শিরোনাম
◈ রাষ্ট্রপতি পদে বিএনপির প্রার্থী মির্জা ফখরুলের মনোনয়নপত্র জমা ◈ রাষ্ট্রপতি নির্বাচন ঘিরে বিএনপিতে বড় রদবদল, এলজিআরডি মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব পাচ্ছেন সালাউদ্দিন আহমদ, ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব রিজভী ◈ সরকার ও দল থেকে পদত্যাগ করেছেন মির্জা ফখরুল ◈ রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের তফসিল স্থগিত ও ৭০ অনুচ্ছেদের বৈধতা চেয়ে হাইকোর্টে রিট ◈ আত্মসমর্পণ করে জামিন পেলেন অভিনেত্রী তানজিন তিশা ◈ রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা: বিএনপির প্রার্থী মির্জা ফখরুল, ১১ দলীয় জোট মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছে ◈ প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে বৈঠকে ইউএস-বাংলাদেশ বিজনেস কাউন্সিল ◈ প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশের পরও বাস টার্মিনাল সরাতে গতি নেই, যানজটে নাকাল ঢাকা ◈ জুলাই-জুনের বদলে এপ্রিল-মার্চে অর্থবছর পরিবর্তনের পরিকল্পনা করছে সরকার ◈ ফ্যামিলি কার্ডের মাঠকর্মী নিয়োগে অনিয়মের অভিযোগ, একের পর এক উপজেলায় ফল স্থগিত

প্রকাশিত : ০৮ ডিসেম্বর, ২০২৪, ০৪:১২ দুপুর
আপডেট : ০৬ মে, ২০২৫, ০৭:০০ সকাল

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

হরেক রকম পণ্য বিক্রি করে চলে মোস্তফা আলীর সংসার

মাহবুব সৈয়দ,পলাশ(নরসিংদী)প্রতিনিধি : জীবিকা যুদ্ধের এক জীবন্ত সৈনিক ফেরিওয়ালা মোস্তফা আলি।হরেক রকম পন্য বিক্রি করে সংসার চালান তিনি।এ পেশা তার পৈতৃক সুত্রে পাওয়া। পিতা মৃত মজলিস আলীও ফেরিওয়ালা করে জীবন কাটিয়েছেন।নরসিংদীর পলাশ উপজেলার ঘোড়াশাল পাইকসা গ্রামের বাসিন্দা মোস্তফা আলী বয়সে ষাটোর্ধ ছুইছুই দাঁড়ি গোফে ঢাকা মুখখানায় ক্লান্তির ছাপ নেই।নানা পণ্যে সাজিয়ে ভ্যান গাড়ি চলছে সারাদিন। স্বল্প মূল্যে প্রাস্টিকের নানা পণ্য প্রকার সামগ্রী বিক্রি করছেন।আজ এ গ্রামে তো কাল ঐ গ্রামে এভাবেই চলছে তার ভ্রাম্যমান ব্যবসা।

তার ভ্রাম্যমাণ দোকানে পাওয়া যায়, প্রাস্টিকের বাটি,ডালা,লবণদানি,বদনা,টুল,বাচ্চাদের খেলনা ও কসমেটিক্সসহ প্রায় ৭০ প্রকারের জিনিস। এই হরেক রকমের যে কোনো পণ্য মাত্র ১০-১০০টাকা বিক্রি হওয়ায় এরই মধ্যে এলাকার গৃহিণীদের কাছে ভালো সারা পাচ্ছেন। সব হরেক রকমের নানা প্রকারের পণ্যসামগ্রী নিয়ে ছুটে চলছে এক গ্রাম থেকে অন্য গ্রামে আর হাঁক-ডাক দিয়ে বলছেন ‘রাখবেন হরেক মাল, রাখবেন হরেক মাল, ধরলেই মাত্র ১০-১০০ টাকা। মা বোনদের কার কার লাগবে আপনারা দ্রুত চলে আসুন।

পণ্য কিনতে আসা মৌসমী বেগম নামে এক ক্রেতা বলেন, হাতের কাছে কম দামী জিনিস পেয়ে বেশ কিছু নিত্য প্রয়োজনীয় হরেক রকম পণ্য ক্রয় করলাম।বাচ্চাদের জন্য খেলনা, সংসারের কিছু জিনিসপ এ এবং নিজের জন্য চুলের ক্লিপ কিনেছি।

ফেরিওয়ালা মোস্তফা আলী বলেন,এ ব্যবসায় বেচাকেনা ভালোই হয়। আমার অধিকাংশ ক্রেতাই গ্রামের মহিলা।গ্রামের ধনী-গরীব সবাই আমার কাছ থেকে নানা জিনিসপত্র কিনে থাকেন।অন্যান্য ব্যবসার মতো আমাকেও খরিদদারদের বাকি দিতে হয়।তবে আমি লোক চিনে বাকি দেয়। যাদের লেনদেন ভালো তাদেরকে বাকি দিতে কার্পণ্য করিনা।উপজেলার বিভিন্ন গ্রামে ফেরি করি।একই গ্রামে প্রতিদিন যায়না।৫/৬দিন পর পর এক গ্রামে যায়।এতে বিক্রি ভালো হয়। এ ব্যবসা থেকে প্রতিদিন ৫০০ থেকে ৭০০ টাকা আয় হয়।

তিনি আরো বলেন,ঈদ-পূজাসহ বিভিন্ন উৎসবের সময় তিনি মেলা হলে সেখানে যান। মেলায় বেঁচাবিক্রি খুব ভালো হয়।প্রতিদিন যে উপার্জন হয় তাতে আয় করতে না পারলেও স্বাছন্দে-স্ত্রী সন্তান ও নাতিদের নিয়ে সংসার চলে যায়।সরকার বা কোন ধনার্ঢ্য ব্যাক্তি যদি একটি দোকান করে দেয়,তবে আমার বাকী জীবন পরিবারসহ কাটিয়ে দেয়া সহজ হতো।
পরিশ্রমী জীবন-সংগ্রামী মানুষ ফেরিওয়ালা মোস্তফা আলী সৎ পথে লড়ছেন জীবিকা নির্বাহের জন্য।নিত্যদিন তিনি বিরামহীন ছুটছেন হরেক রকমের পণ্যের ভ্যানগাড়ি নিয়ে পথে প্রান্তরে গ্রাম- গঞ্জে।

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়