রাজধানীর বনানী থানার হত্যাচেষ্টা মামলায় অবসরপ্রাপ্ত প্রধান বিচারপতি এ বি এম খায়রুল হককে ছয় মাসের অন্তবর্তীকালীন জামিন দিয়েছেন হাইকোর্ট। এক আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে বিচারপতি কে এম জাহিদ সরওয়ার কাজল ও বিচারপতি শেখ আবু তাহের সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চ সোমবার এ আদেশ দেন। তাকে কেন স্থায়ী জামিন দেওয়া হবে না, তা জানতে চেয়ে সংশ্লিষ্টদের প্রতি রুল জারি করেন আদালত।
এদিন আদালতে খায়রুল হকের পক্ষে শুনানি করেন সুপ্রিমকোর্টের জ্যেষ্ঠ আইনজীবী মনসুরুল হক চৌধুরী ও আইনজীবী মোতাহার হোসেন সাজু। রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল সায়লা শাজনীন শান্তা।
এ নিয়ে খায়রুল হকের বিরুদ্ধে থাকা সবগুলো মামলায় জামিন হওয়ায় তার কারামুক্তিতে আর কোনো আইনগত বাধা থাকল না বলে সমকালকে জানিয়েছেন তার আইনজীবী মোতাহার হোসেন সাজু।
জুলাই গণঅভ্যুত্থানের পর ২০২৫ সালের ২৪ জুলাই রাজধানীর ধানমন্ডির বাসা থেকে বিচারপতি খায়রুল হককে গ্রেপ্তার করে ঢাকা মহানগর পুলিশের (ডিএমপি) গোয়েন্দা শাখা। ওইদিন রাতেই তাকে যাত্রাবাড়ীতে যুবদলকর্মী আবদুল কাইয়ুম আহাদ হত্যা মামলায় গ্রেপ্তার দেখিয়ে কারাগারে পাঠানো হয়। এরপর থেকে তিনি কারাগারেই রয়েছেন।
গত এক বছরে তাকে জুলাই গণঅভ্যুত্থানে হত্যা বা হত্যাচেষ্টা, রায় ‘জালিয়াতি’ এবং দুর্নীতির মোট নয়টি মামলায় গ্রেপ্তার দেখানো হয়েছে। এর সবগুলোতেই তিনি জামিন পেয়েছেন বলে জানান সুপ্রিমকোর্টের জ্যেষ্ঠ আইনজীবী মোতাহার হোসেন সাজু।