শিরোনাম
◈ মেয়ের নিখোঁজে বাবা-মায়ের উদ্বেগহীনতা সমাজের গভীর সংকটের প্রতিচ্ছবি: রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ◈ রিয়াদে ফ্লাইট বন্ধ, বিকল্প হিসেবে দাম্মাম ও মদিনায় পাঠানো হবে যাত্রীদের: বিমানমন্ত্রী ◈ বিশ্বব্যাংকের প্রতিবেদন: ভারতের শীর্ষ ১০ শতাংশ ধনীর চেয়েও বেশি আয় যুক্তরাষ্ট্রের দরিদ্রদের ◈ যে কারণে সারা দেশে এলপিজি গ্যাসের দোকান বন্ধ ঘোষণা ◈ অন্তঃসত্ত্বা স্ত্রীকে খুন করে ৯৯৯–এ কল, ঘটনাস্থলে পুলিশ দেখল লাশের পাশে ধূমপান করছেন স্বামী ◈ জ্বালানি সংকট মোকাবিলায় দেশের কয়লা উত্তোলনে জোর, অগ্রাধিকার পাচ্ছে ফুলবাড়ী খনি ◈ চুয়েটে নতুন উপাচার্যকে ভবনের ভেতরে রেখে বাইরে থেকে তালা দিলেন শিক্ষার্থীরা ◈ প্রথম ভোট শুরু ২১ জানুয়ারি, পাঁচ ধাপে ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচন: ইসি ◈ ‘নাশতা করার সময় চারদিক থেকে বাসায় ঢিল ছোড়া শুরু হয়’, উত্তরায় জি এম কাদেরের বাসায় হামলা-ভাঙচুর ◈ অবসরপ্রাপ্ত সেনা কর্মকর্তা গ্রেপ্তার নিয়ে যা জানালেন ডিএমপির উপ-পুলিশ কমিশনার

প্রকাশিত : ০৮ ডিসেম্বর, ২০২৪, ০৪:১২ দুপুর
আপডেট : ০৬ মে, ২০২৫, ০৭:০০ সকাল

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

হরেক রকম পণ্য বিক্রি করে চলে মোস্তফা আলীর সংসার

মাহবুব সৈয়দ,পলাশ(নরসিংদী)প্রতিনিধি : জীবিকা যুদ্ধের এক জীবন্ত সৈনিক ফেরিওয়ালা মোস্তফা আলি।হরেক রকম পন্য বিক্রি করে সংসার চালান তিনি।এ পেশা তার পৈতৃক সুত্রে পাওয়া। পিতা মৃত মজলিস আলীও ফেরিওয়ালা করে জীবন কাটিয়েছেন।নরসিংদীর পলাশ উপজেলার ঘোড়াশাল পাইকসা গ্রামের বাসিন্দা মোস্তফা আলী বয়সে ষাটোর্ধ ছুইছুই দাঁড়ি গোফে ঢাকা মুখখানায় ক্লান্তির ছাপ নেই।নানা পণ্যে সাজিয়ে ভ্যান গাড়ি চলছে সারাদিন। স্বল্প মূল্যে প্রাস্টিকের নানা পণ্য প্রকার সামগ্রী বিক্রি করছেন।আজ এ গ্রামে তো কাল ঐ গ্রামে এভাবেই চলছে তার ভ্রাম্যমান ব্যবসা।

তার ভ্রাম্যমাণ দোকানে পাওয়া যায়, প্রাস্টিকের বাটি,ডালা,লবণদানি,বদনা,টুল,বাচ্চাদের খেলনা ও কসমেটিক্সসহ প্রায় ৭০ প্রকারের জিনিস। এই হরেক রকমের যে কোনো পণ্য মাত্র ১০-১০০টাকা বিক্রি হওয়ায় এরই মধ্যে এলাকার গৃহিণীদের কাছে ভালো সারা পাচ্ছেন। সব হরেক রকমের নানা প্রকারের পণ্যসামগ্রী নিয়ে ছুটে চলছে এক গ্রাম থেকে অন্য গ্রামে আর হাঁক-ডাক দিয়ে বলছেন ‘রাখবেন হরেক মাল, রাখবেন হরেক মাল, ধরলেই মাত্র ১০-১০০ টাকা। মা বোনদের কার কার লাগবে আপনারা দ্রুত চলে আসুন।

পণ্য কিনতে আসা মৌসমী বেগম নামে এক ক্রেতা বলেন, হাতের কাছে কম দামী জিনিস পেয়ে বেশ কিছু নিত্য প্রয়োজনীয় হরেক রকম পণ্য ক্রয় করলাম।বাচ্চাদের জন্য খেলনা, সংসারের কিছু জিনিসপ এ এবং নিজের জন্য চুলের ক্লিপ কিনেছি।

ফেরিওয়ালা মোস্তফা আলী বলেন,এ ব্যবসায় বেচাকেনা ভালোই হয়। আমার অধিকাংশ ক্রেতাই গ্রামের মহিলা।গ্রামের ধনী-গরীব সবাই আমার কাছ থেকে নানা জিনিসপত্র কিনে থাকেন।অন্যান্য ব্যবসার মতো আমাকেও খরিদদারদের বাকি দিতে হয়।তবে আমি লোক চিনে বাকি দেয়। যাদের লেনদেন ভালো তাদেরকে বাকি দিতে কার্পণ্য করিনা।উপজেলার বিভিন্ন গ্রামে ফেরি করি।একই গ্রামে প্রতিদিন যায়না।৫/৬দিন পর পর এক গ্রামে যায়।এতে বিক্রি ভালো হয়। এ ব্যবসা থেকে প্রতিদিন ৫০০ থেকে ৭০০ টাকা আয় হয়।

তিনি আরো বলেন,ঈদ-পূজাসহ বিভিন্ন উৎসবের সময় তিনি মেলা হলে সেখানে যান। মেলায় বেঁচাবিক্রি খুব ভালো হয়।প্রতিদিন যে উপার্জন হয় তাতে আয় করতে না পারলেও স্বাছন্দে-স্ত্রী সন্তান ও নাতিদের নিয়ে সংসার চলে যায়।সরকার বা কোন ধনার্ঢ্য ব্যাক্তি যদি একটি দোকান করে দেয়,তবে আমার বাকী জীবন পরিবারসহ কাটিয়ে দেয়া সহজ হতো।
পরিশ্রমী জীবন-সংগ্রামী মানুষ ফেরিওয়ালা মোস্তফা আলী সৎ পথে লড়ছেন জীবিকা নির্বাহের জন্য।নিত্যদিন তিনি বিরামহীন ছুটছেন হরেক রকমের পণ্যের ভ্যানগাড়ি নিয়ে পথে প্রান্তরে গ্রাম- গঞ্জে।

  • সর্বশেষ