শিরোনাম
◈ তারেক রহমানকে দিল্লির আমন্ত্রণ: কূটনৈতিক সৌজন্য, নাকি অন্য কোনো সমীকরণ ◈ ভিসা ব্যবস্থায় সংস্কার, বাড়ল শ্রেণি; নতুন নীতিমালা অনুমোদন ◈ বিদেশে শিক্ষার খরচ মেটাতে ডেবিট-ক্রেডিট কার্ড ব্যবহারের সুযোগ ◈ সিঙ্গাপুরে প্রবাসী ‘রেমিট্যান্স যোদ্ধাদের’ সম্মাননা প্রদান করলেন পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী ◈ মা‌ঠে জিসান ঝড়, মালয়েশিয়াকে হোয়াইটওয়াশ করলো এইচপি ◈ বাংলা‌দেশ যুব দলের ইং‌লিশ কোচ জেরার্ডের ঘটনায় ব্রিবত বাফুফে ◈ আগামী ১২ আগস্ট বুধবার যেসব অঞ্চল থেকে পূর্ণ সূর্যগ্রহণ দেখা যাবে ◈ স্থানীয় সরকার নির্বাচনেও পোস্টার নিষিদ্ধ, বাড়ল জরিমানা: আচরণবিধি চূড়ান্ত ইসির ◈ আগামী ন‌ভেম্ব‌রে চার জাতির ফুটবল টুর্নামেন্ট আয়োজন করবে ইরাক ◈ ক্রিশ্চিয়া‌নো রোনালদো-জর্জিনার বিয়ে ম‌নে ক‌রে গির্জায় মানু‌ষের ভিড়, এরপর যা হলো

প্রকাশিত : ১০ আগস্ট, ২০২৬, ০৯:১৪ রাত
আপডেট : ১০ আগস্ট, ২০২৬, ১১:০০ রাত

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

শিশুকে মোবাইল দেখিয়ে খাওয়ানোর অভ্যাস ছাড়াবেন যেভাবে

অনেক অভিভাবক অভিযোগ করেন সন্তানকে ফোন না দিলে সে খাবার খায় না। শুরুতে ফোন দিয়ে খাওয়ানোর অভ্যাস করালে পরবর্তীতে বড় হলেও সেটি আর ত্যাগ করা যায় না। তাই মোবাইল দেখিয়ে খাওয়ানোর অভ্যাস ফেরাতে হবে।

শিশুরা কেন মোবাইল দেখে খেতে পছন্দ করে?

খাওয়ার সময়ে ফোনের প্রতি শিশুদের আকর্ষণের কারণ রয়েছে। ফোনের উজ্জ্বল ছবি, শব্দ ও দ্রুত বদলে যাওয়া দৃশ্য শিশুর মনোযোগ খাবারের বদলে পর্দায় আটকে রাখে। ফলে বায়না না করে সে খেয়ে নেয়। কিন্তু কখন খাচ্ছে, কতটা খাচ্ছে বা পেট ভরেছে কি না, সেই সঙ্কেতগুলি বুঝতে শেখে না। দীর্ঘ দিন এমন চললে ক্ষুধা-তৃপ্তির স্বাভাবিক বোধে প্রভাব পড়তে পারে, খাবারের প্রতি আগ্রহ কমতে পারে এবং খাবারের সময় নিয়ে নির্ভরশীলতা তৈরি হতে পারে। পাশাপাশি, পরিবারের সঙ্গে কথা বলা, খাবারের স্বাদ-গন্ধ-গঠন অনুভব করার মতো গুরুত্বপূর্ণ অভিজ্ঞতাও কমে যায়। মোবাইল দেখে শিশুকে খাওয়ানোর অভ্যাস ফেরানোর বিষয়ে কিছু পরামর্শ দিয়েছেন ভারতের পুষ্টিবিদ পুষ্টিবিদ ঋজুতা দিবেক। তার মতে, হঠাৎ ফোন বন্ধ করে দিলে সমস্যা বাড়তে পারে। বরং ধীরে ধীরে স্ক্রিন-টাইম কমানোর চেষ্টা করতে হবে। এর পাশাপাশি তিনটি কৌশল মানতে হবে। যেমন 

১. মধ্যাহ্নভোজ এবং নৈশভোজের নির্দিষ্ট সময় স্থির করে দিন।

২. একা নয়, বাড়ির বড়দের সঙ্গে বসে খাওয়ার নিয়ম করে দিন।

৩. তাড়াহুড়ো না করে ধীরে ধীরে খাওয়ার অভ্যাস তৈরি করান।

এ অভ্যাসে যে শতভাগ কাজ হবে তা নয়। তবে ধীরে ধীরে এর ফল পেতে পারেন। কিন্তু মনে রাখবেন, এক বারও যদি ফোন বা টিভি না দেখে সন্তান খাবার খায়, তা হলেই সেটা আপনার জয়। ঋজুতার পরামর্শ মানলে কিছু সুবিধা অবশ্যই মিলবে। প্রথমত, সন্তানের খাওয়ার জন্য নির্দিষ্ট সময় নির্ধারণ করে দিলে তার শরীরে একটি স্বাভাবিক ক্ষুধার চক্র তৈরি হয়, যার ফলে সঠিক সময়ে ক্ষুধা পাওয়ার কারণে সে ফোন ছাড়াই নিজে থেকে খেতে আগ্রহী হয়ে ওঠে। 

দ্বিতীয়ত, বাড়ির সবার সঙ্গে বসে খাবার খেলে সে তাদের সঙ্গে গল্প করতে করতে খেতে পারবে। ফোনের দিকে মন পড়ে থাকবে না। 

তৃতীয়ত, মনস্তত্ত্বে ‘মাইন্ডফুল ইটিং’ বা সচেতন ভাবে খাওয়ার কথা বলা হয়। খাওয়ার সময়ে ধীরে ধীরে চিবিয়ে খাওয়ার অভ্যাস তৈরি করলে সে খাবারের প্রকৃত স্বাদ বুঝতে শুরু করে। এর ফলে খাবারের প্রতি তার মনোযোগ বাড়ে এবং ফোনের প্রতি নির্ভরতা কেটে যেতে পারে।

সূত্র: আনন্দবাজার

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়