স্পোর্টস ডেস্ক : পাকিস্তান সুপার লিগের (পিএসএল) একাদশ সংস্করণের জন্য স্থানীয় খেলোয়াড়দের ক্যাটাগরি নবায়নের ঘোষণা দিয়েছে পিসিবি। ২০২৬ পিএসএলে ৮৯ জন স্থানীয় খেলোয়াড়কে নিয়ে পাঁচটি ক্যাটাগরি করা হয়েছে।
এর মধ্যে সর্বোচ্চ প্লাটিনাম ক্যাটাগরিতে রয়েছেন ১৬ জন, ডায়মন্ডে ১১ জন, গোল্ডে ৩২ জন, সিলভার ও ইমার্জিং মিলিয়ে ৩০ জন খেলোয়াড়। পাশাপাশি বিদেশি খেলোয়াড় নিবন্ধনের সময়সীমা বাড়িয়ে ৩ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত করা হয়েছে।
পিএসএলের ইতিহাসে প্রথমবার খেলোয়াড় নিলাম (প্লেয়ার অকশন) আয়োজন করতে যাচ্ছে কর্তৃপক্ষ। আগামী ১১ ফেব্রুয়ারি হবে নিলাম, যা নিয়ে টুর্নামেন্টের উত্তেজনা আরও বেড়েছে। --- টি স্পোর্টস
পিসিবি জানিয়েছে, পাকিস্তানের টি-টোয়েন্টি অধিনায়ক সালমান আলী আগা, সাহিবজাদা ফারহান, মোহাম্মদ নওয়াজ, হাসান আলী ও আবরার আহমেদকে প্লাটিনাম ক্যাটাগরিতে উন্নীত করা হয়েছে। এর মধ্যে আগে শুধু সাহিবজাদা গোল্ড ক্যাটাগরিতে ছিলেন, বাকিরা ছিলেন ডায়মন্ডে।
আগের মৌসুমের মতো এবারও প্লাটিনামে নিজেদের অবস্থান ধরে রেখেছেন শাদাব খান, নাসিম শাহ, ইমাদ ওয়াসিম, শাহিন শাহ আফ্রিদি, ফখর জামান, হারিস রউফ, বাবর আজম, সাইম আইয়ুব, মোহাম্মদ রিজওয়ান, ফাহিম আশরাফ ও মোহাম্মদ আমির।
ডায়মন্ড ক্যাটাগরিতে এবার ১১ জন খেলোয়াড় রয়েছেন। এর মধ্যে কোয়েটা গ্ল্যাডিয়েটর্স ও মুলতান সুলতানসের তিনজন করে, লাহোর কালান্দার্স ও করাচি কিংসের দুজন করে এবং পেশোয়ার জালমির একজন খেলোয়াড় আছেন। ইসলামাবাদ ইউনাইটেডের কোনো খেলোয়াড় ডায়মন্ডে নেই।
মোহাম্মদ সালমান মির্জা, সুফিয়ান মুকিম ও মোহাম্মদ ওয়াসিম জুনিয়র গোল্ড থেকে উন্নীত হয়ে ডায়মন্ডে উঠেছেন।
গোল্ড ক্যাটাগরিতে থাকা ৩২ জন খেলোয়াড়ের মধ্যে ইসলামাবাদ ইউনাইটেড ও লাহোর কালান্দার্সের চারজন করে, করাচি কিংসের আটজন, পেশোয়ার জালমির ছয়জন এবং মুলতান সুলতানস ও কোয়েটা গ্ল্যাডিয়েটর্সের পাঁচজন করে খেলোয়াড় রয়েছেন।
সিলভার ক্যাটাগরিতে সবচেয়ে বেশি খেলোয়াড় রয়েছে মুলতান সুলতানসের—সাতজন। লাহোর কালান্দার্সের তিনজন, পেশোয়ার জালমি ও ইসলামাবাদ ইউনাইটেডের দুজন করে এবং কোয়েটা গ্ল্যাডিয়েটর্স ও করাচি কিংসের একজন করে খেলোয়াড় আছেন।
ইমার্জিং ক্যাটাগরিতে মোট ১৪ জন খেলোয়াড় তালিকাভুক্ত হয়েছেন। ইসলামাবাদ, করাচি ও পেশোয়ারের তিনজন করে, কোয়েটা ও মুলতানের দুজন করে এবং লাহোরের একজন খেলোয়াড় রয়েছেন।
হুনাইন শাহ, উবাইদ শাহ, মির্জা মামুন ইমতিয়াজ, মোহাম্মদ নাইম ও মোহাম্মদ আজাব ইমার্জিং থেকে সিলভারে উন্নীত হয়েছেন। এছাড়া হাসান নওয়াজ ইমার্জিং থেকে সরাসরি গোল্ডে জায়গা পেয়েছেন।
পিসিবি জানিয়েছে, এখন থেকে প্রতিটি ফ্র্যাঞ্চাইজি সর্বোচ্চ চারজন খেলোয়াড় ধরে রাখতে পারবে, তবে প্রতিটি ক্যাটাগরি থেকে সর্বোচ্চ একজন করে রাখা যাবে। রিটেনশন প্রক্রিয়া শেষ হওয়ার পরই দলগুলো প্রথমবারের মতো প্লেয়ার অকশনে অংশ নেবে।