শিরোনাম
◈ গ্যাস-তেল অনুসন্ধানে সক্ষমতা বাড়াচ্ছে সরকার, ৬৯টি কূপ খনন করবে বাপেক্স ◈ অনিশ্চয়তায় প‌ড়ে‌ছে আদ্-দ্বীন হাসপাতালের ভর্তি রোগীরা, লাইসেন্স বাতিল ঘিরে বিতর্ক ◈ সীমান্তে ‘শূন্য সহনশীলতা’ নীতি অনুসরণে পুনরায় প্রতিশ্রুতিবদ্ধ বাংলাদেশ-ভারত ◈ ‘সুপার’ এল নিনোর আনুষ্ঠানিক আগমন, পরিস্থিতি দ্রুতই ভয়ংকর হতে পারে: বিজ্ঞানীরা ◈ কোনো জাতি এমনি এমনি উন্নত হতে পারে না, আমাদের উন্নয়নে চীন সহযোগিতা করছে: মির্জা ফখরুল ◈ বাজেটে জনগণের প্রত্যাশার প্রতিফলন হয়েছে: অর্থমন্ত্রী ◈ করের ক্ষেত্রে যে আটটি পরিবর্তন আসছে ◈ "ইরানের সঙ্গে যুদ্ধ শেষের ঘোষণা ট্রাম্পের, সামরিক অভিযান থেকে সরে এসে বললেন, চুক্তি ‘প্রায় চূড়ান্ত’, ইউরোপে সই হবে" ◈ ভারত ও বাংলাদেশ একসঙ্গে কাজ করলে বিশ্বশক্তিতে পরিণত হতে পারে: দিনেশ ত্রিবেদী ◈ ধৃষ্টতা সকল সীমা ছাড়িয়েছ’; অভিনেত্রী শাওনকে নিয়ে তাজুল ইসলামের ক্ষোভ

প্রকাশিত : ০২ জুলাই, ২০২০, ০৩:৪১ রাত
আপডেট : ০২ জুলাই, ২০২০, ০৩:৪১ রাত

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

[১] কি ভাবে বাঁচবে এই অবুঝ শিশুটি!

বিপ্লব বিশ্বাস: [২] পিরোজপুর কাউখালীর কাঠালিয়া গ্রাম। বুধবার দুপুর ১২ টার দিকে বিদ্যুৎপৃষ্ঠ হয়ে মৃত্যুর কোলে ঢলে পড়লেন আজহার আলী (৭০) এবং তার স্ত্রী রেনু বেগম( ৬৫)। সাথে বিদ্যুৎ পিষ্ট হলেন দুই বছর বয়সী তাদের নাতি ইয়াসিন। আজহার আলী এবং রেনু বেগমের মৃত্যুতে যতটা না মানুষ শোকাহত, মর্মাহত স্থানীয়রা। তার চেয়েও বেশি মর্মাহত এবং কষ্টাহত হয়েছে শিশু ইয়াসিনের আর্তনাদ দেখে।

[৩] এতিম শিশুটির মা ও মারা গেছেন কয়েকমাস আগে। মৃগীরোগের কারণে পুকুরের পানিতে নিয়ে যায় তার প্রান। শিশুটির বাবা গার্মেন্টসে চাকরি করেন চট্টগ্রামে। মাকে হারিয়ে এই পৃথিবীতে দাদা দাদীর কোলে ঠাই হয়েছিল ইয়াসিনের। ভাগ্যের নির্মম পরিহাস আজ সেই আশ্রয়স্থলটুকু নিয়ে নিল বিধাতা। এতিম অসহায় শিশুর আশ্রয় স্থল কি হবে ও কোথায় যাবে।

[৪] বিদ্যুতপৃষ্ট হয়ে আহত ইয়াসিনকে উন্নত চিকিৎসার জন্য প্রথমে নিয়ে যাওয়া হয় কাউখালী হাসপাতালে। অবস্থা উন্মতি না হওয়ায় উন্মত চিকিৎসার জন্য উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোছাঃ খালেদা খাতুন রেখা এবং স্থানীয় বাসিন্দা আব্দুল লতিফ খসরু সহায়তায় নিয়ে যাওয়া হয় বরিশাল শের ই বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে। চিকিৎসা শেষে ডাক্তার তাকে ঝুঁকিমুক্ত ঘোষণা করেন। পরে তাকে নিয়ে কাউখালীতে ফিরেন খসরু।

[৫] অপালক দৃষ্টিতে তাকিয়ে ছোট কুড়ে ঘরের এক কোনে বসে হামাঘুরি দিয়ে এদিক সেদিকে হাতরিয়ে বেরিয়ে খুঁজছে তার দাদি দাদিকে। শিশুটির আর্তনাদে উপস্থিত কেউই চোখের পানি আটকে রাখতে পারেনি। অন্যদিকে শত চেষ্টা করেও শিশুটির আহাজারি থামাতে পারছে না কেউ।

 

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়