলের দামি গাড়ি আর পেছনে নোঙর করা ব্যক্তিগত স্পিডবোট। বাড়ির পেছন দিয়ে বের হয়েই ব্যক্তিগত বোটে লেকে ঘুরে আসা যায়। কিংবা ড্রাইভওয়েতে পার্ক করে রাখা অতি দামি গাড়ি নিয়ে শাঁই শাঁই করে ছুটে যাওয়া যায় যেকোনো দিকে।
এমন দৃশ্যের বর্ণনা দিলে যে কেউ এটিকে কোনো সিনেমার দৃশ্য হিসেবেই বিবেচনা করবেন।

অথচ টরন্টো থেকে গার্ডিনার এক্সপ্রেস ধরে মাত্র ৪০ কিলোমিটারের দূরত্বে এমন সিনেমাটিক জীবন যাপন করছেন বেশ কিছু বাংলাদেশি। না, তাঁরা যে কানাডায় অনেক বছর ধরে আছেন, তুমুল জীবনসংগ্রামের পথ পাড়ি দিয়ে কিংবা ব্যবসা-বাণিজ্য করে নিজেদের প্রতিষ্ঠা করেছেন, তা নয়। তাঁদের অধিকাংশই কানাডায় এসেছেন গত কয়েক বছরে এবং বাড়িগুলো কেনা হয়েছে এ সময়েই। কানাডায় তাঁদের দৃশ্যমান তেমন আয়ের কোনো উৎস নেই। তাঁদের অধিকাংশই বাংলাদেশের সরকারি বিভিন্ন বিভাগের বর্তমান বা সাবেক কর্মকর্তা।

বাংলাদেশ থেকে অর্থ পাচার করে কানাডায় আসা লোকের সংখ্যা কতজন হবে? এই প্রশ্নের উত্তর দেওয়া কঠিন। বাংলাদেশ থেকে আসা সরকারি কর্মকর্তা কিংবা ব্যবসায়ী বা রাজনীতিকমাত্রই যে অর্থ পাচারকারী, তা নয়। কিন্তু সরকারের যুগ্ম সচিব পর্যায়ে চাকরিতে থাকা কেউ যদি টরন্টোর প্রাণকেন্দ্রে দেড় থেকে দুই মিলিয়ন ডলার নগদ মূল্যে আলিশান বাড়ি কিনে ফেলেন, তখন তাঁদের সন্দেহের চোখে দেখার যথেষ্ট কারণ থাকে।

 

এক্সক্লুসিভ রিলেটেড নিউজ

সর্বশেষ

সর্বাধিক পঠিত