শিরোনাম
◈ আচরণবিধি চূড়ান্ত, ডিসেম্বর-জানুয়ারিতে স্থানীয় সরকার নির্বাচনের প্রস্তুতি ◈ ১৯৯১ সালের রাষ্ট্রপতি নির্বাচন যেভাবে হয়েছিল ◈ উদ্যোক্তা হতে তরুণদের জন্য সহজ ঋণ, জামানত ছাড়াই মিলবে ১০ লাখ টাকা ◈ কলম্বিয়ায় ভয়াবহ ভূমিকম্পে নিহত বেড়ে ২২৪, এখনও চলছে খোঁজ ◈ আমরা সবাই বাংলাদেশের অধিবাসী, কেউ আদিবাসী নই: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ◈ সাভারে ভবন ঘিরে রেখেছে সিটিটিসি, যা জানাল পুলিশ (ভিডিও) ◈ দিল্লিতে মোদির সঙ্গে বৈঠকে ঢাকায় নিযুক্ত ভারতীয় হাইকমিশনার ◈ রাষ্ট্রপতি ভোটের বৈঠক আহ্বান করলেন সিইসি ◈ আরেক দফা বাড়লো তেলের দাম ◈ সরকারি নিয়োগ পরীক্ষায় প্রক্সি ঠেকাতে বায়োমেট্রিকসহ ১২ দফা নির্দেশনা

প্রকাশিত : ২১ মে, ২০১৯, ০৮:৫৩ সকাল
আপডেট : ২১ মে, ২০১৯, ০৮:৫৩ সকাল

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

নির্বাচনী প্রচারে নিশানার পর মৃত্যুবার্ষিকীতে রাজীবকে শ্রদ্ধা মোদীর

রাশিদ রিয়াজ : ভারতের সাবেক প্রধানমন্ত্রী রাজীবকে তার ২৮তম মৃত্যুবার্ষিকীতে শ্রদ্ধা জানালেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। লোকসভা নির্বাচনী প্রচার পর্বে কংগ্রেসকে নিশানা করতে গিয়ে প্রয়াত রাজীব গান্ধীকে একাধিক বার আক্রমণ করেছেন মোদী। কখনও তার আমলে হওয়া বোফর্স অস্ত্র ক্রয় দুর্নীতির উল্লেখ করেছেন। কখনও বা সেনার যুদ্ধজাহাজকে ব্যক্তিগত ট্যাক্সির মতো ব্যবহারের অভিযোগ এনেছেন। আবার কখনও তাকে ‘ভ্রষ্টাচারী নম্বর ওয়ান’-এর তকমা দিয়েছেন। তা নিয়ে কংগ্রেস-সহ বিরোধীদের তীব্র সমালোচনার মুখেও পড়েছেন। তারপরও সব রাজনৈতিক তিক্ততা সরিয়ে প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী রাজীবকে তার ২৮তম মৃত্যুবার্ষিকীতে শ্রদ্ধা জানালেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী।

মঙ্গলবার সকালে এক সংক্ষিপ্ত টুইটবার্তায় মোদী লিখেছেন, ‘প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী শ্রী রাজীব গান্ধীকে তার মৃদ্যুবার্ষিকীতে শ্রদ্ধার্ঘ।’

রোববারই শেষ হয়েছে সাত দফা জুড়ে চলা লোকসভা নির্বাচন। তবে নির্বাচনী প্রচারে রাজীব-প্রসঙ্গ টেনে এনে মোদীর আক্রমণের তীব্রতা এখনও তাজা রয়েছে কংগ্রেসের কাছে। নির্বাচনী প্রচারে গিয়ে কংগ্রেসকে নিশানা করতে গিয়ে বহু বার প্রয়াত প্রধানমন্ত্রী রাজীব গান্ধীর প্রসঙ্গ টেনে এনেছেন মোদী। উত্তরপ্রদেশের একটি জনসভায় কংগ্রেস সভাপতি রাহুল গান্ধীর উদ্দেশে বলেছেন, ‘আপনার বাবা তার কাছের মানুষদের জন্য ‘মিস্টার ক্লিন’ হতে পারেন।

কিন্তু, তার জীবন শেষ হয়েছে ‘ভ্রষ্টাচারী নম্বর ওয়ান’ হয়ে। আবার দিল্লির রামলীলা ময়দানের সভায় মোদীর দাবি ছিল, ‘রাজীব গান্ধী প্রধানমন্ত্রী থাকাকালীন সমুদ্র নিরাপত্তার দায়িত্বে থাকা আইএনএস-বিরাট যুদ্ধজাহাজে গোটা পরিবার নিয়ে একটি নির্জন দ্বীপে দশ দিনের ছুটি কাটাতে যান। নিয়ে যান শ্বশুরবাড়ির লোকেদেরও। যুদ্ধজাহাজকে ট্যাক্সি হিসেবে ব্যবহার করেন তারা!’
এ ধরনের আক্রমণের পর প্রশ্ন উঠেছে মোদীর রাজনৈতিক সৌজন্যবোধ নিয়ে। কংগ্রেস ছাড়াও তার সমালোচনায় মুখর হয়েছেন তৃণমূলনেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়, সিপিএমের সাধারণ সম্পাদক সীতারাম ইয়েচুরির মতো নেতানেত্রী।

মোদীর মন্তব্যের বিরোধিতা করে সুপ্রিম কোর্টের দ্বারস্থ হয়েছেন কংগ্রেসের সুস্মিতা দেব। সমালোচনা করেছেন শিক্ষা জগতের প্রতিনিধিরাও। গোটা বিষয়ে তিক্ততা বেড়েছে শাসক ও বিরোধীদের মধ্যে। তবে সে সব কটাক্ষ-অভিযোগ সরিয়ে প্রয়াত প্রধানমন্ত্রী রাজীবের মৃত্যুবার্ষিকীতে সৌজন্য মাফিক শ্রদ্ধা জানালেন প্রধানমন্ত্রী মোদী। টাইমস অব ইন্ডিয়া

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়