শিরোনাম
◈ নারী প্রশ্ন, ভোটার মাইগ্রেশন ও পাল্টাপাল্টি অভিযোগে নির্বাচনি রাজনীতিতে উত্তাপ ◈ চট্টগ্রাম বন্দরে শ্রমিক কর্মবিরতির পর কড়া ব্যবস্থা, সরাসরি বুকিং ও সভা-সমাবেশ নিষিদ্ধ, বিএনপিপন্থী চার নেতা বদলি ◈ বিশ্ববিদ্যালয়ের হলে উপমার লাশ, হিসাব মিলছে না কারও ◈ অস্ট্রেলিয়াকে হোয়াইটওয়াশ করলো পাকিস্তান ◈ তুরস্ক ভিসা এখন ঢাকায়: কোথায়, কখন, কত ফি—সব তথ্য এক নজরে ◈ জুলাই সনদে গণভোট: ‘হ্যাঁ’ জিতলে সংস্কার, ‘না’ জিতলে কী হবে? ◈ যুক্তরাষ্ট্র থেকে মোংলা বন্দরে এলো ৫৭ হাজার টন গম ◈ মি‌ডিয়ার বিরু‌দ্ধে এমন সিদ্ধান্ত কে‌নো? বিসিবির কোন নিরাপত্তা ব্যাহত হয়েছে, জানতে চান সাংবাদিকেরা  ◈ যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে নির্বাচনের ৩ দিন আগে শুল্ক চুক্তি করবে অন্তর্বর্তী সরকার ◈ রাজশাহীতে মাদকাসক্ত ছেলের হাতে মায়ের নৃশংস হত্যাকাণ্ড

প্রকাশিত : ০২ জুলাই, ২০২০, ০৩:৪১ রাত
আপডেট : ০২ জুলাই, ২০২০, ০৩:৪১ রাত

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

[১] কি ভাবে বাঁচবে এই অবুঝ শিশুটি!

বিপ্লব বিশ্বাস: [২] পিরোজপুর কাউখালীর কাঠালিয়া গ্রাম। বুধবার দুপুর ১২ টার দিকে বিদ্যুৎপৃষ্ঠ হয়ে মৃত্যুর কোলে ঢলে পড়লেন আজহার আলী (৭০) এবং তার স্ত্রী রেনু বেগম( ৬৫)। সাথে বিদ্যুৎ পিষ্ট হলেন দুই বছর বয়সী তাদের নাতি ইয়াসিন। আজহার আলী এবং রেনু বেগমের মৃত্যুতে যতটা না মানুষ শোকাহত, মর্মাহত স্থানীয়রা। তার চেয়েও বেশি মর্মাহত এবং কষ্টাহত হয়েছে শিশু ইয়াসিনের আর্তনাদ দেখে।

[৩] এতিম শিশুটির মা ও মারা গেছেন কয়েকমাস আগে। মৃগীরোগের কারণে পুকুরের পানিতে নিয়ে যায় তার প্রান। শিশুটির বাবা গার্মেন্টসে চাকরি করেন চট্টগ্রামে। মাকে হারিয়ে এই পৃথিবীতে দাদা দাদীর কোলে ঠাই হয়েছিল ইয়াসিনের। ভাগ্যের নির্মম পরিহাস আজ সেই আশ্রয়স্থলটুকু নিয়ে নিল বিধাতা। এতিম অসহায় শিশুর আশ্রয় স্থল কি হবে ও কোথায় যাবে।

[৪] বিদ্যুতপৃষ্ট হয়ে আহত ইয়াসিনকে উন্নত চিকিৎসার জন্য প্রথমে নিয়ে যাওয়া হয় কাউখালী হাসপাতালে। অবস্থা উন্মতি না হওয়ায় উন্মত চিকিৎসার জন্য উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোছাঃ খালেদা খাতুন রেখা এবং স্থানীয় বাসিন্দা আব্দুল লতিফ খসরু সহায়তায় নিয়ে যাওয়া হয় বরিশাল শের ই বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে। চিকিৎসা শেষে ডাক্তার তাকে ঝুঁকিমুক্ত ঘোষণা করেন। পরে তাকে নিয়ে কাউখালীতে ফিরেন খসরু।

[৫] অপালক দৃষ্টিতে তাকিয়ে ছোট কুড়ে ঘরের এক কোনে বসে হামাঘুরি দিয়ে এদিক সেদিকে হাতরিয়ে বেরিয়ে খুঁজছে তার দাদি দাদিকে। শিশুটির আর্তনাদে উপস্থিত কেউই চোখের পানি আটকে রাখতে পারেনি। অন্যদিকে শত চেষ্টা করেও শিশুটির আহাজারি থামাতে পারছে না কেউ।

 

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়