শিরোনাম
◈ নতুন বিধিমালা: খাদ্য ব্যবসায় নিরাপদ খাদ্য কর্তৃপক্ষের লাইসেন্স বাধ্যতামূলক ◈ ১২৮ বারের মতো পেছাল সাগর-রুনি হত্যা মামলার প্রতিবেদন দাখিল ◈ রূপপুরের রুশ নাগরিকবাহী বাসের সঙ্গে ট্রাকের সংঘর্ষ, নিহত ট্রাকচালকের সহকারী ◈ ৮ প্রকল্পে একনেকের সবুজ সংকেত, ব্যয় ১৪ হাজার কোটি টাকা ◈ বেসরকারি হজ প্যাকেজ ঘোষণা, বাড়ল খরচ ◈ এবার সেই জামায়াত নেতার ইস্যুতে আরেক অডিও ভাইরাল ◈ বাংলাদেশের পাসপোর্টে সামান্য অগ্রগতি, ভ্রমণ সুবিধা এখনো সীমিত ◈ বস্ত্রখাতের উন্নয়নে সরকারের পূর্ণ সহযোগিতার প্রতিশ্রুতি প্রধানমন্ত্রীর ◈ ইরানে মার্কিন হামলায় ব্রিটিশ ঘাঁটি ব্যবহারের অনুমতি দিলেন বার্নহ্যাম ◈ যেসব জেলায় সন্ধ্যার মধ্যে ঝড়ের আভাস হওয়ার আশঙ্কা

প্রকাশিত : ২২ জুলাই, ২০২৬, ০৩:১৫ দুপুর
আপডেট : ২২ জুলাই, ২০২৬, ০৪:০০ দুপুর

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

১২৮ বারের মতো পেছাল সাগর-রুনি হত্যা মামলার প্রতিবেদন দাখিল

সাংবাদিক দম্পতি সাগর সরওয়ার ও মেহেরুন রুনি হত্যা মামলার তদন্ত প্রতিবেদন দাখিলের দিন ১২৮ বার পিছিয়েছে। আদালত আগামী ২৭ আগস্ট নতুন দিন ধার্য করেছেন।

বুধবার মামলার তদন্ত প্রতিবেদন দাখিলের দিন ধার্য ছিল। তবে মামলার তদন্ত কর্মকর্তা পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশনের (পিবিআই) অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মো. আজিজুল হক প্রতিবেদন দাখিল করতে পারেননি। এ জন্য ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আরিফুল ইসলাম প্রতিবেদন দাখিলের পরবর্তী এদিন নির্ধারণ করেন।

প্রসিকিউশন বিভাগের এসআই  মাজহারুল ইসলাম এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

এ মামলার আসামিরা হলেন রফিকুল ইসলাম, বকুল মিয়া, মাসুম মিন্টু, কামরুল ইসলাম ওরফে অরুণ, আবু সাঈদ, সাগর-রুনির বাড়ির দুই নিরাপত্তারক্ষী পলাশ রুদ্র পাল ও এনায়েত আহমেদ এবং তাদের ‘বন্ধু’ তানভীর রহমান খান।

এদের মধ্যে তানভীর জামিনে রয়েছে। পলাশ রুদ্র পাল জামিনে গিয়ে পলাতক হয়েছেন। অপর আসামিরা কারাগারে রয়েছে।

২০১২ সালের ১১ ফেব্রুয়ারি মাছরাঙা টেলিভিশনের বার্তা সম্পাদক সাগর সারোয়ার ও এটিএন বাংলার জ্যেষ্ঠ প্রতিবেদক মেহেরুন রুনিকে হত্যা করা হয়। এরপর নিহত রুনির ভাই নওশের আলম রোমান শেরেবাংলানগর থানায় একটি হত্যা মামলা করেন।

২০২৪ সালের ৩০ সেপ্টেম্বর সাংবাদিক দম্পতি সাগর সরওয়ার ও মেহেরুন রুনি হত্যা মামলার তদন্তের দায়িত্ব র‌্যাব থেকে সরিয়ে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমে গঠিত একটি উচ্চ ক্ষমতাসম্পন্ন টাস্কফোর্সের মাধ্যমে তদন্তের নির্দেশ দিয়েছেন হাইকোর্ট। একই সঙ্গে তদন্ত শেষে ছয় মাসের মধ্যে আদালতে প্রতিবেদন দিতে বলা হয়। 

এদিকে, তদন্ত শেষ করে ছয় মাসের মধ্যে প্রতিবেদন দিতে হাইকোর্টের দেওয়া সময় ইতোমধ্যে শেষ হয়েছে। এ অবস্থায় তদন্ত চলমান ও অগ্রগতি আছে উল্লেখ করে রাষ্ট্রপক্ষ নয় মাস সময়ের আরজি জানায়।

২০২৫ সালের ২২ এপ্রিল শুনানি নিয়ে আদালত ছয় মাস সময় মঞ্জুর করেন। একই সঙ্গে ২০২৫ সালের ২২ অক্টোবর আদেশের জন্য পরবর্তী দিন নির্ধারণ করেন। তবে উচ্চ আদালতের দেওয়া নির্ধারিত সময়ের মধ্যে উচ্চ ক্ষমতাসম্পন্ন টাস্কফোর্স প্রতিবেদন দাখিল করেনি।

পরে ২৩ অক্টোবর মামলার তদন্ত শেষ করতে বিভিন্ন এজেন্সির অভিজ্ঞদের সমন্বয়ে উচ্চ ক্ষমতাসম্পন্ন টাস্কফোর্সকে আরও ছয় মাস সময় দেন হাইকোর্ট। 

 

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়