দেবদুলাল মুন্না:[২] রাজনৈতিক ব্যাক্তিত্ব সাবের হোসেন চৌধুরী বলেন ‘সাইমন ড্রিং বহু বাংলাদেশির কাছে হিরো। তিনি একমাত্র সাংবাদিক যিনি ১৯৭১ সালে মহান স্বাধীনতা যুদ্ধে পাকিস্তানের ভয়াবহতা এবং নৃশংসতা শুরু থেকেই কভার করেছিলেন। এ কারণে বাংলাদেশ থেকে তাকে সম্মানসূচক নাগরিকত্ব দেওয়া হয়েছিল।’
[৩] সাইমন ড্রিং এর ‘অন দ্য রোড এগেইন’ থেকে জানা যায়, একাত্তর সালে সায়মন ড্রিংয়ের বয়স ছিল মাত্র ২৭ বছর। তিনি শেখ মুজিবুর রহমানের ৭ মার্চের ঐতিহাসিক ভাষণ শুনেছিলেন ।
[৪] ২৫ মার্চ পাকিস্তানের গোয়েন্দা বিভাগের মেজর সালেক সিদ্দিকী নিরাপত্তার অজুহাতে সকল বিদেশি সাংবাদিকদের ঢাকা ত্যাগের নির্দেশ দিলে সাইমন থেকে যান।
[৫] একদিন পর ব্রিটিশ হাই কমিশনের সহায়তায় ঢাকা ছাড়েন সাইমন। কিন্তু তাকে এয়ারপোর্টে উলঙ্গ করে চেক করা হয়।তিনি ব্যাংকক গিয়ে ডেইলি টেলিগ্রাফ পত্রিকায় প্রতিবেদন পাঠান ‘ট্যাংকস ক্র্যাশ রিভোল্ট ইন পাকিস্তান’শিরোনামে। এটাই ছিল বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধ সংক্রান্ত বহির্বিশ্বে প্রচারিত প্রথম সংবাদ।’
[৬] ৭১-এর এইদিনে দেশের অর্থনৈতিক কাঠামো সচল রাখার জন্য অসহযোগ সম্পর্কিত কিছু সংশোধনী ঘোষণা করেন তাজউদ্দিন আহমেদ। অর্থনৈতিক প্রতিষ্ঠানগুলোকে কিছুটা ছাড় দেয়া হয়। নারায়ণগঞ্জ জেল থেকে ৪০ জন কয়েদি পলায়ন করে।