শিরোনাম
◈ মগবাজার পেয়ারাবাগে এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ে ও চার লেন রেলপথের কাজ চলতে বাধা নেই ◈ মালয়েশিয়ায় চিকিৎসা শেষে দেশে ফিরলেন মির্জা আব্বাস ◈ ইসরায়েলে ইনটেলের সেমিকন্ডাক্টর কারখানায় বিস্ফোরণ, ছড়িয়ে পড়েছে বিষাক্ত রাসায়নিক পদার্থ ◈ স্কুলে ভর্তিতে বয়স নির্ধারণ, কোন শ্রেণিতে কত বছর হতে হবে যা জানাগেল ◈ কুমিল্লা মহানগর জামায়াতের কমিটি নিয়ে দ্বন্দ্ব, সেক্রেটারির গাড়ি ভাঙচুর-হামলা ◈ ডেঙ্গু প্রতিরোধে সপ্তাহে দুদিন ঘরবাড়ি পরিষ্কারের আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর ◈ এভিয়েশন খাতে বিনিয়োগে আগ্রহী ইতালি, বাংলাদেশে গড়তে চায় এমআরও হাব ◈ রাশিয়ার পর বাংলাদেশের পারমাণবিক বিদ্যুৎ খাতে চীন-যুক্তরাষ্ট্রের নজর ◈ বুক কাঁপছে আতঙ্কে, তবু থামছে না জীবিকার লড়াই : জীবিকার টানে সৌদি ফিরছেন প্রবাসীরা ◈ রাত গভীর হলেই বাড়ে বিদ্যুতের চাহিদা, ৩ হাজার মেগাওয়াট যাচ্ছে কোথায়?

প্রকাশিত : ২৩ মার্চ, ২০২০, ০৮:৩২ সকাল
আপডেট : ২৩ মার্চ, ২০২০, ০৮:৩২ সকাল

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

একমাস পর যখন সন্তানকে দেখতে পাবেন তখন তাকে বুকে জড়ানো যাবে না, দূর থেকে কেবল একবার দেখা যাবে, এমন দিনও আসবে কে ভেবেছে কবে?

 

নাজনীন মুন্নী: এক মাস পর যখন সন্তানকে দেখতে পাবেন তখন তাকে বুকে জড়ানো যাবে না। দূর থেকে কেবল একবার দেখা যাবে। এমন দিনও আসবে কে ভেবেছে কবে? স্যুটকেসভর্তি তার জিনিস। চকলেটটা, তার অনেক চাওয়া গল্পের বইটা কোনো কিছু তার হাতে দেওয়া যাচ্ছে না। আমি আতঙ্ক নিয়ে সেগুলোর দিকে তাকিয়ে আছি। আসলেই কী তাকে দেওয়া যাবে এগুলো? তার কাছ থেকে, পুরো পরিবার... এমনকি পুরো ভবনের সবার কাছ থেকে আলাদা আছি। একা একটা পুরো বাসায়। বাকি রুমগুলো খা খা করছে।

এমন দিনও আসার কথা তাহলে? অথচ আমি জানি আমি সুস্থ। তারপরও এই নির্বাসন। কারণ আমি আমার পরিবারের চেয়েও দেশটাকে ভালোবাসি। ভালোবাসি এ দেশের প্রতিটা মানুষকে। আমার জন্য তাদের কারও ক্ষতি না হোক। কেবল একটা জিনিসই বুঝলাম না গোসল করার সঙ্গে সঙ্গে কোয়ারেন্টাইনের সিলটা উঠে গেলো কেন? বিষয়টার কোথাও কী কোনো মশকরা আছে? ফেসবুক থেকে

  • সর্বশেষ