প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

[১] আওয়ামী লীগ ও গণতন্ত্র একসঙ্গে যায় না : মির্জা ফখরুল

শাহানুজ্জামান টিটু : [২] বিএনপি মহাসচিব বলেন, আওয়ামী লীগের কেমিস্ট্রি হচ্ছে, তারা যে কোন মূল্যে ক্ষমতায় থেকে রাষ্ট্র পরিচালনা করবে। জাতিকে আবদ্ধ করে রাখতে যে সব আইন করা দরকার তা করেছে সরকার। উদ্দেশ্য একটাই যেন ভিন্নমত কথা বলতে না পারে এবং তাদের অপকর্মগুলো জনগণের কাছে প্রকাশিত না হয়।

[৩] মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেন, দেশে যেটা চলছে সেটা বিচ্ছিন্ন কোনো ঘটনা নয়। ১৯৭২ সালে তারা যখন ক্ষমতায় এসেছিলো তখনও তারা বিভিন্ন গণবিরোধী আইনের মাধ্যমে জনগণের কণ্ঠরোধ করেছে। এই পরিস্থিতি থেকে উত্তরণের জন্য বদলে দেওয়া ছাড়া কোনো উপায় নেই। বদলে দেওয়ার পথ একটাই আর সেটি হচ্ছে আন্দোলন। আমাদের সেই সংগ্রামেকে এগিয়ে নিয়ে ঐক্যবদ্ধভাবে এই ফ্যাসিস্ট সরকারকে পরাজিত করতে হবে।

[৪] তিনি বলেন, আমাদের মনে রাখতে হবে এরা মোটেও শক্তিশালী না। যারা দিনের ভোট রাতে করে মিথ্যার ওপর ভিত্তি করে টিকে থাকে তারা কখনোই শক্তিশালী হতে পারে না।

[৫] বিএনপি মহাসচিব বলেন, বিশ্বে কর্তৃত্ববাদী সরকারের প্রবণতা বেড়েছে এবং বাংলাদেশও তার বাহিরে নয়। গণতন্ত্র এখন আগের জায়গায় নেই। বৈশ্বিক কারণে গণতন্ত্র পেছনের দিকে চলে গেছে। যে আমেরিকাকে গণতন্ত্রের আতুরঘর বলা হয় সেখানে ট্রাম্প ক্ষমতায় আসার পর কিভাবে গণমাধ্যমের বিরুদ্ধে অবস্থান নিয়েছেন। আমেরিকার মত ঐতিহ্যবাহী গণতান্ত্রিক দেশের রাষ্ট্র প্রধানের কাছ থেকে যেটা কখনো কাম্য নয়।

[৬] তিনি বলেন, গণতন্ত্রের অন্যতম মূল ভিত্তি সাংবাদিকতা। নানা প্রতিকূলতার মধ্যেও সাংবাদিকরা গণতান্ত্রিক আন্দোলনের অগ্রভাগে আছেন। আসুন, আমরা ঐক্যবদ্ধভাবে শক্তিশালী আন্দোলনের মাধ্যমে এই অগণতান্ত্রিক সরকারকে পরাজিত করে একটি জবাবদিহিতামূলক জনগনের সরকার প্রতিষ্ঠা করি।

[৭] শনিবার ঢাকা সাংবাদিক ইউনিয়নের ‘মুক্ত সাংবাদিকতার অন্তর্ধান দিবস’ উপলক্ষে আয়োজিত ভার্চ্যুয়াল আলোচনায় বিএনপি মহাসচিব এ কথা বলেন।

[৮] ঢাকা সাংবাদিক ইউনিয়নের সভাপতি কাদের গনি চৌধুরীর সভাপতিত্বে ও সাধারণ সম্পাদক শহিদুল ইসলামের সঞ্চলনায় বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর সেক্রেটারি জেনারেল অধ্যাপক মিয়া গোলাম পরওয়ার, বাংলাদেশ ফেডারেল সাংবাদিক ইউনিয়নের সভাপতি রুহুল আমিন গাজীসহ সাংবাদিক নেতারা বক্তব্য রাখেন। সম্পাদনা : রায়হান রাজীব

এক্সক্লুসিভ রিলেটেড নিউজ

সর্বশেষ

সর্বাধিক পঠিত