শিরোনাম
◈ বাংলাদেশ নারী দলের ক্যাম্পে সুইডেন প্রবাসী ফুটবলার আনিকা রানিয়া সিদ্দিকী  ◈ নির্বাচনে আচরণবিধি লঙ্ঘনের বিস্তর অভিযোগ ◈ ভারতে নিপাহ ভাইরাসের প্রাদুর্ভাব: পাকিস্তানে হাই অ্যালার্ট জারি ◈ ৬ মাসে ২ বিলিয়ন ডলারের বেশি ঋণ পরিশোধ করলো বাংলাদেশ ◈ আগে ঘুস ছিল ১ লাখ, এখন লাগে ১০ লাখ: আজম জে চৌধুরী ◈ পদত্যাগ করলেও মন্ত্রিপাড়ার সরকারি বাসা ছাড়েনি আসিফ ও মাহফুজ ◈ ডিম হামলা, হাতাহাতি, ভাঙচুর; ভোটের মাঠে কথার লড়াই কি সংঘাতে গড়াচ্ছে? ◈ স্ত্রী-সন্তানের লাশের বিনিময়ে আমাকে জামিন দেওয়া হলো: সাদ্দাম (ভিডিও) ◈ চাঁদে আঘাত হানতে পারে বিশাল গ্রহাণু, হতে পারে ভয়াবহ উল্কাবৃষ্টি ◈ তারেক রহমানের পাশে বসা ভাইরাল ভিডিও নিয়ে যে ব্যাখ্যা দিলেন ছাত্রদল সভাপতি

প্রকাশিত : ০৭ ডিসেম্বর, ২০২৫, ০৮:১৯ সকাল
আপডেট : ২৬ জানুয়ারী, ২০২৬, ০৯:০০ সকাল

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

মঙ্গল গ্রহে মানুষের বসতি: সময়ের হিসাব হবে কীভাবে?

আগামী কয়েক বছরে মঙ্গল গ্রহে মানুষের বসতি গড়ার পরিকল্পনার কথা আগেই জানিয়েছেন স্পেসএক্স, টেসলাসহ খুদে ব্লগ লেখার সাইট এক্সের (সাবেক টুইটার) মালিক ইলন মাস্ক। ২০৩০ সালে মঙ্গল গ্রহে মানুষসহ মহাকাশযান পাঠানোর লক্ষ্যে কাজও করছেন তিনি। ধারণা করা হচ্ছে, কয়েক দশকের মধ্যে মানুষ অস্থায়ীভাবে বসবাস করবে গ্রহটিতে। আর তাই মঙ্গল গ্রহে মানুষ পৌঁছানোর পরে সময়ের হিসাব কীভাবে করা হবে, তা নিয়ে কাজ শুরু করেছেন বিজ্ঞানীরা।

পৃথিবীতে আমরা সময়ের হিসাব করার জন্য বিভিন্ন টাইম জোন ব্যবহার করে থাকি। পৃথিবীতে গ্রিনিচ মিন টাইম (জিএমটি) বা ইস্টার্ন ডেলাইট টাইমের মতো বিভিন্ন হিসাবে সময় গণনা করা হয়। তবে বিজ্ঞানীরা জানিয়েছেন, মঙ্গল গ্রহে ঘড়ি প্রতিদিন পৃথিবীর চেয়ে ৪৬৭ মাইক্রোসেকেন্ড দ্রুত চলবে। সময়ের এই পার্থক্য চোখের পলক ফেলতে যে সময় লাগে, তার এক হাজার ভাগের এক ভাগ। কিন্তু এই সামান্য পার্থক্যই মঙ্গল গ্রহে থাকার সময় যোগাযোগ ও নেভিগেশন সিস্টেমের জন্য ব্যাপক সমস্যা তৈরি করবে। আর তাই  গ্রহটির জন্য নতুন টাইম জোন তৈরি করতে হবে।

যুক্তরাষ্ট্রের ন্যাশনাল ইনস্টিটিউট অব স্ট্যান্ডার্ডস অ্যান্ড টেকনোলজির বিজ্ঞানীরা জানিয়েছেন, সময়ের পার্থক্য ছোট মনে হলেও দীর্ঘ সময়ে তা বিশাল প্রভাব ফেলবে। প্রতি দশকে মঙ্গল গ্রহ পৃথিবী থেকে ১ দশমিক ৭ সেকেন্ড এগিয়ে যাবে। আইনস্টাইনের সাধারণ আপেক্ষিকতার সূত্রের মাধ্যমে এই অদ্ভুত বিষয় ব্যাখ্যা করা যায়। মহাবিশ্বের সর্বত্র সময় একই গতিতে চলে না বলে ঘড়ির হিসাবে ভিন্নতা আসে। যে অঞ্চলে মাধ্যাকর্ষণ শক্তিশালী, সেখানে সময় ধীরে চলে এবং যেখানে মাধ্যাকর্ষণ দুর্বল, সেখানে সময় দ্রুত অগ্রসর হয়। মঙ্গল গ্রহে মাধ্যাকর্ষণ পৃথিবীর চেয়ে পাঁচ গুণ দুর্বল বলে সেখানে থাকা মহাকাশচারীরা পৃথিবীতে থাকা তাঁদের বন্ধুদের তুলনায় সামান্য দ্রুত বুড়ো হবেন।

মঙ্গল গ্রহ সৌরজগতের অন্যান্য গ্রহের মাধ্যাকর্ষণ দ্বারা দারুণভাবে প্রভাবিত। পৃথিবী ও চাঁদ সূর্যের চারপাশে বৃত্তাকার কক্ষপথে ঘুরলেও, সূর্য ও প্রতিবেশী গ্যাসীয় দৈত্য বৃহস্পতি ও শনি গ্রহের কারণে মঙ্গল গ্রহ একটি ডিম্বাকৃতির কক্ষপথে ঘুরছে। গ্রহটির ওপর মাধ্যাকর্ষণের পরিমাণ উল্লেখযোগ্যভাবে পরিবর্তিত হয়। প্রাথমিকভাবে এটিকে বড় সমস্যা বলে মনে না–ও হতে পারে। মঙ্গল গ্রহে ঘড়িগুলো পৃথিবীর চেয়ে মাত্র ১ মিনিট এগিয়ে যেতে ৩৪৪ বছরের বেশি সময় লাগবে। এমন সামান্য সময় গণনার সামান্য পরিবর্তন সংবেদনশীল যোগাযোগ ও নেভিগেশন সরঞ্জামের জন্য বড় সমস্যা সৃষ্টি করবে।

সূত্র: ডেইলি মেইল

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়