শিরোনাম
◈ ভোটগ্রহণ শেষ, এবার অপেক্ষা ফলাফলের ◈ দুপুর পর্যন্ত নির্বাচনে ৪৮৬ কেন্দ্রে বিশৃঙ্খলা, ৫৯ কেন্দ্রে জালভোট ◈ দুপুরের পর বিভিন্ন কেন্দ্রে ভোটারদের দীর্ঘ সারি, উৎসবমুখর ভোটগ্রহণ ◈ গণতান্ত্রিক অভিযাত্রার গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায় আজকের এই নির্বাচন: তারেক রহমান ◈ সিইসির সঙ্গে বৈঠকে ১১ দলীয় জোটের প্রতিনিধি দল ◈ ভোট ডাকাতি হলে আব্বাসের রাজত্ব খানখান করে দেওয়ার হুঁশিয়ারি নাসীরুদ্দীনের ◈ পুলিশ সদর দপ্তরে কন্ট্রোল রুম থেকে ভোটের চিত্র পর্যবেক্ষণ করলেন প্রধান উপদেষ্টা ◈ দুপুর ১২টা পর্যন্ত দেশের ৩২ হাজার ৭৮৯ কেন্দ্রে ভোট পড়েছে ৩২.৮৮ শতাংশ: ইসি সচিব ◈ দুপুরে এনসিপির জরুরি সংবাদ সম্মেলন ◈ ক্ষমতায় এলে ভারতের সঙ্গে সুসম্পর্ককে ‘অগ্রাধিকার’ দেবে জামায়াত: এনডিটিভিকে শফিকুর রহমান

প্রকাশিত : ০২ জুলাই, ২০২০, ০৩:৪১ রাত
আপডেট : ০২ জুলাই, ২০২০, ০৩:৪১ রাত

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

[১] কি ভাবে বাঁচবে এই অবুঝ শিশুটি!

বিপ্লব বিশ্বাস: [২] পিরোজপুর কাউখালীর কাঠালিয়া গ্রাম। বুধবার দুপুর ১২ টার দিকে বিদ্যুৎপৃষ্ঠ হয়ে মৃত্যুর কোলে ঢলে পড়লেন আজহার আলী (৭০) এবং তার স্ত্রী রেনু বেগম( ৬৫)। সাথে বিদ্যুৎ পিষ্ট হলেন দুই বছর বয়সী তাদের নাতি ইয়াসিন। আজহার আলী এবং রেনু বেগমের মৃত্যুতে যতটা না মানুষ শোকাহত, মর্মাহত স্থানীয়রা। তার চেয়েও বেশি মর্মাহত এবং কষ্টাহত হয়েছে শিশু ইয়াসিনের আর্তনাদ দেখে।

[৩] এতিম শিশুটির মা ও মারা গেছেন কয়েকমাস আগে। মৃগীরোগের কারণে পুকুরের পানিতে নিয়ে যায় তার প্রান। শিশুটির বাবা গার্মেন্টসে চাকরি করেন চট্টগ্রামে। মাকে হারিয়ে এই পৃথিবীতে দাদা দাদীর কোলে ঠাই হয়েছিল ইয়াসিনের। ভাগ্যের নির্মম পরিহাস আজ সেই আশ্রয়স্থলটুকু নিয়ে নিল বিধাতা। এতিম অসহায় শিশুর আশ্রয় স্থল কি হবে ও কোথায় যাবে।

[৪] বিদ্যুতপৃষ্ট হয়ে আহত ইয়াসিনকে উন্নত চিকিৎসার জন্য প্রথমে নিয়ে যাওয়া হয় কাউখালী হাসপাতালে। অবস্থা উন্মতি না হওয়ায় উন্মত চিকিৎসার জন্য উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোছাঃ খালেদা খাতুন রেখা এবং স্থানীয় বাসিন্দা আব্দুল লতিফ খসরু সহায়তায় নিয়ে যাওয়া হয় বরিশাল শের ই বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে। চিকিৎসা শেষে ডাক্তার তাকে ঝুঁকিমুক্ত ঘোষণা করেন। পরে তাকে নিয়ে কাউখালীতে ফিরেন খসরু।

[৫] অপালক দৃষ্টিতে তাকিয়ে ছোট কুড়ে ঘরের এক কোনে বসে হামাঘুরি দিয়ে এদিক সেদিকে হাতরিয়ে বেরিয়ে খুঁজছে তার দাদি দাদিকে। শিশুটির আর্তনাদে উপস্থিত কেউই চোখের পানি আটকে রাখতে পারেনি। অন্যদিকে শত চেষ্টা করেও শিশুটির আহাজারি থামাতে পারছে না কেউ।

 

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়