শিরোনাম
◈ সাম্প্রদায়িক ইস্যুতে যাচাই-বাছাই ছাড়া বিবৃতি না দেওয়ার অনুরোধ ◈ আবারও মুখোমুখি অবস্থানে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরান, পাল্টাপাল্টি হামলার হুমকি ◈ ত্রয়োদশ নির্বাচন: ইসিতে দ্বিতীয় দিনের আপিলে ৫৭ জন বৈধ ◈ লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড নিয়ে সমস্যা দেখছি না, ইইউ পর্যবেক্ষক দলকে প্রধান উপদেষ্টা ◈ ইরানে ব্যাপক বিক্ষোভ, সহিংসতা - হাসপাতালে 'লাশের স্তুপ', চিকিৎসা দিতে হিমশিম খাচ্ছেন চিকিৎসকেরা  ◈ প‌্যারাগু‌য়ের কারাগারে আন‌ন্দেই কা‌টি‌য়ে‌ছেন, অভিজ্ঞতা বর্ণনা কর‌লেন ব্রা‌জি‌লিয়ান রোনালদিনহো ◈ গণভোটে সরকারের ‘হ্যাঁ’ ভোট চাইতে আইনগত বাধা নেই: প্রধান উপদেষ্টা ◈ আইসিসিকে নতুন শর্ত দিয়েছে বিসিবি ◈ বিশ্বের সেরা বিজ্ঞানীদের তালিকায় আবারও বাংলাদেশি ড. সাইদুর রহমান ◈ বাসায় ডেকে নবম শ্রেণির ২ শিক্ষার্থীকে ধর্ষণের অভিযোগ

প্রকাশিত : ১১ জানুয়ারী, ২০২৬, ০৮:২৯ সকাল
আপডেট : ১১ জানুয়ারী, ২০২৬, ০৬:০০ বিকাল

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

হাঁটুর ক্ষয় রোধে বিজ্ঞানীদের নতুন আবিষ্কার

বয়স বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে জয়েন্টের কার্টিলেজ ক্ষয়ের পেছনে একটি গুরুত্বপূর্ণ প্রোটিনের ভূমিকা চিহ্নিত করেছেন যুক্তরাষ্ট্রের স্ট্যানফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের বিজ্ঞানীরা। এই আবিষ্কার অস্টিওআর্থ্রাইটিসের নতুন ও কার্যকর চিকিৎসা পদ্ধতির পথ খুলে দিতে পারে বলে মনে করছেন গবেষকরা।

ইঁদুরের ওপর পরিচালিত এক গবেষণায় দেখা গেছে, ১৫-পিজিডিএইচ (15-PGDH) নামের একটি প্রোটিন বয়সের সঙ্গে বৃদ্ধি পায় এবং দেহের টিস্যু মেরামত প্রক্রিয়া ও প্রদাহ নিয়ন্ত্রণে বিঘ্ন ঘটায়। এর ফলেই জয়েন্টের ধীরে ধীরে ক্ষয় শুরু হয়।

অস্টিওআর্থ্রাইটিস একটি সাধারণ রোগ, যেখানে কার্টিলেজ ভেঙে যাওয়ার ফলে জয়েন্টে ব্যথা, শক্তভাব ও চলাচলে অসুবিধা দেখা দেয়। গবেষণায় দেখা গেছে, এই ১৫-পিজিডিএইচ প্রোটিনকে লক্ষ্য করে চিকিৎসা দিলে রোগটির অগ্রগতি রোধ করা সম্ভব হতে পারে।

গবেষকরা ক্ষতিগ্রস্ত হাঁটুর কার্টিলেজ থাকা বয়স্ক ইঁদুরের ওপর ১৫-পিজিডিএইচ ইনহিবিটর প্রয়োগ করেন। চিকিৎসার পর ইঁদুরগুলোর কার্টিলেজের পুরুত্ব বাড়তে দেখা যায়। একইভাবে, জয়েন্টে আঘাতপ্রাপ্ত কম বয়সী ইঁদুরদের ক্ষেত্রে এই ইনহিবিটর প্রয়োগ করলে সাধারণত যে অস্টিওআর্থ্রাইটিসের উপসর্গ তৈরি হয়, তা দেখা যায়নি।

গবেষণায় আরও বলা হয়েছে, ১৫-পিজিডিএইচ বন্ধ করলে দেহের নিজস্ব কন্ড্রোসাইট কোষ সক্রিয় হয়ে ওঠে—যে কোষগুলো কার্টিলেজের রক্ষণাবেক্ষণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। এতে স্টেম সেল থেরাপির ওপর নির্ভর করতে হয় না, যা এই পদ্ধতিকে তুলনামূলকভাবে কম আক্রমণাত্মক ও অধিক কার্যকর করে তুলতে পারে।

বিজ্ঞানীদের আশা, ভবিষ্যতে এই গবেষণার ফল মানুষের ওপর প্রয়োগ করা গেলে অস্টিওআর্থ্রাইটিস চিকিৎসায় বড় ধরনের অগ্রগতি সম্ভব হবে।

সূত্র: এনডিটিভি।

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়