শিরোনাম
◈ বাংলাদেশিকে গুলি করে হত্যার পর সৌদি যুবকের আত্মহত্যা ◈ মতপ্রকাশের ব্যাপারে সরকার ‘খুব উদার’: তথ্য উপদেষ্টা ◈ নেপালে বন্যা: এক শিক্ষকের তাৎক্ষণিক সিদ্ধান্তে যেভাবে বেঁচে গেল ৯০০ শিক্ষার্থী ◈ নিজ সন্তান বি‌ক্রি করে আইফোন ক্রয়! ◈ জুলাই সনদ চাইবেন, কিন্তু বাস্তবায়নে সহযোগিতা করবেন না—দুইটা বিপরীতমুখী: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী (ভিডিও) ◈ গেন্ডারিয়ায় হঠাৎ গোলাগুলি-মারামারি, নারীসহ গুলিবিদ্ধ ৩ ◈ নিরাপত্তা চেয়ে ঢাবি শিক্ষক মোনামির জিডি ◈ চার সংসদীয় কমিটি পুনর্গঠন ◈ লড়াই ক‌রেও ফাইনালে ওঠা হলো না বাংলা‌দেশ এইচপি দ‌লের ◈ রাষ্ট্রপতির সঙ্গে চীনের রাষ্ট্রদূতের সাক্ষাৎ, সফরের আমন্ত্রণ

প্রকাশিত : ২৪ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬, ১০:০৪ দুপুর
আপডেট : ২১ আগস্ট, ২০২৬, ০৫:০০ বিকাল

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

অ্যান্টার্কটিকার লাল বরফের জলপ্রপাত: সম্পর্ক মিলেছে গ্লেসিয়ারের সঙ্গে

অ্যান্টার্কটিকার বরফের দেশে আছে এক অদ্ভুত দৃশ্য। সাদা বরফের মাঝে হঠাৎ লাল রঙের পানি বেরিয়ে আসে। দূর থেকে দেখলে মনে হয়, বরফের গা বেয়ে রক্ত ঝরছে। এই জায়গার নাম ‘ব্লাড ফলস’। বিজ্ঞানীরা এবার এর সঙ্গে টেলর গ্লেসিয়ারের (বিশাল বরফ নদী) পরিবর্তনের সরাসরি সম্পর্ক খুঁজে পেয়েছেন। 

ব্লাড ফলস অবস্থিত ম্যাকমার্ডো ড্রাই ভ্যালিতে, টেলর গ্লেসিয়ারের সামনে। ১৯১১ সালে টেরা নোভা অভিযানের সময় অস্ট্রেলীয় ভূতত্ত্ববিদ থমাস গ্রিফিথ টেলর প্রথম এটি দেখেন ও নথিভুক্ত করেন।

গবেষকেরা জানান, এই লাল পানি আসলে লৌহসমৃদ্ধ লবণাক্ত পানি বা ব্রাইন। এটি হিমবাহের নিচে আটকে থাকে। বরফের ভার ও ধীর গতির চাপে পানি ওপরে উঠে আসে। বাতাসের সংস্পর্শে এসে এতে অক্সিডেশন (লোহা জং ধরার প্রক্রিয়া) ঘটে। তখনই লাল দাগ তৈরি হয়। এই পানি বরফে ঢাকা লেক বনি’র পশ্চিম অংশের দিকে গড়িয়ে যায়।

লুইজিয়ানা স্টেট ইউনিভার্সিটির ভূতত্ত্ববিদ পিটার টি ডোরান ও তার দল দেখেছেন, এটি শুধু উপরের দাগ নয়। বরফের নিচে পানির চাপ কমা–বাড়ার সঙ্গে এর সম্পর্ক আছে। কয়েক সপ্তাহ ধরে তারা দেখেন, গ্লেসিয়ারের পৃষ্ঠ ধীরে ধীরে নিচে নামছে, আবার উঠছে।

২০১৮ সালের সেপ্টেম্বরে গবেষকেরা টেলর গ্লেসিয়ারে জিপিএস যন্ত্র বসান। টাইম-ল্যাপস ক্যামেরায় ১৯ সেপ্টেম্বর থেকে লাল দাগ ছড়াতে দেখা যায়। একই সময় লেক বনিতে বসানো থার্মিস্টর (তাপমাত্রা ও পানির গভীরতা মাপার যন্ত্র) পানির গভীরতা কমার তথ্য দেয়।

গবেষণায় দেখা গেছে, এই ঘটনার সময় গ্লেসিয়ারের পৃষ্ঠ ০.৬ ইঞ্চি নেমে যায়। সামনের দিকে চলার গতি প্রায় ১০ শতাংশ কমে। প্রায় এক মাস ধরে নিচ থেকে লবণাক্ত পানির ধাক্কা বের হওয়ায় চাপ কমে যায়। এর ফলেই বরফের পৃষ্ঠ নেমে যায় ও গতি কমে আসে।

বিজ্ঞানীদের মতে, এই ঘটনা হিমবাহের নিচে লুকানো পানির চলাচল বোঝার নতুন পথ খুলে দিল।

সূত্র: বাংলাদেশ প্রতিদিন

  • সর্বশেষ