শিরোনাম
◈ হাসিনা কলকাঠি নাড়ছেন, গুপ্তরা বাতাস দিচ্ছে: রিজভী ◈ নারী ত্রিদেশীয় সিরিজের বাংলাদেশ অনূর্ধ্ব-১৯ দল ঘোষণা ◈ ইরান যুদ্ধ ও জ্বালানি সংকটের মধ্যেও ২০২৬ সালে বিশ্ব অর্থনীতির প্রবৃদ্ধি ২.৯%: OECD ◈ পণ্য খালাসের সময় ও ব্যয় কমাতে সমন্বিত কর্মপরিকল্পনার তাগিদ বাণিজ্যমন্ত্রীর ◈ আগামী শুক্র ও শনিবার ব্যাংক খোলা ◈ রোহিঙ্গা সংকট সমাধানে ৫ দফা প্রস্তাব: জাতিসংঘের সাইডলাইন বৈঠকে প্রধানমন্ত্রীর জোরালো আহ্বান ◈ হুতিদের হামলা ঠেকাতে সৌদির অনুরোধে সাড়া নেই, ট্রাম্প-সালমান সম্পর্কে নতুন টানাপোড়েন ◈ গেটস ফাউন্ডেশনের সিইওর সঙ্গে প্রধানমন্ত্রীর বৈঠক, স্বাস্থ্যখাতে এআই ব্যবহারের পরিকল্পনা ◈ ১০ বছরে জ্বালানি তেল থেকে সরকারকে ১ লাখ ১৯ হাজার কোটি টাকা দিয়েছে বিপিসি ◈ লিভারপুলের অ্যানফিল্ড গুগল রেটিংয়ে এগিয়ে

প্রকাশিত : ০৭ আগস্ট, ২০২৬, ০৯:৫৯ সকাল
আপডেট : ২০ আগস্ট, ২০২৬, ০৬:০০ বিকাল

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

ইনফান্তিনোর আসন টলমল! আগামী বছর নির্বাচনের আগেই হারা‌তে পারেন চাকরি, ফিফার নতুন সভাপতির দৌড়ে কে? 

স্পোর্টস ডেস্ক : ঘরে-বাইরে সমস্যায় জিয়ান্নি ইনফান্তিনো। একের পর এক ভুল সিদ্ধান্ত, দুর্নীতি, একনায়কতন্ত্রের অভিযোগ উঠেছে তাঁর বিরুদ্ধে। ফুটবল বিশ্বকাপ ও তার পরের কয়েকটি ঘটনায় চাপ বাড়ছে ইনফান্তিনোর উপর। আগামী বছর ফিফার সভাপতি নির্বাচন। তার আগেই অবশ্য চাকরি হারা‌তে পারেন ইনফান্তিনো।

২০১৬ সালে ফিফার সভাপতি হয়েছিলেন ইনফান্তিনো। তার আগে তিনি ছিলেন উয়েফার প্রধান। ফিফার নিয়ম প্রতি চার বছর অন্তর নির্বাচন। অর্থাৎ, একটি করে বিশ্বকাপের পর নির্বাচন। কিন্তু ২০১৬ সালের পরিস্থিতি আলাদা ছিল। তৎকালীন সভাপতি শেপ ব্লাটারের বিরুদ্ধে দুর্নীতির অভিযোগ ওঠায় তাঁকে সরিয়ে দেওয়া হয়েছিল। দায়িত্ব নিয়েছিলেন ইনফান্তিনো। -- আনন্দবাজার

advertisement

ফিফার নিয়ম অনুযায়ী, কোনও সভাপতি সর্বাধিক ১২ বছর দায়িত্ব সামলাতে পারেন। তার আগে অবশ্য এই নিয়ম ছিল না। তা কাজে লাগিয়ে ১৯০৪ সাল থেকে এখনও পর্যন্ত মোট ন’জন বিশ্বফুটবলের নিয়ামক সংস্থার সভাপতি হয়েছেন। ১৯৭০ সাল থেকে ৫৬ বছরে জোয়াও হাভেলাঞ্জ, ব্লাটার ও ইনফান্তিনো, এই তিন জন সভাপতি দেখেছে ফিফা।

