প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

সমুদ্রগামী পর্যটনশিল্পে নতুন সম্ভাবনা, ওয়ান স্টপ সার্ভিস দাবি উদ্যোক্তাদের

মারুফুল আলম : সমুদ্রগামী পর্যটনকে ঘিরে নতুন সম্ভাবনা দেখছেন দেশের ট্যুর অপারেটররা। বিলাসবহুল হওয়ায়, অল্প আয়োজনেই অর্থনীতিতে তুলনামূলক বেশি অবদান রাখার সুযোগ আছে অভিজাত নৌ পর্যটনের। এ সম্ভাবনাকে কাজে লাগাতে, জাহাজেই অন অ্যারাইভাল ভিসা প্রদান এবং ইমিগ্রেশনসহ অন্যান্য সুযোগ সুবিধা বাড়াতে ওয়ান স্টপ সার্ভিসের দাবি পর্যটন উদ্যোক্তাদের। ডিবিসি নিউজ।

২০০৯ সালে বিশ্বে সমুদ্রগামী পর্যটক ছিলো ১ কোটি ৭৮ লাখ। ১০ বছরে তা বেড়ে হয়েছে ২ কোটি ৭২ লাখ। বিশ্বঅর্থনীতিতে পর্যটনের এই খাতের অবদান ১২ হাজার ৬০০ কোটি ডলারের। যার বেশির ভাগই এসেছে যুক্তরাষ্ট্রের পর্যটকের কাছ থেকে।

বিশ্বব্যাপী তুমুল জনপ্রিয় ক্রুজ পর্যটনে সমৃদ্ধ হতে পারে বাংলাদেশও। ২০১৭ সালে প্রথমবার জাহাজে করে মহেশখালী ও সুন্দরবন ভ্রমণ করেন ১৭ দেশের ১৬২জন পর্যটক। ২০১৮ তে আসেন ৬১ জন। আর গত ১২ ফেব্রæয়ারি এসেছেন আরো ৭২ জন। তাদের সুন্দরবন ঘুরিয়ে দেখাবে দেশীয় প্রতিষ্ঠান পাগমার্ক ট্যুরস অ্যান্ড ট্রাভেল।

পাগমার্ক ট্যুরস অ্যান্ড ট্রাভেলস সিইও মো. নজরুল ইসলাম বাচ্চু বলেন, এর যে ভবিষ্যৎ দেখতে পাচ্ছি, তাতে আমাদের ধারণা আগামী পাঁচ বছরের মধ্যে বাংলাদেশে প্রতি বছর পাঁচ থেকে দশটা ভয়েজ আসবে।

তবে সাগরপথে বিশ্বপর্যটনে বাংলাদেশ যুক্ত হয়েছে জার্নি প্লাস নামের ট্যুর অপারেটরের হাত ধরে। প্রতিষ্ঠানটির সিইও বলছেন, পর্যটনের অন্যান্য মাধ্যমে চেয়ে ক্রুজ ট্যুরিজমে প্রান্তিক অর্থনীতির সমৃদ্ধ হবার সুযোগ অনেক বেশি।

জার্নি প্লাস সিইও তৌফিক রহমান জানান, অন্যান্য যে ট্যুরিজমগুলো আমরা করি সেখানে একটা গ্রæপ আনলে হয়তো দুই থেকে তিন লাখ টাকার কাজ হয়। কিন্তু একেকটা ক্রুজ আসলে সেখানে ৭০ থেকে ৮০ লাখ বা ১ কোটি টাকার কাজ হয়। এই ক্রুজের ক্ষেত্রে দেখা গেছে আমাদের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী, বন ও পরিবেশ মন্ত্রণালয়, নৌ ও পরিবহণ মন্ত্রণালয়, গোয়েন্দা সংস্থাগুলোর সঙ্গে যোগাযোগ করতে হয়েছে। একজন উদ্যোক্তা হিসেবে আমার একটা ওয়ান স্টপ সার্ভিস চাই।

বাংলাদেশে ক্রুজ ট্যুরিজমের জনপ্রিয়তা বাড়লে, ওয়ান স্টপ সার্ভিস প্রতিষ্ঠার কথা ভাবছে পর্যটন বোর্ড। বাংলাদেশ ট্যুরিজম বোর্ড সিইও ড. ভুবন চন্দ্র বিশ্বাস জানান, ট্যুরিজমের ক্ষেত্রে সব সময় ওয়ান স্টপ সার্ভিস দেয়া যায় না। ধরা যাক, আমরা একটা ওয়ান স্টপ সার্ভিস করলাম, যেটা বছরে তিনবার ব্যবহৃত হলো। কিন্তু সেটা আমাদের জন্যে বাস্তবসম্মত হবে না। তবে যখন এর প্রয়োজনীয়তা বাড়বে তখন অবশ্যই এটা করা হবে। ২২ ফেব্রুয়ারি আরও ৭৮ পর্যটক নিয়ে বাংলাদেশে আরো একটি জাহাজ আসার কথা রয়েছে।

এক্সক্লুসিভ রিলেটেড নিউজ

সর্বশেষ

সর্বাধিক পঠিত