প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

[১] করোনা ভাইরাসের প্রভাবে আমতলীতে এন্টিসেপ্টিক নেই

আমতলী (বরগুনা) প্রতিনিধি : [২] করোনা ভাইরাস প্রভাবে আমতলী উপজেলার ঔষধের দোকানে এন্টিসেপ্টিক নেই। হন্য হয়ে খুজছে মানুষ। কিছুটা থাকলেও অসাধু ব্যবসায়ীরা দ্বিগুন মুল্যে বিক্রি করছে এমন অভিযোগ ক্রেতাদের।

[৩] জানাগেছে, করোনা ভাইরাস ছড়িয়ে পড়ার পর থেকেই আমতলী উপজেলার ঔষধের দোকানে কোন এন্টিসেপ্টিক নেই। দুই একটি দোকানে থাকলেও তারা উচ্চ মূল্যে বিক্রি করছে। করোনা ভাইরাস প্রতিরোধক এন্টিসেপ্টিক হেক্সিসল, হ্যান্ডওয়াস, ডেটল, স্যাভলন,হ্যান্ড গ্লাবস ও মাস্ক পাওয়া যাচ্ছে না। হাসপাতাল সড়কের আল আমিন মেডিকেল হল, হাওলাদার মেডিকেল হল, সুলভ মেডিকেল হল, সুরক্ষা মেডিকেল হল, একে স্কুল সড়কের খান মেডিকেল হল, রহমান মেডিকেল হল ও নুর মেডিকেল হলসহ বিভিন্ন ঔষদের দোকান ঘুরে দেখা গেছে কোনো দোকানেই এন্টিসেপ্টিক নেই।

[৪] এদিকে হাসপাতাল সড়কের রায় মেডিকেল হলে উচ্চ মূল্যে এন্টিসেপ্টিক ও ঔষধ বিক্রি করছে এমন অভিযোগ ঔষধ ক্রেতা মোঃ আব্দুল্লাহ আল মোমেন নিজাম নামের এক শিক্ষকের। তিনি বলেন, রায় মেডিকেল হলের মালিক শ্যামল কুমার রায় ফেনাট নামের ৪৫ টাকা দামের একটি সিরাপ ৫৫ টাকা আমার কাছে বিক্রি করেছে।
আমতলী বাঁধঘাট বটতলা এলাকার ফাতেমা মেডিকেল হলের মালিক মোঃ নুরুল ইসলাম কাওসার বলেন, ঔষধ কোম্পানী গুলোর সরবরাহ না করায় এন্টিসেপ্টিক নেই। মানুষের প্রচুর চাহিদা থাকলেও দিতে পারছি না।

[৫] আমতলী উপজেলা ঔষধ ব্যবসায়ী সমিতির সাধারণ সম্পাদক মোঃ হুমায়ূন কবির বলেন, ঔষধ কোম্পানীগুলো ঔষধের মুল্য বৃদ্ধি করায় ঔষধ ব্যবসায়ীদের বেশী দামে বিক্রি করতে হচ্ছে। তিনি আরো বলেন, এন্টিসেপ্টিকের প্রচুর চাহিদা রয়েছে কিন্তু সরবরাহ নেই।

[৬] আমতলী উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা শংকর প্রসাদ অধিকারী বলেন, ঔষধ ব্যবসায়ীরা বেশী দামে ঔষধ বিক্রি করলে ইউএনও মনিরা পারভীনকে নিয়ে ভ্রাম্যমান আদালত পরিচালনা করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেয়া হবে।

[৭] আমতলী উপজেলা নির্বাহী অফিসার মনিরা পারভীন বলেন, এই মুহুর্তে লেভেলে লেখা মূল্য ছাড়া বেশী দামে ঔষধ বিক্রি করতে পারবে ন। উচ্চ মূল্যে ঔষধ ও এন্টিসেপ্টিক বিক্রি করলে আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হবে। সম্পাদনা: জেরিন আহমেদ

এক্সক্লুসিভ রিলেটেড নিউজ

সর্বশেষ

সর্বাধিক পঠিত