শিরোনাম
◈ বাংলাদেশি টাকার মান বেড়েছে ভারতীয় রুপির বিপরীতে ◈ সকালে সিলেটে প্রধানমন্ত্রীর বকুনি খেয়ে বিকেলে সংসদে হাজির হলেন এমপি ◈ ভারত ও মিয়ানমার সীমান্তে কাঁটাতারের বেড়া নির্মাণের সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার : স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ◈ কৌশলগত বড় পরিবর্তন: ইন্দো-প্যাসিফিক নাম বাদ, নতুন করে ‘ইউএস প্যাসিফিক কমান্ড’ চালু করল পেন্টাগন ◈ হামের টিকাদানে গাফিলতির প্রমাণ মিললে ব্যবস্থা, হজের খরচ কমানো ও তিস্তায় নতুন ব্যারেজ নির্মাণের পরিকল্পনা: প্রধানমন্ত্রী ◈ সংসদে ‘আই হ্যাভ এ প্লান’ এর ব্যাখ্যা দিলেন প্রধানমন্ত্রী ◈ ইরান-যুক্তরাষ্ট্রের ‘১৪ দফা’ চুক্তি ফাঁস, সামনে আসছে যুদ্ধবিরতির রূপরেখা ◈ ‘আমরা খালেদা জিয়ার সৈনিক, দেশ ছেড়ে কোথাও যাব না’ ◈ সীমান্ত হত্যা মানবাধিকারের সুস্পষ্ট লঙ্ঘন: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ◈ দেশে হাম সন্দেহে মৃত্যু আরও ৪ জনের, নতুন করে আক্রান্ত ৯৬৬

প্রকাশিত : ১৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৫, ০২:১১ রাত
আপডেট : ১৪ জুন, ২০২৬, ০৫:০০ বিকাল

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

দুবাইয়ে বিকৃত যৌ.নাচার ব্যবসার চক্রের মুখোশ উন্মোচন এবার বিবিসির অনুসন্ধানে!

বিবিসি বাংলার একটি অনুসন্ধানী প্রতিবেদন থেকে জানা যায়, দুবাইয়ে 'পোরটা পট্টি' নামে একটি অবৈধ চক্র সক্রিয় রয়েছে, যারা অর্থের বিনিময়ে নারীদের যৌনকর্মে বাধ্য করে। এই চক্রের সাথে জড়িত উগান্ডার কয়েকজন নারীর অস্বাভাবিক মৃত্যু নিয়ে প্রতিবেদনটি তৈরি করা হয়েছে।

যখন একজন  উগান্ডার তরুণীর মৃত্যুর খবর ভাইরাল হয়, তখন  #DubaiPortaPotty-এর বিষয়টি আলোচনায় আসে। বিবিসি আই-এর তদন্তে প্রকাশ পেয়েছে এর পিছনে আরও অন্ধকার বাস্তবতা লুকিয়ে রয়েছে, এবং উগান্ডার মহিলাদের কাছ থেকে শোনা গেছে যে তাদের সংযুক্ত আরব আমিরাতে যেতে প্রায়শই কাজের মিথ্যা প্রতিশ্রুতি দিয়ে প্রলুব্ধ করা হয়েছিল 

প্রতিবেদনের মূল বিষয়গুলো হলো:

'পোরটা পট্টি' চক্র: দুবাইয়ের এই অবৈধ চক্রটি নারীদের দিয়ে বিকৃত যৌনাচার ও পতিতাবৃত্তি পরিচালনা করে।

সন্দেহজনক মৃত্যু: মোনিক কারুঙ্গি ও কায়লা নামের দুই নারী, যারা এই চক্রের শিকার হয়েছিলেন, দুবাইয়ে উঁচু ভবন থেকে পড়ে মারা যান। দুবাই পুলিশ এই দুটি মৃত্যুকে আত্মহত্যা হিসেবে নথিভুক্ত করেছে।

গোপন নেটওয়ার্ক: বিবিসি মোনিক ও কায়লার মৃত্যুর পেছনে একটি গোপন নেটওয়ার্কের সন্ধান পায়। এই চক্রটি মূলত উগান্ডা থেকে নারীদের দুবাইয়ে নিয়ে আসে এবং পতিতাবৃত্তিতে বাধ্য করে।

মূল হোতা: চার্লস ময়সিগুয়া নামের এক ব্যক্তি এই চক্রের অন্যতম প্রধান সংগঠক। তিনি নিজেকে ইভেন্ট অর্গানাইজার হিসেবে পরিচয় দিলেও উগান্ডা থেকে নারীদের এনে দুবাইয়ে অবৈধ যৌন ব্যবসা পরিচালনা করেন।

পরিবারের দুর্দশা: মোনিকের পরিবার তার মৃতদেহ ফেরত পায়নি। তবুও তারা তার স্মরণে একটি প্রার্থনার আয়োজন করে।

ভিডিওটি দুবাইয়ের অন্ধকার জগতের একটি দিক তুলে ধরেছে, যেখানে অবৈধ চক্রের হাতে নারী পাচার ও তাদের করুণ পরিণতির বিষয়টি উঠে এসেছে।

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়