শিরোনাম
◈ রাজশাহীতে মাদকাসক্ত ছেলের হাতে মায়ের নৃশংস হত্যাকাণ্ড ◈ কুখ্যাত এপস্টেইন নথিতে বাংলাদেশের গবেষণা প্রতিষ্ঠান ◈ নির্বাচনের আগে বাংলাদেশের সংখ্যালঘুরা কেন শঙ্কিত? ◈ জানুয়ারিতে রেমিট্যান্সে নতুন রেকর্ড, এলো ৩.১৭ বিলিয়ন ডলার ◈ কুৎসা রটিয়ে, বিভ্রান্তি ছড়িয়ে এবং ধাপ্পা দিয়ে জনগণের ভোট নেওয়া যায় না : মির্জা আব্বাস  ◈ প্রতারক চক্রের ফোনকলে সাড়া না দিতে নির্বাচন কমিশনের আহ্বান ◈ কিশোরগঞ্জ পাসপোর্ট অফিসে দালালচক্রের বিরুদ্ধে র‍্যাবের অভিযান, ২০ জনের কারাদণ্ড ◈ নোয়াখালীতে বিএনপির বিদ্রোহী প্রার্থীর নির্বাচনী কার্যালয়ে হামলা-ভাঙচুর ◈ পর্যন্ত ১৮ কোটি মানুষের অধিকার নিশ্চিত না হওয়া পযর্ন্ত ততদিন চব্বিশ চলবে: শেরপুরে শফিকুর রহমান ◈ কালীগঞ্জ উপজেলা ও পৌর যুবদলের আহব্বায়ক সহ ৮ নেতা বহিষ্কার

প্রকাশিত : ০২ জুলাই, ২০২০, ০৩:৪১ রাত
আপডেট : ০২ জুলাই, ২০২০, ০৩:৪১ রাত

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

[১] কি ভাবে বাঁচবে এই অবুঝ শিশুটি!

বিপ্লব বিশ্বাস: [২] পিরোজপুর কাউখালীর কাঠালিয়া গ্রাম। বুধবার দুপুর ১২ টার দিকে বিদ্যুৎপৃষ্ঠ হয়ে মৃত্যুর কোলে ঢলে পড়লেন আজহার আলী (৭০) এবং তার স্ত্রী রেনু বেগম( ৬৫)। সাথে বিদ্যুৎ পিষ্ট হলেন দুই বছর বয়সী তাদের নাতি ইয়াসিন। আজহার আলী এবং রেনু বেগমের মৃত্যুতে যতটা না মানুষ শোকাহত, মর্মাহত স্থানীয়রা। তার চেয়েও বেশি মর্মাহত এবং কষ্টাহত হয়েছে শিশু ইয়াসিনের আর্তনাদ দেখে।

[৩] এতিম শিশুটির মা ও মারা গেছেন কয়েকমাস আগে। মৃগীরোগের কারণে পুকুরের পানিতে নিয়ে যায় তার প্রান। শিশুটির বাবা গার্মেন্টসে চাকরি করেন চট্টগ্রামে। মাকে হারিয়ে এই পৃথিবীতে দাদা দাদীর কোলে ঠাই হয়েছিল ইয়াসিনের। ভাগ্যের নির্মম পরিহাস আজ সেই আশ্রয়স্থলটুকু নিয়ে নিল বিধাতা। এতিম অসহায় শিশুর আশ্রয় স্থল কি হবে ও কোথায় যাবে।

[৪] বিদ্যুতপৃষ্ট হয়ে আহত ইয়াসিনকে উন্নত চিকিৎসার জন্য প্রথমে নিয়ে যাওয়া হয় কাউখালী হাসপাতালে। অবস্থা উন্মতি না হওয়ায় উন্মত চিকিৎসার জন্য উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোছাঃ খালেদা খাতুন রেখা এবং স্থানীয় বাসিন্দা আব্দুল লতিফ খসরু সহায়তায় নিয়ে যাওয়া হয় বরিশাল শের ই বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে। চিকিৎসা শেষে ডাক্তার তাকে ঝুঁকিমুক্ত ঘোষণা করেন। পরে তাকে নিয়ে কাউখালীতে ফিরেন খসরু।

[৫] অপালক দৃষ্টিতে তাকিয়ে ছোট কুড়ে ঘরের এক কোনে বসে হামাঘুরি দিয়ে এদিক সেদিকে হাতরিয়ে বেরিয়ে খুঁজছে তার দাদি দাদিকে। শিশুটির আর্তনাদে উপস্থিত কেউই চোখের পানি আটকে রাখতে পারেনি। অন্যদিকে শত চেষ্টা করেও শিশুটির আহাজারি থামাতে পারছে না কেউ।

 

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়