শিরোনাম
◈ ব্যক্তির স্বৈরাচার হওয়া রোধের জন্যই আইনসভার উচ্চকক্ষ: অধ্যাপক আলী রীয়াজ ◈ ইরানের রাজধানী তেহরানের একটি মর্গেই ১৮২ মরদেহ, ভিডিও ভাইরাল ◈ নির্বাচনে চাপমুক্ত দায়িত্ব পালনের নিশ্চয়তা চায় পুলিশ: ভোটের নিরাপত্তা নিয়ে বাড়ছে শঙ্কা ◈ বিদ্রোহী প্রার্থীর চাপে বিএনপি, সামাল দিতে না পারলে হিতে বিপরীত হতে পারে  ◈ আমার সব সম্পত্তি হাতিয়ে নিয়েছে, ডিভোর্সের পর প্রাক্তন স্বামীকে নিয়ে বিস্ফোরক বক্সার মেরি কম ◈ বাংলাদেশি আম্পায়ার ভারতে আসতে পারলে বাংলাদেশ দল কেন বিশ্বকাপ খেলতে পারবে না: ভারতীয় গণমাধ্যমগুলোর দা‌বি ◈ ফুটবলে দর্শককে লাল কার্ড দেখি‌য়ে নজীরবিহীন ঘটনার জম্ম দি‌লেন রেফা‌রি ◈ মার্কিন নাগরিকদের দ্রুত ইরান ত্যাগের নির্দেশ যুক্তরাষ্ট্রের ◈ নিউইয়র্ক সিটিতে বিক্ষোভ: পাশে দাঁড়ালেন মামদানি ◈ বার্সার কাছে হারের পর জাবি আলোনসোকে বরখাস্ত করল রিয়াল মাদ্রিদ

প্রকাশিত : ০২ জুলাই, ২০২০, ০৩:৪১ রাত
আপডেট : ০২ জুলাই, ২০২০, ০৩:৪১ রাত

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

[১] কি ভাবে বাঁচবে এই অবুঝ শিশুটি!

বিপ্লব বিশ্বাস: [২] পিরোজপুর কাউখালীর কাঠালিয়া গ্রাম। বুধবার দুপুর ১২ টার দিকে বিদ্যুৎপৃষ্ঠ হয়ে মৃত্যুর কোলে ঢলে পড়লেন আজহার আলী (৭০) এবং তার স্ত্রী রেনু বেগম( ৬৫)। সাথে বিদ্যুৎ পিষ্ট হলেন দুই বছর বয়সী তাদের নাতি ইয়াসিন। আজহার আলী এবং রেনু বেগমের মৃত্যুতে যতটা না মানুষ শোকাহত, মর্মাহত স্থানীয়রা। তার চেয়েও বেশি মর্মাহত এবং কষ্টাহত হয়েছে শিশু ইয়াসিনের আর্তনাদ দেখে।

[৩] এতিম শিশুটির মা ও মারা গেছেন কয়েকমাস আগে। মৃগীরোগের কারণে পুকুরের পানিতে নিয়ে যায় তার প্রান। শিশুটির বাবা গার্মেন্টসে চাকরি করেন চট্টগ্রামে। মাকে হারিয়ে এই পৃথিবীতে দাদা দাদীর কোলে ঠাই হয়েছিল ইয়াসিনের। ভাগ্যের নির্মম পরিহাস আজ সেই আশ্রয়স্থলটুকু নিয়ে নিল বিধাতা। এতিম অসহায় শিশুর আশ্রয় স্থল কি হবে ও কোথায় যাবে।

[৪] বিদ্যুতপৃষ্ট হয়ে আহত ইয়াসিনকে উন্নত চিকিৎসার জন্য প্রথমে নিয়ে যাওয়া হয় কাউখালী হাসপাতালে। অবস্থা উন্মতি না হওয়ায় উন্মত চিকিৎসার জন্য উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোছাঃ খালেদা খাতুন রেখা এবং স্থানীয় বাসিন্দা আব্দুল লতিফ খসরু সহায়তায় নিয়ে যাওয়া হয় বরিশাল শের ই বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে। চিকিৎসা শেষে ডাক্তার তাকে ঝুঁকিমুক্ত ঘোষণা করেন। পরে তাকে নিয়ে কাউখালীতে ফিরেন খসরু।

[৫] অপালক দৃষ্টিতে তাকিয়ে ছোট কুড়ে ঘরের এক কোনে বসে হামাঘুরি দিয়ে এদিক সেদিকে হাতরিয়ে বেরিয়ে খুঁজছে তার দাদি দাদিকে। শিশুটির আর্তনাদে উপস্থিত কেউই চোখের পানি আটকে রাখতে পারেনি। অন্যদিকে শত চেষ্টা করেও শিশুটির আহাজারি থামাতে পারছে না কেউ।

 

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়