শিরোনাম
◈ নারী ত্রিদেশীয় সিরিজের বাংলাদেশ অনূর্ধ্ব-১৯ দল ঘোষণা ◈ ইরান যুদ্ধ ও জ্বালানি সংকটের মধ্যেও ২০২৬ সালে বিশ্ব অর্থনীতির প্রবৃদ্ধি ২.৯%: OECD ◈ পণ্য খালাসের সময় ও ব্যয় কমাতে সমন্বিত কর্মপরিকল্পনার তাগিদ বাণিজ্যমন্ত্রীর ◈ আগামী শুক্র ও শনিবার ব্যাংক খোলা ◈ রোহিঙ্গা সংকট সমাধানে ৫ দফা প্রস্তাব: জাতিসংঘের সাইডলাইন বৈঠকে প্রধানমন্ত্রীর জোরালো আহ্বান ◈ হুতিদের হামলা ঠেকাতে সৌদির অনুরোধে সাড়া নেই, ট্রাম্প-সালমান সম্পর্কে নতুন টানাপোড়েন ◈ গেটস ফাউন্ডেশনের সিইওর সঙ্গে প্রধানমন্ত্রীর বৈঠক, স্বাস্থ্যখাতে এআই ব্যবহারের পরিকল্পনা ◈ ১০ বছরে জ্বালানি তেল থেকে সরকারকে ১ লাখ ১৯ হাজার কোটি টাকা দিয়েছে বিপিসি ◈ লিভারপুলের অ্যানফিল্ড গুগল রেটিংয়ে এগিয়ে ◈ আফগান লিগে নাম লেখালেন তাসকিন

প্রকাশিত : ১৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৫, ০২:১১ রাত
আপডেট : ২০ আগস্ট, ২০২৬, ০৫:০০ সকাল

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

দুবাইয়ে বিকৃত যৌ.নাচার ব্যবসার চক্রের মুখোশ উন্মোচন এবার বিবিসির অনুসন্ধানে!

বিবিসি বাংলার একটি অনুসন্ধানী প্রতিবেদন থেকে জানা যায়, দুবাইয়ে 'পোরটা পট্টি' নামে একটি অবৈধ চক্র সক্রিয় রয়েছে, যারা অর্থের বিনিময়ে নারীদের যৌনকর্মে বাধ্য করে। এই চক্রের সাথে জড়িত উগান্ডার কয়েকজন নারীর অস্বাভাবিক মৃত্যু নিয়ে প্রতিবেদনটি তৈরি করা হয়েছে।

যখন একজন  উগান্ডার তরুণীর মৃত্যুর খবর ভাইরাল হয়, তখন  #DubaiPortaPotty-এর বিষয়টি আলোচনায় আসে। বিবিসি আই-এর তদন্তে প্রকাশ পেয়েছে এর পিছনে আরও অন্ধকার বাস্তবতা লুকিয়ে রয়েছে, এবং উগান্ডার মহিলাদের কাছ থেকে শোনা গেছে যে তাদের সংযুক্ত আরব আমিরাতে যেতে প্রায়শই কাজের মিথ্যা প্রতিশ্রুতি দিয়ে প্রলুব্ধ করা হয়েছিল 

advertisement

প্রতিবেদনের মূল বিষয়গুলো হলো:

'পোরটা পট্টি' চক্র: দুবাইয়ের এই অবৈধ চক্রটি নারীদের দিয়ে বিকৃত যৌনাচার ও পতিতাবৃত্তি পরিচালনা করে।

advertisement

সন্দেহজনক মৃত্যু: মোনিক কারুঙ্গি ও কায়লা নামের দুই নারী, যারা এই চক্রের শিকার হয়েছিলেন, দুবাইয়ে উঁচু ভবন থেকে পড়ে মারা যান। দুবাই পুলিশ এই দুটি মৃত্যুকে আত্মহত্যা হিসেবে নথিভুক্ত করেছে।

গোপন নেটওয়ার্ক: বিবিসি মোনিক ও কায়লার মৃত্যুর পেছনে একটি গোপন নেটওয়ার্কের সন্ধান পায়। এই চক্রটি মূলত উগান্ডা থেকে নারীদের দুবাইয়ে নিয়ে আসে এবং পতিতাবৃত্তিতে বাধ্য করে।

advertisement

মূল হোতা: চার্লস ময়সিগুয়া নামের এক ব্যক্তি এই চক্রের অন্যতম প্রধান সংগঠক। তিনি নিজেকে ইভেন্ট অর্গানাইজার হিসেবে পরিচয় দিলেও উগান্ডা থেকে নারীদের এনে দুবাইয়ে অবৈধ যৌন ব্যবসা পরিচালনা করেন।

পরিবারের দুর্দশা: মোনিকের পরিবার তার মৃতদেহ ফেরত পায়নি। তবুও তারা তার স্মরণে একটি প্রার্থনার আয়োজন করে।

ভিডিওটি দুবাইয়ের অন্ধকার জগতের একটি দিক তুলে ধরেছে, যেখানে অবৈধ চক্রের হাতে নারী পাচার ও তাদের করুণ পরিণতির বিষয়টি উঠে এসেছে।

  • সর্বশেষ