স্পোর্টস ডেস্ক : উপমহাদেশের ব্যাটারদের বিদেশের মাটিতে সাফল্যের পথ দেখিয়েছিলেন শচীন টেণ্ডুলকার। তবে সেই ধারাকে আরও এক ধাপ এগিয়ে নিয়ে গিয়ে বিরাট কোহলি ভারতকে টেস্ট ক্রিকেটের অন্যতম শক্তিশালী দল হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করতে বড় ভূমিকা নিয়েছেন, এমনটাই মনে করেন দক্ষিণ আফ্রিকার প্রাক্তন অধিনায়ক এবি ডি ভিলিয়ার্স।
নিজের ইউটিউব চ্যানেলে ডি ভিলিয়ার্স বলেন, বাউন্সি ও সিমিং কন্ডিশনে উপমহাদেশের ব্যাটাররাও যে সফল হতে পারেন, সেটি প্রথম দেখিয়েছিলেন শচীন। কিন্তু তাঁর মতে, কোহলি সেই সাফল্যের মান আরও উঁচুতে নিয়ে গিয়েছেন।
ডি ভিলিয়ার্সের কথায়, শচীন টেণ্ডুলকার অনেক আগে ভারতের হয়ে সেই প্রবণতা শুরু করেছিলেন। তবে বিরাট কোহলির মতো তিনি এতটা শক্তিশালী ছিলেন না। শচীনই প্রথম দেখিয়েছিলেন যে উপমহাদেশের একজন ব্যাটার বাউন্সি ও সিমিং পরিস্থিতিতেও ভাল করতে পারেন। বিরাট সেটিকে আরও এগিয়ে নিয়ে গিয়ে মান আরও উঁচুতে তুলেছে।
বিদেশের মাটিতে শচীন ও কোহলির সাফল্য যে পরবর্তী প্রজন্মের ভারতীয় ব্যাটারদেরও অনুপ্রাণিত করেছে, সেটিও উল্লেখ করেন ডি ভিলিয়ার্স। তাঁর মতে, কেএল রাহুল ও দেবদত্ত পাড়িকলের মতো ক্রিকেটাররা সেই পথ অনুসরণ করছেন।
তবে রাহুলের ক্ষেত্রে আরও বড় ইনিংস খেলার প্রয়োজন রয়েছে বলে মনে করেন প্রাক্তন প্রোটিয়া অধিনায়ক। তাঁর মতে, রাহুলের টেকনিক যথেষ্ট ভাল এবং ভারতীয় দলের জন্য তিনি গুরুত্বপূর্ণ সম্পদ। কিন্তু বিদেশের মাটিতে তাঁর গড় মাত্র ৩৪ হওয়ায় আরও উন্নতির জায়গা রয়েছে।
ডি ভিলিয়ার্স বলেন, রাহুলকে শুধু শতরানে থেমে গেলে চলবে না, বড় শতরানকে আরও বড় ইনিংসে পরিণত করতে হবে। ''প্রথম বলেই শূন্য করে ফেরা কিংবা নতুন বলের সামনে উইকেট হারানোর ঝুঁকি সবসময়ই থাকে। তাই রাহুলের লক্ষ্য হওয়া উচিত বড় স্কোরকে আরও বড় করা, শতরান পেলে সেটিকে ১৮০-র মতো ইনিংসে পরিণত করা,'' বলেন তিনি।
ভিলিয়ার্সের এই মন্তব্যে শচীন ও কোহলির বিদেশের মাটিতে পারফরম্যান্স নিয়ে নতুন করে আলোচনা শুরু হলেও তাঁর মূল বক্তব্য স্পষ্ট, শচীন পথ দেখিয়েছিলেন, আর কোহলি সেই পথকে আরও প্রশস্ত করে ভারতীয় ক্রিকেটের বিদেশজয়ের মানসিকতা আরও শক্তিশালী করেছেন।