বেশিদিন এক পদে থাকলে দুর্নীতি বাড়ে, এই ভাবনা থেকেই ২০১৬ সালে সর্বাধিক ১২ বছর সভাপতি থাকার নিয়ম আনে ফিফা। সেই হিসাবে ২০২৮ সাল পর্যন্ত ইনফান্তিনো সভাপতি থাকতে পারবেন। কিন্তু ইনফান্তিনো যুক্তি দিয়েছেন, তাঁর প্রথম তিন বছর এই তালিকায় পড়বে না। ব্লাটারের দায়িত্বকালের শেষ তিন বছর সামলেছেন তিনি। সেই যুক্তিতে ২০৩১ সাল পর্যন্ত অর্থাৎ, মোট ১৫ বছর সভাপতি থাকতে পারবেন তিনি।

advertisement

২০১৬ সালে শেখ সলমন বিন ইব্রাহিম আল খলিফাকে হারিয়ে সভাপতি হয়েছিলেন ইনফান্তিনো। কয়েক মাস আগেও তাঁর কথাই ছিল শেষ কথা। আগামী বছর ১৭ মার্চ মরক্কোয় হতে পারে ফিফার সভাপতি নির্বাচন। সেখানে ইনফান্তিনোর বিরুদ্ধে দেখা যেতে পারে কনফেডারেশন অফ নর্থ, সেন্ট্রাল আমেরিকা অ্যান্ড ক্যারিবিয়ান অ্যাসোসিয়েশন ফুটবল বা কনকাকাফ-এর সভাপতি ভিক্টর মন্টাগলিয়ানিকে। ২০১৯ ও ২০২৩ সালে ইনফান্তিনো বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় জিতেছিলেন। কিন্তু এবার তা হবে না।

ফিফার নিয়ম অনুযায়ী, যদি দুই প্রতিদ্বন্দ্বী থাকে, তা হলে ২১১ দেশের অর্ধেকের বেশি, অর্থাৎ, ১০৬টি দেশের সমর্থন পেলেই কেউ সভাপতি হতে পারেন। যদি তিন প্রতিদ্বন্দ্বী থাকে, তা হলে দুই-তৃতীয়াংশ দেশের সমর্থন পেতে হবে। প্রতিটি দেশের ভোটের মূল্য সমান। বিশ্বকাপজয়ী স্পেনের ভোটকেও যেমন একটি ধরা হবে, তেমনই হন্ডুরাস বা কুরাসাওয়ের ভোটও একটি ধরা হবে। অর্থাৎ, বড় দেশগুলি বিরোধিতা করলেও ছোট দেশগুলির সমর্থনে কেউ ফিফা সভাপতি হতে পারেন।

advertisement

২০১৬ সালে ২১১ দেশের মধ্যে ২০০ দেশের সমর্থন পেয়েছিলেন ইনফান্তিনো। কিন্তু এবার সেই সম্ভাবনা কম। কারণ, তিনটি মহাদেশের সংস্থা ইনফান্তিনোর বিরুদ্ধে। ইউরোপের ফুটবল সংস্থা উয়েফা (৫৫ দেশ), এশিয়ান ফুটবল সংস্থা এএফসি (৪৬ দেশ) ও কনকাকাফ (৩৫ দেশ) এই তিনটি সংস্থা ইনফান্তিনোকে সমর্থন করবে না। এই তিন সংস্থায় মোট ১৩৬টি দেশ রয়েছে। সেই ভোট ইনফান্তিনোর বিরুদ্ধে গেলে তাঁর জেতা মুশকিল।

  • সর্বশেষ