শিরোনাম
◈ বর্জ্য থেকে বিদ্যুৎ উৎপাদনে বড় উদ্যোগ: আমিনবাজার ও মাতুয়াইল প্রকল্প নিয়ে প্রধানমন্ত্রীর বৈঠক ◈ ইরানের পাল্টা হামলায় উত্তপ্ত উপসাগরীয় অঞ্চল, নিরাপত্তা সতর্কতা জারি কয়েক দেশে ◈ ৭৯ হাজার শিক্ষার্থী পেল প্রাথমিক বৃত্তি, ট্যালেন্টপুল ৩২ হাজার ৯৬৫ ◈ মুষলধারে বৃষ্টিতে স্থবির ঢাকা: ‘২০ বছরের রেকর্ড’ দাবি কতটা সত্য, আরও কয়েকদিন থাকতে পারে ভারী বর্ষণ ◈ ঝালকাঠির নলছিটিতে সন্তান নিয়ে নদীতে ঝাঁপ দেওয়া সেই নারী গ্রেফতার ◈ বেলুচিস্তানে ‘অপারেশন শাবান’: আরও ১৬ সশস্ত্র ব্যক্তি নিহত, মোট নিহত ১০২ দাবি পাকিস্তানের ◈ বিরল অথচ বাংলাদেশে সমানে বাড়ছে ‘কোরাল রেড কুকরি’, রহস্য কী? ◈ বন্যার ভয়াবহতা আরও বাড়ছে, ছয় বিভাগে আরও ভারী বৃষ্টির শঙ্কা ◈ মুস্তাফিজের ইনজু‌রি স‌ত্বেও ইংল‌্যা‌ন্ডে উড়ি‌য়ে নি‌চ্ছে বার্মিংহাম ফিনিক্স  ◈ চল‌তি বিশ্বকাপে খেলা দ‌ক্ষিণ আ‌ফ্রিকার ফুটবলারের মৃত্যু 

প্রকাশিত : ০৮ অক্টোবর, ২০২৫, ১২:৪১ দুপুর
আপডেট : ০২ জুলাই, ২০২৬, ১২:০০ রাত

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

যে কারণে চীনে চড়া দামে বিক্রি হচ্ছে হাতের কাটা নখ! যা জানাগেল

নখ কেটে ফেলার পর আমরা সাধারণত সেটি ডাস্টবিনেই ফেলি। কিন্তু জানেন কি, চীনে সেই কাটা নখই বিক্রি হচ্ছে মোটা অঙ্কের দামে! শুনতে অবাক লাগলেও সত্যি এমনটাই ঘটছে দেশটিতে। অবশ্য এর পেছনে রয়েছে চমকপ্রদ কারণও।

বিদেশি সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, চীনের স্থানীয় ভেষজ ওষুধ প্রস্তুতকারীরা কাটা নখকে ওষুধ তৈরির উপাদান হিসেবে ব্যবহার করে আসছেন। বিশেষ করে শিশুদের পেটের সমস্যা ও টনসিলের চিকিৎসায় নখের গুঁড়া কার্যকর বলে বিশ্বাস করা হয়। এ কারণেই স্থানীয়ভাবে তৈরি ওষুধ কোম্পানিগুলো স্কুল ও গ্রামাঞ্চল থেকে কাটা নখ কিনে নেয়। এরপর সেগুলো ভালোভাবে ধুয়ে শুকিয়ে গুঁড়ো করা হয়, যা পরে ওষুধ তৈরিতে কাজে লাগে।

বিশেষজ্ঞদের হিসাবে, একজন পূর্ণবয়স্ক মানুষের শরীরে বছরে গড়ে প্রায় ১০০ গ্রাম নখ গজায়। এই কম উৎপাদনের কারণেই কাটা নখের বাজারমূল্য তুলনামূলক বেশি।

চীনা গণমাধ্যমের তথ্যমতে, দেশটির এক নারী নিজের কাটা নখ কেজিপ্রতি ২১ ডলারে বিক্রি করছেন। তিনি জানান, শৈশব থেকেই টাকার প্রয়োজনে নখ জমিয়ে আসছেন।

তবে বিষয়টি নতুন নয়। ১৯৬০-এর দশক থেকেই চীনের স্থানীয় ওষুধে মানবনখ ব্যবহার হয়ে আসছে। যদিও নেইল পলিশ জনপ্রিয় হওয়ার পর এই প্রবণতা কমে গিয়েছিল। কিন্তু সাম্প্রতিক সময়ে এর ব্যবহার আবারও বেড়েছে।

উল্লেখ্য, এসব ওষুধ তৈরির জন্য কেবল হাতের নখ কেনা হয়। পায়ের নখ নেওয়া হয় না। কেনার আগে প্রতিটি নখ সতর্কভাবে পরীক্ষা করা হয় এবং জীবাণুমুক্ত করার পরই তা ব্যবহারের উপযোগী ধরা হয়।

সূত্র : জিও নিউজ উর্দু

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়