শিরোনাম
◈ সাগরপথে ইতালি প্রবেশে শীর্ষে বাংলাদেশ, বাড়ছে মৃত্যু-নিখোঁজ ◈ পাঁচ সিটিতে এনসিপির প্রার্থী হলেন যারা ◈ ইরানের হামলায় দাউ দাউ করে জ্বলছে ইসরাইলি শিল্পাঞ্চল ◈ বিসিবিতে নিয়োগপ্রাপ্ত কর্মকর্তা-কর্মচারীদের বিরুদ্ধে উত্থাপিত অনিয়মের অভিযোগ তদন্ত হ‌বে: সংস‌দে ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী ◈ হামে শিশুর মৃত্যুর ঘটনায় দায়ীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে দুই মন্ত্রীকে প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশ ◈ দীর্ঘ ছু‌টি কা‌টি‌য়ে দেশে ফিরেই মিরপুরে হাজির বি‌সি‌বি সভাপ‌তি বুলবুল ◈ পরিবেশবান্ধব পোশাক শিল্পে বাংলাদেশের দাপট, বিশ্বসেরার তালিকায় ৫২ কারখানা ◈ গত ৮ বছর দেশে হামের কোনো টিকা দেওয়াই হয়নি: স্বাস্থ্যমন্ত্রী ◈ বক্ষব্যাধি ইনস্টিটিউটে ৪০ শয্যার আইসিইউ দ্রুত চালুর নির্দেশ ◈ রাতেই ১৩৩ অধ্যাদেশে চূড়ান্ত সিদ্ধান্তের সম্ভাবনা: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

প্রকাশিত : ১৭ ফেব্রুয়ারি, ২০২০, ০৯:৫২ সকাল
আপডেট : ১৭ ফেব্রুয়ারি, ২০২০, ০৯:৫২ সকাল

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

 হাসপালের রিপোর্ট তৈরি করেন নাইট গার্ড, পিওন ও এ্যাসিসটেন্ট

খোকন আহম্মেদ , বরিশাল প্রতিনিধি : শেবাচিম হাসপাতালের সামনের আবিদ ইসলামিয়া মেডিকেল সার্ভিসেস নামের ডায়াগনস্টিক সেন্টারে রাত ১০টার পরে কোন চিকিৎসক কিংবা মেডিকেল টেকনোলোজিস্ট থাকেন না।

ওইসময় একজন নাইট গার্ড, পিওন ও ল্যাব এ্যাসিসটেন্ট থাকেন। তার পরেও চিকিৎসকের স্বাক্ষরিত রিপোর্ট প্রদান করা হচ্ছে রোগীর স্বজনদের। অহরহ ভুল রিপোর্ট প্রদান করা হলেও একজন প্রভাবশালী চিকিৎসকের প্রতিষ্ঠান হওয়ায় বিষয়টি জেনেও সংশ্লিষ্ট কর্তা ব্যক্তিরা কোন ব্যবস্থাই গ্রহণ করছেন না।

যেকারণে একপ্রকার জিম্মি হয়ে পরেছে দক্ষিণাঞ্চলের সর্ববৃহত চিকিৎসা সেবা কেন্দ্র বরিশাল শের-ই বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের সিসিইউ ইউনিটে চিকিৎসা নিতে আসা রোগীরা। ।

বিশেষ অনুসন্ধানে জানা গেছে, শেবাচিম হাসপাতালের করনারি কেয়ার ইউনিটের (সিসিইউ) চিকিৎসক কার্ডিওলজি বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক হুমায়ুন কবির তার নগরীর রুপাতলী এলাকার নিজস্ব আব্দুল্লাহ হাসপাতাল এবং শেবাচিমের সামনের আবিদ ইসলামিয়া মেডিকেল সার্ভিসেস থেকে রোগীদের পরীক্ষা নিরীক্ষা করাতে বাধ্য করছেন।

শেবাচিমের পরিচালক ডা: বাকির হোসেন বলেন, যারা কর্মকর্তাদের নির্দেশ পালন করেন না, তারা কিসের চিকিৎসক। তার (হুমায়ুন কবির) আচরন রোগীদের সাথে প্রহসনমূলক। তার নিজস্ব ক্লিনিক ও ডায়াগনস্টিকে রোগী পাঠানোর বিষয়টি একাধিকবার অভিযোগ আকারে পেয়েছি। তাকে অন্যত্র সরিয়ে নেয়ার জন্য প্রিন্সিপালের কাছে লিখিত আবেদন করা হয়েছে। সম্পাদনা: তিমির চক্রবর্ত্তী

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়