শিরোনাম
◈ স্থানীয় সরকারে মঈন খান: অভিজ্ঞ নেতৃত্বের সামনে বড় পরীক্ষা ◈ ছাত্র অবস্থায় এমপি, দুই দশক পর প্রতিমন্ত্রী শামীম লিংকন ◈ দুই প্রতিমন্ত্রী এক মন্ত্রণালয়ে ◈ ফাঁস দিয়ে মৃত্যুর মিছিল, ৬ মাসে ১০০ জনের মৃত্যু ব্রাহ্মণবাড়িয়ায়  ◈ প্রথমবার পূর্ণমন্ত্রী হওয়া রশিদুজ্জামান মিল্লাতের রাজনৈতিক উত্থান যেভাবে ◈ মন্ত্রিসভায় রদবদলের প্রজ্ঞাপন জারি: কে কোন মন্ত্রণালয়ে ◈ শনিবার টানা ১১ ঘণ্টা বিদ্যুৎ থাকবে না যেসব এলাকায় ◈ শ‌নিবার শুরু দ্বিতীয় টেস্ট, জিত‌লে ইতিহাস গড়বে  বাংলাদেশ, অস্ট্রেলিয়ার লক্ষ্য হোয়াইটওয়াশ এড়ানো ◈ শনিবার সকালে জাতীয় স্মৃতিসৌধে যাবেন রাষ্ট্রপতি ◈ তিন মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব সামলে এবার পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী হুমায়ুন কবির

প্রকাশিত : ২৬ জুন, ২০২৬, ০৭:২৯ বিকাল
আপডেট : ২০ আগস্ট, ২০২৬, ০৫:০০ বিকাল

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

তিন বোনের বয়স ৩১৬ বছর, দীর্ঘায়ুর রহস্য খুঁজছেন বিজ্ঞানীরা

দীর্ঘায়ু পাওয়ার রহস্য কী? এই প্রশ্নের উত্তর খুঁজতে বিজ্ঞানীরা এখন ব্রাজিলের তিন বোনের সাহায্য নিচ্ছেন। চলতি মাসে গিনেস ওয়ার্ল্ড রেকর্ডস এই তিন বোনকে বিশ্বের সবচেয়ে বয়স্ক জীবিত সহোদর হিসেবে স্বীকৃতি দিয়েছে। তাদের তিনজনের বয়সের যোগফল ৩১৬ বছর! এই শতবর্ষী বোনদের ওপর গবেষণার মাধ্যমে বিজ্ঞানীরা মানুষের দীর্ঘায়ুর পেছনের বিজ্ঞান বুঝতে চাইছেন।

রিও ডি জেনিরো শহরে বসবাসকারী এই তিন বোন হলেন ১০৩ বছর বয়সী জুলিনা দে দেউস নুনেস, ১০৪ বছর বয়সী জোরাইদে দে দেউস মোতা এবং ১০৯ বছর বয়সী লেভিতা দে দেউস নুনেস। সাও পাওলো বিশ্ববিদ্যালয়ের বিজ্ঞানী মায়ানা জাতজ-এর নেতৃত্বে ‘ডিএনএ লনজেভো প্রজেক্ট’ (দীর্ঘায়ু খোঁজার জিনগত প্রকল্প) পরিচালিত হচ্ছে। এর মূল লক্ষ্য হলো মানুষের বয়সবৃদ্ধির পেছনের জৈবিক কারণগুলো খুঁজে বের করা। মায়ানা জাতজ বলেন, ডিএনএ পরীক্ষার মাধ্যমে তারা যেসব জিন শরীরকে বার্ধক্যের রোগ থেকে বাঁচায় তা খুঁজছেন।

বিজ্ঞানীরা সুস্থ ও কর্মক্ষম শতবর্ষী মানুষদের সাথে রোগাক্রান্ত ও দুর্বল বয়স্কদের তুলনা করবেন। তাদের ধারণা, শেষ বয়সে মস্তিষ্ক, পেশি ও হৃৎপিণ্ড সুস্থ রাখার ক্ষেত্রে পরিবেশের চেয়ে বংশগত কারণগুলোর ভূমিকা অনেক বেশি। গবেষণার চূড়ান্ত ফলাফলে পৌঁছাতে গবেষক জোয়াও পাওলো গুইলহার্মে অন্তত ৫০০ জন শতবর্ষী মানুষের তথ্য সংগ্রহ করতে চান।

তবে দীর্ঘায়ুর জন্য এই তিন বোন নিজেদের স্বাস্থ্যকর খাবার ও কর্মচঞ্চল জীবনকে কৃতিত্ব দিয়েছেন। স্মৃতিচারণ করে জুলিনা জানান, তারা নদীতে সাঁতার কাটতেন এবং প্রতিদিন তাজা খাবার খেতেন। জোরাইদের মতে, সুস্থতার জন্য মায়ের বুকের দুধ পান করা খুবই গুরুত্বপূর্ণ। ‘লনজেভিকোয়েস্ট’ (দীর্ঘায়ু যাচাইকারী একটি বৈশ্বিক প্রতিষ্ঠান) এর প্রধান বেন মেয়ার্স জানান, শক্তিশালী জিনের পাশাপাশি একত্রে থাকা এবং পারিবারিক সহযোগিতাও তাদের বেশি দিন বাঁচার পেছনে বড় ভূমিকা রেখেছে।

খুবই সাধারণ জীবনযাপন করেছেন এই তিন বোন। লেভিতা কাজ করতেন টেলিভিশন নেটওয়ার্কে, জোরাইদে ছিলেন সেবিকা এবং জুলিনা ছিলেন গৃহিণী। নিজেদের জীবন নিয়ে তাদের কোনো আক্ষেপ নেই।

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়