শিরোনাম
◈ রাশিয়ার পর বাংলাদেশের পারমাণবিক বিদ্যুৎ খাতে চীন-যুক্তরাষ্ট্রের নজর ◈ বুক কাঁপছে আতঙ্কে, তবু থামছে না জীবিকার লড়াই : জীবিকার টানে সৌদি ফিরছেন প্রবাসীরা ◈ রাত গভীর হলেই বাড়ে বিদ্যুতের চাহিদা, ৩ হাজার মেগাওয়াট যাচ্ছে কোথায়? ◈ ঢাকা-কক্সবাজার রুটে নতুন ট্রেন মহানগর এক্সপ্রেস, ওঠা যাবে যেসব স্টেশন থেকে ◈ ওয়ান‌ডে সি‌রি‌জে অ‌স্ট্রেলিয়ার কা‌ছে হোয়াইট ওয়াশ বাংলাদেশ নারী দল  ◈ দেশের আট বিভাগে হচ্ছে ডিজিটাল ফরেনসিক ল্যাব, বাড়বে সাইবার অপরাধ দমনের সক্ষমতা: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ◈ ভারতের আন্দোলনে পথ দেখিয়েছে বাংলাদেশের তরুণরা: নেহা বোরা (ভিডিও) ◈ যুক্তরাষ্ট্রে বিদেশি কর্মীদের ওয়ার্ক পারমিট নবায়নে বড় পরিবর্তন, মেয়াদ শেষ হলেই বন্ধ কাজের সুযোগ ◈ আগামী ৯ নভেম্বর ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের চতুর্থ অধিবেশন ◈ রাজধানীর ধানমন্ডিতে বয়স্ককে মারধরের ভিডিও ভাইরাল, নেপথ্যে যে ঘটনা জানাগেল

প্রকাশিত : ২১ ফেব্রুয়ারি, ২০২০, ০৫:৩৭ সকাল
আপডেট : ২১ ফেব্রুয়ারি, ২০২০, ০৫:৩৭ সকাল

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

ইউএনওর আচরণে ক্ষুব্ধ হয়ে শহীদ মিনারে ফুল দিলেন না মুক্তিযোদ্ধারা

ঠাকুরগাঁও প্রতিনিধি: বৃহস্পতিবার রাত ১২টায় উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার (ইউএনও) আচরণে ক্ষুব্ধ হয়ে ঠাকুরগাঁও বালিয়াডাঙ্গী উপজেলায় আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবসে শহীদ মিনারে গিয়েও ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা জানালেন না মুক্তিযোদ্ধারা। তাদের সঙ্গে একাত্মতা প্রকাশ করে মুক্তিযোদ্ধার সন্তানরাও।

মুক্তিযোদ্ধাদের অভিযোগ, স্বাধীনতার পর থেকে স্থানীয় প্রশাসনের পর মুক্তিযোদ্ধারা প্রতিটি দিবসে শহীদ মিনার এবং স্মৃতি ফলকে ফুলেল শ্রদ্ধা জানিয়ে আসছে। কিন্তু এবারে উপজেলা নির্বাহী অফিসার খায়রুল আলম সুমন নতুন নিয়ম চালু করেছেন। আমরা প্রতিবার যেভাবে ফুল দিয়ে আসছি সেভাবেই দেব, এটা সব মুক্তিযোদ্ধার দাবি।

কিন্ত নতুন নির্বাহী অফিসার বিগত বছরগুলোর প্রথা ভেঙ্গে নতুন নিয়ম তৈরি করে শহীদ মিনারে ফুল দিতে বলেন। নির্বাহী অফিসারের নির্দেশ হলো উপজেলা প্রশাসন প্রথমে শ্রদ্ধা জানাবেন। পরে পুলিশ তার পর মুক্তিযোদ্ধারা। অথচ মুক্তিযোদ্ধারা বিগত বছরগুলোতে প্রশাসনের পর পরই ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা জানাতেন। নির্বাহী অফিসারের এমন ঘোষণার পর মুক্তিযোদ্ধারা শহীদ মিনার ত্যাগ করে মুক্তিযোদ্ধা সংসদ সন্তান কমান্ডা কার্যালয়ে চলে আসেন।

এ সময় মুক্তিযোদ্ধা সফিকুল ইসলাম, সলেমান আলীসহ কয়েকজন মুক্তিযোদ্ধা বলেন, ইউএনও'র নতুন নিয়ম আমরা মানি না। আমরা শহীদ মিনারে ফুলের শ্রদ্ধা বর্জন করলাম। তার আচরণে আমরা ক্ষুদ্ধ।

এমন ঘোষণার পর শহীদ মিনারে শ্রদ্ধা জানাতে আসা বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের কর্মকর্তাদের মাঝে বিষয়টি টপ অব টাউনে পরিণত হয়।

উপস্থিত সুধী জনেরা জানান, মুক্তিযোদ্ধারা দেশের বীর সন্তান। তাদের অগ্রাধিকার আগে। এমনটা করা ইউএনওর উচিত হয়নি।

বালিয়াডাঙ্গী প্রেসক্লাবের সভাপতি এন এম নুরুল ইসলাম বলেন, মুজিব বর্ষে মুক্তিযোদ্ধাদের গুরুত্ব না দেয়া খুবই নিন্দনীয় কাজ। আশা করছি বিষয়টি তদন্ত করবে প্রশাসন। সম্পাদনা: জেরিন আহমেদ

  • সর্বশেষ