শিরোনাম
◈ বাড়ছে না শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের ছুটি ◈ মা হিসেবে পূর্ণ অভিভাবকত্ব পেয়ে দেশের ইতিহাসে নাম লেখালেন অভিনেত্রী বাঁধন ◈ হিটস্ট্রোকে আরও চারজনের মৃত্যু, তাপপ্রবাহে পুড়ছে ৬ জেলা ◈ তীব্র গরম ও পানি সংকটে রাজধানীবাসী ◈ আরও তিন মামলায় জামিন পেলেন মামুনুল হক ◈ সাজেকে ট্রাক খাদে পড়ে নিহত বেড়ে ৯, আহত ৫ ◈ মিয়ানমার থেকে দেশে ফিরেছেন ১৭৩ বাংলাদেশি, বৃহস্পতিবার যাবে ২৮৮ বিজিপিসদস্য   ◈ রাজধানীতে পথচারীদের সুপেয় পানি সরবরাহ করছেন ডিএমপি ও ফায়ার সার্ভিস  ◈ তাপপ্রবাহে উচ্চ স্বাস্থ্য ঝুঁকিতে শিশুরা,  বাড়তি সতর্কতার পরামর্শ ইউনিসেফের ◈ মন্ত্রী ও এমপিদের নিকটাত্মীয়রা প্রার্থিতা প্রত্যাহার না করলে সময়মতো ব্যবস্থা নেওয়া হবে: ওবায়দুল কাদের 

প্রকাশিত : ০৩ ফেব্রুয়ারি, ২০২৩, ০৩:৪৩ দুপুর
আপডেট : ০৩ ফেব্রুয়ারি, ২০২৩, ০৬:১৫ বিকাল

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

১০২ সন্তানের পিতা মুসা হাসাহিয়া কাসেরা

মুসা হাসাহিয়া কাসেরা

অনিক কর্মকার: উগান্ডার পূর্বাঞ্চলীয় প্রত্যন্ত বুতালেজা জেলার বুগিসা গ্রামের বাসিন্দা কাসেরার ১২ জন স্ত্রী । ১০২ সন্তানের এই জনকের নাতি-নাতনির সংখ্যা ৫৭৮। নাতি-নাতনির সংখ্যা এত বেশি যে তাদের সবার নাম মনে রাখতে পারেন না কাসেরা। এত বড় পরিবার সামলাতে হিমশিম খাচ্ছেন তিনি। প্রথম আলো

নিজ বাড়িতে বসে ৬৮ বছর বয়সী কাসেরা বার্তা সংস্থা এএফপিকে বলছিলেন, প্রথমে এটা ছিল হাস্যরসের বিষয় ছিলো কিন্তু এখন নানা সমস্যা দেখা দিয়েছে। দিন শরীরের জোর কমছে। বিশাল এই পরিবারের জন্য মাত্র দুই একর জমি। খাদ্য, বস্ত্র ,ও শিক্ষার মতো মৌলিক চাহিদা পূরণ করতে পারিনি বলে ছেড়ে গেছে দুই স্ত্রী।

বর্তমানে তিনি বেকার। তবে তার গ্রামটি এখন পর্যটনকেন্দ্র হিসেবে পরিণত হয়েছে। তিনি বলেন, পরিবারের সদস্য যাতে আর না বাড়ে, সে জন্য তার স্ত্রীরা এখন জন্মনিয়ন্ত্রণ পদ্ধতি মেনে চলছেন। আমি আর সন্তান নিতে চাই না। কারণ, এত বেশি সন্তান জন্ম দেওয়ার দায়িত্ব জ্ঞানহীন কাজ থেকে আমি বুঝতে পেরেছি। সন্তানদের লালন-পালন করা খুবই কষ্টসাধ্য হয়ে পড়েছে।

পরিবারের আয়োজনেই ১৯৭২ সালে কাসেরা প্রথম বিয়ে করেন। এ সময় তিনি ও তার স্ত্রী দুজনেরই বয়স ছিল ১৭ বছর। এক বছর পর তাদের প্রথম সন্তান হয়। তিনি বলেন, যেহেতু আমরা শুধু দুই ভাই ছিলাম তাই আত্মীয়স্বজন এবং বন্ধুবান্ধব আমাকে বলেছিলেন, বংশের সম্প্রসারণে বেশ কয়েকটি বিয়ে করে অনেক বেশি সন্তান জন্ম দিতে।

গবাদিপশু বিক্রেতা ও কসাই হিসেবে সচ্ছল জীবন ছিল তার। এজন্য গ্রামবাসী তার সঙ্গে তাদের মেয়েদের বিয়ে দিতে চাইতেন। তাদের কারও কারও বয়স ছিল ১৮ বছরের কম। ধর্মীয় বিশ্বাস অনুযায়ী পূর্ব আফ্রিকার দেশটিতে বহুবিবাহের প্রচলন রয়েছে।

কাসেরার সন্তানদের বয়স ১০ থেকে ৫০ বছর। তার সবচেয়ে ছোট স্ত্রীর বয়স ৩৫ বছর। তিনি বলেন, প্রথম আর শেষ সন্তান ছাড়া বাকিদের নাম মনে রাখতে পারি না। সন্তানদের জন্মের বিস্তারিত জানতে একটি পুরোনো নোট বই দেখে বলছিলেন কাসেরা। তিনি আরো বলেন, সন্তানদের চিনতে তাদের মায়েরা সাহায্য করে। এমনকি কয়েকজন স্ত্রীর নামও মনে করতে পারেন না। এ জন্য নিজের এক সন্তান তাকে সাহায্য করেন।

একে/এসএ

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়