প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

বাংলাদেশে কালো আয়ের অর্থনীতির ধারাটি খুবই শক্তিশালী

সাইদুর রহমান শামীম : জীবনের সঙ্গে জীবিকার সহবাস, গরিবের পেটে অন্ন, সবাইকে বাঁচানোর সুযোগ, এসব পিতলা পিরিতির টানে ফুটপাথের দোকান, হকারি বা গণপরিবহন খোলার অনুমতি দেওয়া হয়েছে, এমনটা যদি ভেবে থাকেন তাহলে আপনি প্রমাণ সাইজের বরাহনন্দন। বাংলাদেশে গরিব, মেহনতী মানুষের দোহাই দিয়ে অনেক কিছু করা হয়, এটাও তারই একটি। বাসার কাছে ফুটপাথে জমে গেছে হকারি কারবার, শারীরিক দূরত্বের কোনোই বালাই নেই।

 

আবার জমজমাট সিএনজি স্ট্যান্ড, গায়ে গা লাগিয়ে সিএনজি ও তার চালকরা দাঁড়িয়ে। রিকশা এবং ব্যাটারিচালিত রিকশা স্ট্যান্ডও ফিরেছে। এই ফেরায় চাঁদাবাজরাই সবচেয়ে লাভবান। দেড় মাসের লকডাউনে তাদের আয় বন্ধ হয়েছিলো। জীবন ও জীবিকার মেলবন্ধনের দোহাই দিয়ে তারা আবার পকেট ভরার সুযোগ পেলো। সড়ক পরিবহন চাঁদাবাজ নেতা ভাইরা, আপনারাও বঞ্চিত হবেন না। দুয়েকদিনের মধ্যেই জীবন জীবিকার দোহাই দিয়ে রাস্তায় বাস নামবে।

 

রাস্তায় বাস নামিয়ে দিতে পারলেই তো বাসপিছু ৮০০ থেকে ১২০০ টাকা শ্রমিক কল্যাণ তহবিলের চাঁদা আপনাদের পকেটে। তারপর ঈদ বকশিস, চড়া দামে টিকিট বিক্রি, লকডাউন থাকলে এই উপরি আয় হতো? বাংলাদেশে কালো আয়ের অর্থনীতির এই ধারাটি খুবই শক্তিশালী। এর অস্তিত্ব ও বাস্তবতাকে বুঝতে না পারলে আমরা আমজনতারা মায়ের স্তন্যদুগ্ধ পান বঞ্চিত তৃতীয় বরাহনন্দনই থেকে যাবো। ফেসবুক থেকে

এক্সক্লুসিভ রিলেটেড নিউজ

সর্বশেষ

সর্বাধিক পঠিত