প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

বাজার আকার বাড়লেও প্রযুক্তি আর ডিজাইনে পিছিয়ে চামড়া শিল্প

ফাতেমা ইসলাম : চামড়া বা লেদারের তৈরি জুতা-স্যান্ডেল আর ব্যাগে আভিজাত্য খুঁজে পান রুচিশীল ক্রেতারা। তাই ঈদে অনেকেই নতুন পোশাকের সাথে মিলিয়ে কিনছেন চামড়ার জুতা। বিগত কয়েক বছরে দেশের চামড়া শিল্পের বিকাশের ফলে তৈরি হয়েছে ছোট বড় অনেক জুতার কারখানা। তবে প্রযুক্তিগত দুর্বলতা আর ডিজাইনে পিছিয়ে থাকায় ক্রেতাদের নজর কাড়তে ব্যর্থ হচ্ছে দেশিয় চামড়াজাত পণ্য। ডিবিসি

ধানমন্ডি ১৫ নম্বর দেশিয় চামড়ার তৈরি জুতার জন্য বেশ পরিচিত। সস্তায় চামড়ার জুতা কেনার জন্য ভিড় করেন খুচরা-পাইকারী দুই ধরণের ক্রেতাই।

এখানকার সবচেয়ে বড় বৈশিষ্ট্য যে কোন ডিজাইনের জুতার ছবি বা নমুনা দিলে হুবহু সেই জুতা তৈরি করে দিতে পারেন এখানকার কারিগররা। চামড়া কেটে যে কোন নকশার জুতা তৈরির পুরো প্রক্রিয়াটাই এখানে হয় কারিগরদের দক্ষ হাতে।
তবে, ঈদ বাজারে বা দেশের অভ্যন্তরীণ বাজারে এখনও নিজেদের শক্ত অবস্থান তৈরি করতে পারে নি দেশিয় এসব পণ্য।

ব্যবসায়ীরা জানান, চীন, থাইল্যান্ড থেকে আমদানি করা আর্টিফিশিয়াল লেদারের তুলনায়, দেশিয় লেদারের জুতা-ব্যাগ অনেক টেকসই। তারপরও নামি দামি বিদেশি ব্রান্ডের সঙ্গে প্রতিযোগিতায় অনেক পিছিয়ে দেশিয় চামড়ার পণ্য।

বিগত কয়েক বছরে বিকশিত হতে শুরু করেছে দেশের চামড়া শিল্প। ব্যক্তিগত প্রচেষ্টায় স্বল্প পরিসরে দেশিয় চামড়ার পণ্য রপ্তানি হচ্ছে আর্ন্তজাতিক বাজারে।

দেশিয় চামড়ার গুনগত মান ভালো হলেও, মান্ধাতার আমলের প্রযুক্তি আর ডিজাইন দিয়ে খুব বেশি দূর এগোতে পারছে না এই শিল্প। চামড়া শিল্পের আধুনিকায়নের পাশাপাশি ক্রেতাদের দেশিয় পণ্য কেনার মানসিকতা গড়ে উঠবে, এমনটাই প্রত্যাশা এই শিল্প সংশ্লিষ্টদের। সম্পাদনা : কায়কোবাদ মিলন

এক্সক্লুসিভ রিলেটেড নিউজ

সর্বাধিক পঠিত